Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

উচ্চ রক্তচাপ এড়াতে যেসব অভ্যাস বদলানো জরুরি

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম

উচ্চ রক্তচাপ এড়াতে যেসব অভ্যাস বদলানো জরুরি

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বিশ্বের অন্যতম সাধারণ কিন্তু অবহেলিত স্বাস্থ্যঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বিশ্বের অন্যতম সাধারণ কিন্তু অবহেলিত স্বাস্থ্যঝুঁকি। অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই এই সমস্যা ধীরে ধীরে শরীরে প্রভাব ফেলতে থাকে। দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক ও কিডনির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, বেড়ে যায় হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি।

মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, রক্তনালীর ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহের চাপ দীর্ঘদিন বেশি থাকলেই তাকে হাইপারটেনশন বলা হয়। রক্তচাপ ১৩০/৮০ মিলিমিটার পারদ বা তার বেশি হলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। আর চাপ যদি ১৮০/১২০-এর ওপরে উঠে যায়, তবে সেটি জরুরি চিকিৎসার ইঙ্গিত হতে পারে।

চিকিৎসকেরা এখন চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। 

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম প্রধান উপায়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, যোগব্যায়াম বা যে কোনো পছন্দের ব্যায়াম করা। 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকরা লবণ কম খাওয়ার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। এর বদলে ফল, সবজি, গোটা শস্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেন তারা। ভূমধ্যসাগরীয় (মেডিটেরেনিয়ান) ও ড্যাশ ডায়েটকে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর খাদ্যাভ্যাস হিসেবেও উল্লেখ করেন চিকিৎসকগণ।

মায়ো ক্লিনিকও জানায়, উদ্ভিদভিত্তিক ও সম্পূর্ণ খাবারনির্ভর খাদ্যাভ্যাস প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের প্রয়োজন কমাতে পারে।

ব্যায়াম ও খাদ্যের পাশাপাশি ভালো ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ওপরও গুরুত্ব দিতে বলেন চিকিৎসকরা। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম এবং মেডিটেশন, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস বা মাইন্ডফুলনেসের মতো পদ্ধতি মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও ঘুমের ঘাটতি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

এ ছাড়া নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করাও জরুরি। মায়ো ক্লিনিকের পরামর্শ অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়স থেকে অন্তত দুই বছর অন্তর রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত। ৪০ বছরের বেশি বয়সী বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের বছরে একবার পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। কারণ, উপসর্গ না থাকলেও বহু বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপ থেকে যেতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিনের জীবনে ছোট কিন্তু নিয়মিত পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

জেনে নিন সোহা আলির বিশেষ স্ন্যাকস রেসিপি, মিলবে পুষ্টি

জেনে নিন সোহা আলির বিশেষ স্ন্যাকস রেসিপি, মিলবে পুষ্টি

ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয়

ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয়

প্রবীণদের সুস্থতায় সঠিক পুষ্টি কেন জরুরি

প্রবীণদের সুস্থতায় সঠিক পুষ্টি কেন জরুরি

হৃদযন্ত্রের পরীক্ষা শুরু করবেন কোন বয়সে, জানুন সঠিক সময়

হৃদযন্ত্রের পরীক্ষা শুরু করবেন কোন বয়সে, জানুন সঠিক সময়

ব্রয়লার মুরগি কেনার সময় যে ৩ ভুল করলে বিপদ হতে পারে

ব্রয়লার মুরগি কেনার সময় যে ৩ ভুল করলে বিপদ হতে পারে

রক্তচাপ কতটা কমলে সতর্ক হবেন

রক্তচাপ কতটা কমলে সতর্ক হবেন

আরও পড়ুন

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কেবল ভাত বাদ দেওয়া কেন যথেষ্ট নয়?

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কেবল ভাত বাদ দেওয়া কেন যথেষ্ট নয়?

যেভাবে জানবেন আপনার লিভারের সমস্যা কোথায়

যেভাবে জানবেন আপনার লিভারের সমস্যা কোথায়

ডায়াবেটিস লিভারের কতটা ক্ষতি করে, প্রতিরোধের উপায় কী?

ডায়াবেটিস লিভারের কতটা ক্ষতি করে, প্রতিরোধের উপায় কী?

ঢামেকে বিশ্ব স্পাইন দিবসের সেমিনার দেশে প্রতি ৫ জনে ৪ জন মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছে

দেশে প্রতি ৫ জনে ৪ জন মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম