একসঙ্গে জন্ম নেয়া সেই তিন শিশুর একজনের মৃত্যু
jugantor
একসঙ্গে জন্ম নেয়া সেই তিন শিশুর একজনের মৃত্যু

  বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একসঙ্গে জন্ম নেয়া যমজ সেই তিন শিশুর একজন মারা গেছে। সোমবার বিকালে নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি অপর দুইজনের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

শিশুর বাবা হেলাল উদ্দিন জানান, একসঙ্গে জন্ম নেয়া তার তিন ছেলে শিশুর নাম রাখা হয় সাফি, রাফি ও কাফি। রোববার হঠাৎ মেজো রাফি অসুস্থ হলে তিন শিশুকেই নাটোর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তিনজনকেই ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে রাফি সোমবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে সন্ধ্যায় বাগাতিপাড়া উপজেলার নিজ গ্রাম কোয়ালীপাড়ায় লাশ দাফন করা হয়েছে।

ওই তিন শিশুর মধ্যে বড় সাফি জন্ডিস রোগে আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ায় তার চিকিৎসা চলছে। তবে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে ছোট কাফি সুস্থ রয়েছে। তবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে বলে শিশুর বাবা জানান।

তিন মেয়ের পর গত ৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে যমজ তিন পুত্রসন্তানের জন্ম হয় হেলাল-জলি দম্পতির ঘরে। স্থানীয় দয়ারামপুরের মজুমদার ক্লিনিকে সিজার ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে তিন পুত্রের জন্ম দেন জলি বেগম।

হেলাল-জলি দম্পতির বাড়ি বাগাতিপাড়া উপজেলার কোয়ালীপাড়া গ্রামে। হেলাল উদ্দিন স্থানীয় একটি কারিগরি কলেজের ল্যাব সহকারী পদে চাকরি করেন। ২০০১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এরপর তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে সেগুলো যমজ ছিল না। একটা ছেলেসন্তান না হওয়ায় মনের ভেতরে কষ্ট অনুভব করতেন। এরপর জলি গর্ভধারণ করেন। অবশেষে ৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে তিন যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

একসঙ্গে জন্ম নেয়া সেই তিন শিশুর একজনের মৃত্যু

 বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একসঙ্গে জন্ম নেয়া যমজ সেই তিন শিশুর একজন মারা গেছে। সোমবার বিকালে নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি অপর দুইজনের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

শিশুর বাবা হেলাল উদ্দিন জানান, একসঙ্গে জন্ম নেয়া তার তিন ছেলে শিশুর নাম রাখা হয় সাফি, রাফি ও কাফি। রোববার হঠাৎ মেজো রাফি অসুস্থ হলে তিন শিশুকেই নাটোর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তিনজনকেই ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে রাফি সোমবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে সন্ধ্যায় বাগাতিপাড়া উপজেলার নিজ গ্রাম কোয়ালীপাড়ায় লাশ দাফন করা হয়েছে।

ওই তিন শিশুর মধ্যে বড় সাফি জন্ডিস রোগে আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ায় তার চিকিৎসা চলছে। তবে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে ছোট কাফি সুস্থ রয়েছে। তবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে বলে শিশুর বাবা জানান।

তিন মেয়ের পর গত ৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে যমজ তিন পুত্রসন্তানের জন্ম হয় হেলাল-জলি দম্পতির ঘরে। স্থানীয় দয়ারামপুরের মজুমদার ক্লিনিকে সিজার ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে তিন পুত্রের জন্ম দেন জলি বেগম।

হেলাল-জলি দম্পতির বাড়ি বাগাতিপাড়া উপজেলার কোয়ালীপাড়া গ্রামে। হেলাল উদ্দিন স্থানীয় একটি কারিগরি কলেজের ল্যাব সহকারী পদে চাকরি করেন। ২০০১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এরপর তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে সেগুলো যমজ ছিল না। একটা ছেলেসন্তান না হওয়ায় মনের ভেতরে কষ্ট অনুভব করতেন। এরপর জলি গর্ভধারণ করেন। অবশেষে ৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে তিন যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন