Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি

Advertisement

Icon

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

রংপুরে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় গাড়ির গেটের কাছে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান, নিজেই সেলফি তোলেন এবং ফুটবল ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার সামগ্রী উপহার দেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ সময় কলেজের উন্নয়নে ডাবল শিফট চালু, ছেলেদের ও মেয়েদের জন্য পৃথক ভবন নির্মাণ এবং একটি অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন অধ্যক্ষ। 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ সেলফি তুলেন প্রধানমন্ত্রী।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তাদের কী প্রয়োজন? এ সময় তিনি কলেজের ইতিহাস ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন চাহিদার কথা তুলে ধরেন।

অধ্যক্ষ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি স্কুল থেকে কলেজে উন্নীত হয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর পর তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও জানতে চান। একপর্যায়ে কলেজের কী কী প্রয়োজন, তা জানতে চাইলে অধ্যক্ষ অবকাঠামো উন্নয়ন ও পাঠদানের সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব তুলে ধরেন।

অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে এক শিফটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি করতে প্রতিষ্ঠানটিতে ডাবল শিফট চালুর প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি ছেলেদের ও মেয়েদের জন্য পৃথক দুটি ভবন এবং একটি অডিটোরিয়াম নির্মাণের দাবিও জানান। এসব প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বলে জানান অধ্যক্ষ। এ বিষয়ে কলেজের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনও দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে রংপুরে যাওয়ার পথে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি নিজেই জানতে চেয়েছেন, আমাদের কী প্রয়োজন। গাড়িতে বসেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, নিজে সেলফি তুলেছেন এবং খেলাধুলার সামগ্রী উপহার দিয়েছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী নিজে এগিয়ে এসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কথা শুনছেন; এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।

নির্ধারিত গন্তব্যে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের দেখে প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রাবিরতি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, সেলফি তোলা এবং উপহার দেওয়ার ঘটনায় কলেজজুড়ে আনন্দের সৃষ্টি হয়। দুপুর দেড়টায় প্রধানমন্ত্রী রংপুর পরিদর্শন শেষে সৈয়দপুর থেকে বিমান যোগে রাজশাহী চলে যান।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর ​জাপান সফরে ৮ চুক্তির লক্ষ্য, চারটি চূড়ান্ত: পররাষ্ট্র সচিব

প্রধানমন্ত্রীর ​জাপান সফরে ৮ চুক্তির লক্ষ্য, চারটি চূড়ান্ত: পররাষ্ট্র সচিব

রাজশাহীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজশাহীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনে কেন যায়নি, ব্যাখ্যা দিল জামায়াত

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনে কেন যায়নি, ব্যাখ্যা দিল জামায়াত

রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কেন ‘ঐতিহাসিক’ বললেন ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কেন ‘ঐতিহাসিক’ বললেন ভূমিমন্ত্রী

আরও পড়ুন

সম্প্রীতির অপূর্ব নিদর্শন একই মাঠে একদিকে নামাজ অন্যদিকে পূজা

একই মাঠে একদিকে নামাজ অন্যদিকে পূজা

চোখের সামনে দিয়ে যায় ট্রেন, ওঠার সুযোগ নেই ৮ উপজেলাবাসীর

চোখের সামনে দিয়ে যায় ট্রেন, ওঠার সুযোগ নেই ৮ উপজেলাবাসীর

বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি

বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি

যারা মুনাফেকি করবেন, তারেক রহমান তাদের ক্ষমা করবেন না: আইনমন্ত্রী

যারা মুনাফেকি করবেন, তারেক রহমান তাদের ক্ষমা করবেন না: আইনমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম