Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার ভয়ংকর ড্রোন ‘গেরান ৫’ এর বৈশিষ্ট কী, গতি কত

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

রাশিয়ার ভয়ংকর ড্রোন ‘গেরান ৫’ এর বৈশিষ্ট কী, গতি কত

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক নতুন প্রযুক্তি ও সামরিক অস্ত্রের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ড্রোন যুদ্ধের সমীকরণ বদলে দিচ্ছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতকে ফাঁকি দিতে রুশ বাহিনী তাদের অস্ত্রাগারে যুক্ত করেছে শক্তিশালী ও উচ্চগতির কামিকাজে ড্রোন ‘গেরান-৫’। 

আগের প্রোপেলারচালিত ড্রোনের তুলনায় এটিকে ক্রুজ মিসাইলের আদলে তৈরি করা হয়েছে, যা শনাক্ত করা সাধারণ এয়ার ডিফেন্সের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

রাশিয়ার এই ড্রোনটি মূলত পূর্ববর্তী শাহেদ বা ‘গেরান’ সিরিজের নতুন রূপান্তর হলেও এতে যুক্ত করা হয়েছে শক্তিশালী টার্বোজেট ইঞ্জিন। যেখানে আগের সংস্করণগুলোর সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে, সেখানে ‘গেরান-৫’ ড্রোনের গতি ঘণ্টায় ৪৫০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। 

এর সর্বোচ্চ উড্ডয়ন দূরত্ব প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার এবং এটি প্রায় ৮৫০ কেজি টেক-অফ ওজন নিয়ে মাটির ২০০ মিটার থেকে শুরু করে প্রায় ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার উচ্চতায় উড্ডয়ন চালাতে সক্ষম। এছাড়া এটি প্রায় ৯০ কেজির ভারী বিস্ফোরক বহন করতে পারে, যা দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে মারাত্মক আঘাত হানা সম্ভব। 

ড্রোনটিতে ১২-চ্যানেলের কমেটা স্যাটেলাইট নেভিগেশন ও এআই চালিত প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায় এটি শত্রুপক্ষের সিগন্যাল জামিং বা ইলেকট্রনিক আক্রমণও সহজে রুখে দিতে পারে। 

সমর বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সুখোই-২৫ যুদ্ধবিমান থেকেও এই ড্রোন আকাশে উৎক্ষেপণ করার সুবিধা রয়েছে। প্রথাগত ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক কম খরচে তৈরি এই ড্রোন ক্রুজ মিসাইলের মতো কার্যকারিতা দেওয়ায় তা প্রতিপক্ষের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। 

ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা, আন্তর্জাতিক সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল মিলিটারি নেটওয়ার্ক’ এবং গ্লোবাল ডিফেন্স সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, অতি সম্প্রতি ১৯ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের নতুন তৈরি ইন্টারসেপ্টর ড্রোনের সাহায্যে একাধিক ‘গেরান-৫’ ভূপাতিত করার দাবি করলেও, উচ্চগতির এই ড্রোন বর্তমানে আকাশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠেছে।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম