ওসি প্রদীপসহ ১২ পুলিশের বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা
jugantor
ওসি প্রদীপসহ ১২ পুলিশের বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৭ আগস্ট ২০২০, ১৮:৩১:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। টেকনাফ থানার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মৃত আবদুল জলিলের স্ত্রী সানোয়ারা বেগম বাদী হয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই ঘটনা নিয়ে টেকনাফ থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা তা জানানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর আবদুল জলিলকে কক্সবাজার শহরের আদালতপাড়া থেকে আটক করে ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মানস বড়ুয়া। পরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউরের মাধ্যমে তাকে টেকনাফ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচাতে ওসি প্রদীপ গ্রেফতারকৃত আবদুল জলিলের স্ত্রী সানোয়ারা বেগমের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে সানোয়ারা বেগম স্বামীকে বাঁচাতে প্রদীপকে ৫ লাখ টাকা দেন বলে এজাহারে প্রকাশ করেন।

এক পর্যায়ে দীর্ঘ আট মাস পর চলতি বছরের ৭ জুলাই জলিল ক্রসফায়ারে নিহত হন। এ ঘটনায় স্বামীর বিচার চেয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মসিউরকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সানোয়ারা বেগম।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মানস বড়ুয়া, এসআই আরিফুর রহমান, সুজিত চন্দ্র দে, এসআই অরুণ কুমার চাকমা, এসআই নাজিম উদ্দিন, এসআই নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এএসআই রামচন্দ্র দাস, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও দফাদার আমিনুল হক।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম জানান, আদালত শুনানি শেষে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উক্ত ঘটনা নিয়ে টেকনাফ থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা- তা জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাবের দুই দফায় ১১ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

ওসি প্রদীপসহ ১২ পুলিশের বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৭ আগস্ট ২০২০, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। টেকনাফ থানার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মৃত আবদুল জলিলের স্ত্রী সানোয়ারা বেগম বাদী হয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই ঘটনা নিয়ে টেকনাফ থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা তা জানানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর আবদুল জলিলকে কক্সবাজার শহরের আদালতপাড়া থেকে আটক করে ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মানস বড়ুয়া। পরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মশিউরের মাধ্যমে তাকে টেকনাফ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচাতে ওসি প্রদীপ গ্রেফতারকৃত আবদুল জলিলের স্ত্রী সানোয়ারা বেগমের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে সানোয়ারা বেগম স্বামীকে বাঁচাতে প্রদীপকে ৫ লাখ টাকা দেন বলে এজাহারে প্রকাশ করেন।

এক পর্যায়ে দীর্ঘ আট মাস পর চলতি বছরের ৭ জুলাই জলিল ক্রসফায়ারে নিহত হন। এ ঘটনায় স্বামীর বিচার চেয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মসিউরকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সানোয়ারা বেগম।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মানস বড়ুয়া, এসআই আরিফুর রহমান, সুজিত চন্দ্র দে, এসআই অরুণ কুমার চাকমা, এসআই নাজিম উদ্দিন, এসআই নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এএসআই রামচন্দ্র দাস, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও দফাদার আমিনুল হক।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম জানান, আদালত শুনানি শেষে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উক্ত ঘটনা নিয়ে টেকনাফ থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা- তা জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাবের দুই দফায় ১১ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন