Logo
Logo
×

Advertisement

ইউরোপ

আল জাজিরার বিশ্লেষণ

ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন কীভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম

ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন কীভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো?

ফ্রান্সের প্যারিসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয় দেশটির লোকজন। ছবি: এএফপি

Advertisement

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা ও সরকারি সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ থেকে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবারের আন্দোলনে শিক্ষার্থী, শ্রমিক সংগঠন ও ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সমর্থকরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষও হয়েছে।

ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভে শনিবার প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও আন্দোলনকারীদের একটি ছোট অংশ বিভিন্ন ভবনে হামলা, দোকানপাটে লুটপাট ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়।

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু জানিয়েছেন, বিক্ষোভের ঘটনায় ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৫০ জন পুলিশ সদস্য।

এই সংঘাতের নেপথ্যে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক সংকট। সরকারি সেবার মান কমে যাওয়া, পরিবারের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে, এমন আশাও হারাচ্ছেন অনেকে।

স্কুল অবরোধের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন কীভাবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল এবং প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জন্য এর অর্থ কী, তা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে আলজাজিরা।


যেভাবে ছড়িয়ে পড়ল বিক্ষোভ

গত মাসে প্যারিসের উত্তরাঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষের বসবাস করা শহরতলির বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। শিক্ষকসংকট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত দুরবস্থার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্কুল অবরোধ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি বোর্দো, রেন, নান্ত, লিওঁ, লিল ও মার্সেইসহ বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং ২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সমর্থকরাও অংশ নেন।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক ইতিহাসের অধ্যাপক এমিল শাবাল আল জাজিরাকে বলেন, ‘ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক বিক্ষোভের যৌক্তিক পরিণতি হলো বর্তমান পরিস্থিতি।’

তার মতে, আর্থিক চাপ এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ থেকেই ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের জন্ম হয়েছিল। এই ব্যবস্থায় প্রায়ই ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মতো মধ্যপন্থি প্রার্থীরা নির্বাচিত হন।

শনিবারের বিক্ষোভে দীর্ঘ দিনের এসব ক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ। ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনেও উন্নত সরকারি সেবার দাবি জানানো হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে বৃহত্তর সামাজিক দাবিগুলো এক হয়ে যাওয়াকে ফরাসি সরকারের জন্য ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ বলে উল্লেখ করেন শাবাল।

শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর পরিবেশ ও শিক্ষার মান উন্নয়ন। দেশটির এসব বিদ্যালয়ে সাধারণত ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে।

শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অতিরিক্ত ক্লান্তিকর ক্লাসের সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগের সঙ্গে তরুণদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ দিতে রাষ্ট্র কতটা সক্ষম, সেই প্রশ্নও জড়িয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের কর্মচারীসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের কাছে এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেতন বৃদ্ধি এবং সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের দাবি।

সরকারের বাজেট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সরকারি খাতের ধর্মঘটের সঙ্গে একই সময়ে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। ফলে শিক্ষা, শ্রমিক অধিকার ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভ একসঙ্গে প্রকাশের সুযোগ পায়।

ফ্রান্সের ২০২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে ৫৪ বিলিয়ন ইউরোর ব্যয় সংকোচন ও করসংক্রান্ত পদক্ষেপের পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি কমানোর জন্য এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে দাবি করছে সরকার।

প্রস্তাবের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন নির্ধারণে ব্যবহৃত বেতন কাঠামো স্থগিত রাখার বিষয়টিও রয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দাবি, এটি কার্যকর হলে টানা চতুর্থ বছরের মতো তাদের বেতন কাঠামোতে স্থবিরতা তৈরি হবে।

সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডোনাতেলা দেলা পোর্তা বলেন, শিক্ষার্থীরা বৈষম্য, সরকারি বিনিয়োগ কমানো এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছেন। তাদের দাবি, সামরিকীকরণের পরিবর্তে সামাজিক কল্যাণ খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘তারা যুদ্ধ করতে চায় না; তারা ভিন্ন একটি ভবিষ্যৎ চায়।’

গাজা ইস্যুতে তরুণদের আন্দোলনের সঙ্গেও বর্তমান বিক্ষোভের যোগসূত্র রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 


সরকারের প্রতিক্রিয়া কী

বিক্ষোভ মোকাবিলায় ফরাসি সরকার তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং শাস্তি দেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্যের সময়ই লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক নগর ভবনের বড় একটি অংশ আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় সরকারি ভবন ও দোকানপাটেও হামলার ঘটনা ঘটে।

তবে সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিরা বৃহত্তর আন্দোলনকারীদের তুলনায় সংখ্যালঘু। বামপন্থি দল ফ্রান্স আনবোডের নেতা জ্যঁ-লুক মেলঁশোঁ সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, সরকার পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতপূর্ণ হতে দিয়েছে।

সরকার বিক্ষোভকে মূলত আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখছে, নাকি আন্দোলনের পেছনে থাকা মানুষের ক্ষোভ নিরসনে উদ্যোগ নিচ্ছে, তা নিয়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির সংকট কেবল বাজেটের নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিয়ে মতবিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর পেছনে রয়েছে আরও গভীর অসন্তোষ।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমিল শাবাল বলেন, ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর থেকে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ওই নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোটই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

তার মতে, এর ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনই মানুষের সামাজিক অসন্তোষকে কার্যকরভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছে না।

রাজনৈতিক বিভক্তির কারণে সরকারি ব্যয়, করনীতি ও জনসেবা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে নীতিগত কোনো অর্থবহ পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়েও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে।

