|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আমদানির খবরে ফরিদপুর শহরের চকবাজার হাটে যে কাঁচামরিচ সকালে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৫২০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, সেই মরিচ মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে বিকালে অর্ধেকে নেমে বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি। দাম আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
শনিবার যে মরিচ খুচরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়, তা রোববার সকালেও ৫২০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। আর ভারত থেকে আমদানির খবরে বিকালেই নেমে যায় অর্ধেকে ও অর্ধেকের নিচে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রচণ্ড খরায় ফলন কম আসায় ও গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে কাঁচামরিচ সংকট দেখা দিয়েছে। এ সুযোগে হঠাৎ কাঁচামরিচের দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা।
জেলার সবচেয়ে বড় মরিচ বাজার হিসেবে পরিচিত মধুখালী উপজেলা সদরের আড়তদার ও ব্যবসায়ী মো. আলম বলেন, ভারত থেকে আমদানির খবরে একদিনের ব্যবধানে ৮০০ টাকার মরিচ ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে। কাল-পরশুর মধ্যে দাম আরও কমে যাবে। দুই-এক দিনের মধ্যেই মরিচের দাম আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে মধুখালী আড়ত মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ দাস বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেটের কারণে হঠাৎ করে বাজারে অস্বাভাবিক হারে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে যায়। ভারত থেকে আজ ৩০ থেকে ৪০ ট্রাক কাঁচামরিচ এসেছে। এ খবরে হঠাৎ করে দর পড়ে গেছে। সামনে দাম আরও কমে যাবে।
