রূপগঞ্জে যুবদলের সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি
যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।
একপক্ষ অপরপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে তারাব পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরজু ভূঁইয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে যুবদল নেতা আরজু ভূঁইয়া ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। পরে রাফিন ভূঁইয়া ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
এরপর রাফিন ভূঁইয়া মুড়াপাড়া এলাকা থেকে দুটি মোটরসাইকেলে করে বরপা বাসস্ট্যান্ডে এসে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।
পরে যুবদল নেতা আরজু ভূঁইয়ার লোকজন ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার লোকজনের একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় যুবদল নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে আরজু ভূঁইয়ার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়া ও তার আত্মীয়স্বজনের ১৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বাধা দিতে গেলে ইয়ার হোসেনসহ তিনজন আহত হন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় যুবদল নেতা আরজু ভূঁইয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
