নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কাটার অভিযোগ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মানিকগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন জেলা ছাত্রলীগের উপ-কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক বশিরের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত বশির বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বশির মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালোরার চর গ্রামের মনিরের ছেলে।
ঘটনাটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে হামলার জন্য বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। তবে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ দাবি করেছেন, বশিরের বন্ধুরাই তাকে কুপিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, হামলার ঘটনাটি সিংগাইর থানা এলাকায় ঘটেছে। সদর থানা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেনি।
পরে সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফাহিম আসজাদ জানান, ঘটনাটি সদর থানা এলাকার শেষ সীমানা এবং সিংগাইর থানা শুরুর প্রায় ২০০ গজের মধ্যে ঘটেছে। রোববার রাতের এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। কারা হামলায় জড়িত, তা পুলিশ তদন্ত করছে। প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।
সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, হামলাকারীরা বশিরের বন্ধু। তাদের বাড়ি সদর উপজেলায়। কিভাবে তাকে ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হলো, সেই বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার দুপুরে বিবৃতি দিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠনটি। এতে এ ঘটনার জন্য বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ নাকচ করে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, ওই ছেলের বন্ধুরাই তাকে কুপিয়েছে। মধ্যরাতে ইটভাটায় ওই ছেলে কাদের সঙ্গে গেছে? তাদের মধ্যে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা থাকতে পারে। সেই ঘটনায় কুপিয়েছে বলে শুনেছি। এখানে ছাত্রদল বা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নাম জড়িয়ে গুজব ছড়াচ্ছে নিষিদ্ধ সংগঠন। এর আগে শহীদ মিনারে একজনের আত্মহত্যা নিয়েও গুজব ছড়িয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত করছে।
