পাগলা মসজিদে মিলল ১০৪৪ ভরি সোনা ও ১০৮৮ ভরি রৌপ্য
Advertisement
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দানবাক্সে জমা হওয়া সোনা ও রুপার ওজন পরিমাপ করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রৌপ্য পাওয়া গেছে।
বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার ওজন পরিমাপ ও গণনার কাজ চলছে। এই গণনা শেষ হতে রাত ৮টা থেকে ৯টা বাজতে পারে বলে জানিয়েছেন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. হানেফি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত ৯টি মাঝারি আকারের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
গণনা ও ওজন নির্ধারণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য।
এছাড়া জেলা প্রশাসনের কর্মচারী, মসজিদের কর্মী, জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারাও এ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাগলা মসজিদে আগত দর্শনার্থীরা নগদ অর্থের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সোনা, রুপার গহনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রা দান করে থাকেন। এসব মূল্যবান সামগ্রী গণনার পর সোনা ও রুপার ক্যারেট অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তীতে বাজারদর যাচাই করে এগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, ট্রেজারিতে জমা রাখা ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এসব মূল্যবান সামগ্রী গণনা ও পরিমাপ করা হচ্ছে। প্রাপ্ত স্বর্ণ ও রুপার ওজন এবং ক্যারেট যাচাই করে পরবর্তী সময়ে নিলামে বিক্রি করা হবে। আর বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকাররা সহযোগিতা করছেন।
