মাদক কারবারিকে ‘ক্রসফায়ারের’ ভয়, সিএমপির তদন্ত শুরু
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রামে এক মাদক কারবারিকে ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে ইয়াবা ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার সিএমপির ডিসি-পশ্চিম মো. আলমগীর হোসেনকে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুগান্তরে ‘মাদক কারবারিকে ক্রসফায়ারের চেষ্টা এসআই রবিউলের: ইয়াবা ও নগদ টাকা আদায় করে ছাড়’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এরপরই ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
গত ২৮ অক্টোবর নগরীর সিটিগেট এলাকা থেকে বাগেরহাটগামী ‘এসপি গ্রিনলাইন’ পরিবহণের একটি বাস থেকে সোহেল হাওলাদার নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেন আকবরশাহ থানার এসআই রবিউল হোসেন। পরবর্তীতে তাকে সিটিগেট সংলগ্ন গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে এক্স-রে করে তার দেহে মাদক বহনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও তাকে একে খান মোড়ের আল আমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়। যদিও সিটিগেট থেকে আল আমিনে যেতে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট লাগার কথা।
স্বঘোষিত ওই মাদক কারবারির অভিযোগ, গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রথমে তাকে টোল রোডে ডিসি পার্কের পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে যায় থানা পুলিশের টিমটি। এরপর তাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার কথা বলে এবং কাছে কী আছে বের করতে বলে। প্রাণে বাঁচতে তার কাছে থাকা ১ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৮১ হাজার টাকা পুলিশের হাতে তুলে দেন ওই মাদক কারবারি। পরে তাকে একে খান মোড়ের আল আমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে এক্স-রে শেষে স্বীকারোক্তি নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ওঠা এসআই রবিউল ঘটনার দিন থানার ‘সিয়েরা-৪৪ (দিবা)’ ডিউটিতে ছিলেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির ডিসি-পশ্চিম মো. আলমগীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে মাদকের উপস্থিতির বিষয়ে চিকিৎসকের মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