শাবালের মতে, এই বিক্ষোভ ম্যাক্রোঁর জন্যও বড় ধাক্কা। তরুণ নেতৃত্ব, সংস্কার ও গতিশীল ফ্রান্স গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য স্পষ্ট করতে না পারা এবং মানুষের প্রতি তার সহানুভূতির অভাবের কারণে সেই ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্রান্সের বিক্ষোভে প্রায়ই দেখা যায়, এমন কিছু গোষ্ঠী সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, যারা ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের মতো সরাসরি পদক্ষেপের কৌশল অনুসরণ করে। এবার দোকানপাটের পাশাপাশি সরকারি ভবনও হামলার লক্ষ্য হয়েছে।

লিমোজের নগর ভবন ধ্বংসের ঘটনাকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। কারণ, ফ্রান্সের নাগরিক ইতিহাসে ভবনটির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে।

অন্যদিকে, কয়েকজন গবেষক বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। লিসবনের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের সামাজিক আন্দোলনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ গুইয়া আক্কোরনেরো বলেন, অতীতের সংঘর্ষ বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করেছে।

বর্তমান বিক্ষোভে পুলিশের ছোড়া স্টান গ্রেনেডে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাছ থেকে নিক্ষেপ করা কাঁদানে গ্যাসের ক্যানিস্টারের আঘাতে ১৪ বছর বয়সি আরেক কিশোরের চোয়াল ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

শিশুদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি। তাদের বক্তব্য, বিক্ষোভের বেশির ভাগই শান্তিপূর্ণ ছিল।

আক্কোরনেরো বলেন, ‘তরুণরা শান্তিপূর্ণ ও কম বিঘ্ন সৃষ্টিকারী পদ্ধতিতে আন্দোলন করলেও তাদের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে।’


রাজনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে কারা?

এই বিক্ষোভে শেষ পর্যন্ত কোন রাজনৈতিক পক্ষ লাভবান হবে, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে স্পষ্ট ঐকমত্য নেই। তবে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ইতিহাস ও রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক পল স্মিথ মনে করেন, কট্টর ডানপন্থি নেত্রী মারিন লো পেন সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারেন।

তিনি আলজাজিরাকে বলেন, ‘আমি কেবল একজনকেই লাভবান হতে দেখছি, আর তিনি হলেন লো পেন।’

তার ধারণা, এই অস্থিরতা মেলঁশোঁর প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

তবে কট্টর ডানপন্থিরা নিশ্চিতভাবেই লাভবান হবে, এমন ধারণা থেকে সতর্ক করেছেন শাবাল। তার মতে, ফ্রান্সের ইতিহাসে রাজনৈতিক অস্থিরতার ভয় প্রায়ই রক্ষণশীল ও মধ্যপন্থি দলগুলোর জন্য সুবিধা তৈরি করেছে। ১৯৬৮ সালের বিক্ষোভের পরও এমন পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল।

লো পেন অবশ্য বিক্ষোভকারীদের দাবিগুলো পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেননি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আন্দোলনকারীদের দাবিকে ‘বৈধ সামাজিক দাবি’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তার অভিযোগ, কট্টর বামপন্থিরা এই আন্দোলনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জনঅসন্তোষকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে কট্টর ডানপন্থিরা। তবে তারা বিক্ষোভের পেছনে থাকা অর্থনৈতিক কাঠামো, পুঁজিবাদ ও নব্য উদারনীতির সমালোচনার পরিবর্তে অভিবাসন ইস্যুতে মানুষের ক্ষোভকে পরিচালিত করতে পারে। অন্যদিকে, মেলঁশোঁ বিক্ষোভকারীদের দুর্দশার জন্য এসব অর্থনৈতিক কাঠামোকেই দায়ী করছেন।

২০২৭ সালের এপ্রিলে ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে প্রার্থীদের সামনে এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ। একদিকে তাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার সক্ষমতা দেখাতে হবে, অন্যদিকে আন্দোলনের পেছনে থাকা সমস্যাগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিতে হবে।

শাবালের মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন আনা, যেখানে কোনো দল বা আন্দোলনই মানুষের সামাজিক অসন্তোষকে কার্যকরভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছে না।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ফ্রান্সে লুটেরাদের কড়া বার্তা দিলেন ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে লুটেরাদের কড়া বার্তা দিলেন ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতায় গ্রেফতার ২৪০০, আহত ৯৯৭ পুলিশ-সেবাকর্মী

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতায় গ্রেফতার ২৪০০, আহত ৯৯৭ পুলিশ-সেবাকর্মী

ফ্রান্সের সহিংস বিক্ষোভের জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ফ্রান্সের সহিংস বিক্ষোভের জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ফ্রান্সজুড়ে সহিংসতা-লুটপাট, ‘বরদাশত’ না করার হুঁশিয়ারি ম্যাক্রোঁর

ফ্রান্সজুড়ে সহিংসতা-লুটপাট, ‘বরদাশত’ না করার হুঁশিয়ারি ম্যাক্রোঁর

‘চলুন, ফ্রান্সের বিপ্লবে যোগ দিই’— নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প

‘চলুন, ফ্রান্সের বিপ্লবে যোগ দিই’— নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প

উত্তাল ফ্রান্স, গ্রেফতার ১২০০

উত্তাল ফ্রান্স, গ্রেফতার ১২০০

আরও পড়ুন

আল জাজিরার বিশ্লেষণ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন কীভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো?

ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন কীভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো?

গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে প্রাণ গেল ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর

গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে প্রাণ গেল  ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর

ফ্রান্সে লুটেরাদের কড়া বার্তা দিলেন ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে লুটেরাদের কড়া বার্তা দিলেন ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতায় গ্রেফতার ২৪০০, আহত ৯৯৭ পুলিশ-সেবাকর্মী

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতায় গ্রেফতার ২৪০০, আহত ৯৯৭ পুলিশ-সেবাকর্মী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম