কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন—উপজেলার ইছবপুর এলাকার সাদিক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৩১), শহরের মিশন রোডের তাউল মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং সোনার বাংলা রোডের মমিনুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ইসলাম (২০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ি রোডের একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে আসামিরা সিএনজি অটোরিকশায় এসে তার পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
পরে তাকে শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা পর্যন্ত আসামিরা পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে আসামিরা কিশোরীকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে খবর পেয়ে রেলস্টেশন থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে কিশোরীটি হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগায় ৩০ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আবদুর রাজ্জাককে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। বুধবার অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
