Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

‘সংসারে উদাসীন’ স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করলেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী

Advertisement

Icon

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

‘সংসারে উদাসীন’ স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করলেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী

নিহত স্বামী রব্বি মন্ডল। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মাগুরার শ্রীপুরে ঘুমন্ত স্বামী রব্বি মন্ডলকে (৩৫) ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী ফারজানা বেগমের (২৭) বিরুদ্ধে। 

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনায় শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামের বাবার বাড়ি থেকে ফারজানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রব্বি মন্ডল পেশায় বালু ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি আমলসার ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম মন্ডলের ছেলে।

পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ফারজানা দাবি করেছেন, সংসারের প্রতি স্বামীর উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে আমলসার গ্রামের ফায়জার রহমানের মেয়ে ফারজানার সঙ্গে রব্বির বিয়ে হয়। তাদের পাঁচ বছর বয়সি একটি মেয়ে রয়েছে। প্রায় দুবছর আগে রব্বি বাড়ির অদূরে পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে আলাদা বাড়ি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ফারজানা বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। রব্বির মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় তিনি অধিকাংশ সময় বাড়ির বাইরে থাকতেন। অসুস্থ স্ত্রী-সন্তানের যত্ন না নেওয়ায় রাব্বির প্রতি ফারজানার ক্ষোভ ছিল। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির বাইরে থাকার পর শুক্রবার ভোরে রব্বি ঘরে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় ফারজানা ধারালো দা দিয়ে তাকে হত্যা করে পাঁচ বছরের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাবার বাড়ি আমতৈল গ্রামে চলে যান। সেখানে রক্তমাখা অবস্থায় ফারজানাকে দেখে তার বাবা ফায়জার রহমান ফোনে রব্বির বাবা নজরুল ইসলামকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রব্বির লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। পরে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ফারজানাকে গ্রেফতার করা হয়। নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম মন্ডল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেছেন।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, পারিবারিক কলহের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্বামীকে হত্যার কথা স্ত্রী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম