৮১তম জন্মদিনে বাবা ড. মোশাররফের জন্য দোয়া চাইলেন খন্দকার মারুফ
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বর্ষীয়ান রাজনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জন্য দোয়া চাইলেন ছেলে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১অক্টোবর) ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে দাউদকান্দি পৌর সদরে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিলাদ মাহফিলে দেশবরেণ্য প্রবীণ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মারুফ বলেন, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাবেক মন্ত্রী, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি শিক্ষকতার পেশা ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন। আমার বাবা ড. মোশাররফ এই দাউদকান্দি, তিতাস ও মেঘনা উপজেলার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। অসুস্থ থেকেও তিনি এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি।
তিনি বলেন, ড. মোশাররফ একাধিক মেয়াদে মন্ত্রী ও এমপি থাকাকালীন নির্বাচনি এলাকায় সর্বক্ষত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন। জনগণ উন্নত নাগরিক সুবিধা পেয়েছেন। বিগত সরকার এলাকার উন্নয়নে কোনো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেননি।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, আমার বাবার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। আমার জন্য দোয়া চাই। যাতে আগামী দিনে দাউদকান্দি ও মেঘনার মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারি।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সুশিক্ষিত হয়ে আগামী দিনে তোমরাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে।
তোমাদের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা রয়েছে, নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে তিনি (ড. মারুফ) শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, আরিফ মাহামুদ ও রোমান খন্দকার প্রমুখ।

