একাদশ শ্রেণিতেই পড়াশোনায় ইতি, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কারিনা
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৬ এএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পড়াশোনা শেষ করতে না পারার আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ থেকে একাদশ শ্রেণির পরই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে নিজের সেই সিদ্ধান্ত এখনো তাকে ভাবায়। একই সঙ্গে নিজের দুই ছেলে তৈমুর ও জেহকে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথাও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের শিক্ষাজীবন ও সন্তানদের নিয়ে এসব কথা বলেন কারিনা।
কারিনা বলেন, শিক্ষা এমন একটি বিষয়, যা শেষ করতে না পারার জন্য আমি সত্যিই আক্ষেপ করি। আমি কখনো আমার পড়াশোনা শেষ করিনি। বিষয়টি সবসময়ই আমার মনে থেকে গেছে। যদিও আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল, আমি চলচ্চিত্রে চলে আসি এবং একাদশ শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করিনি।
নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অনেকে এটি নিয়ে মজা করতে পারেন কিংবা যা খুশি বলতে পারেন। কিন্তু আমি একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম। সেটিই ছিল আমার ইচ্ছা—নিজের মনের কথা অনুসরণ করা।
তবে নিজের দুই ছেলে যেন তার মতো পড়াশোনা অসম্পূর্ণ না রাখে, সেটিও চান কারিনা। তিনি জানান, ছেলেরা যেন নিজেদের পছন্দ ও স্বপ্ন অনুসরণ করে, তবে একই সঙ্গে পড়াশোনাও সম্পূর্ণ করে—এটাই তার প্রত্যাশা।
দুই ছেলেকে বড় করতে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে জানান কারিনা।
তিনি বলেন, আমি ও কারিশমা দুই বোন ছিলাম। তাই দুই ছেলেকে বড় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। এটা অনেকটা নিজের শরীরের বাইরে থেকে কোনো কিছু দেখার মতো অনুভূতি। কারণ, আমি কখনো ভাই বা কোনো ছেলে সহোদরের সঙ্গে বড় হইনি। তাই তৈমুর ও জেহকে দেখতে আমার দারুণ লাগে। প্রতিদিনই তাদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখছি।
‘দায়রা’তে দেখা যাবে কারিনাকে
কারিনা কাপুর খানকে পরবর্তী সময়ে দেখা যাবে ‘দায়রা’ সিনেমায়। ছবিটি নির্মাণ করছেন মেঘনা গুলজার। ‘তালভার’ ও ‘রাজি’র মতো প্রশংসিত সিনেমার পর জঙ্গল পিকচার্সের সঙ্গে আবারও কাজ করছেন তিনি। এই সিনেমার মধ্য দিয়ে মেঘনা গুলজারের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধছেন কারিনা কাপুর ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারন।
ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন মেঘনা গুলজার, সীমা আগরওয়াল ও যশ কেশওয়ানি। চিত্রগ্রহণে রয়েছেন সৌরভ গোস্বামী এবং সম্পাদনা করেছেন চারু শ্রী রায়।
সূত্র: এনডিটিভি

