হরমুজে দুই তেলবাহী জাহাজে আগুন
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
হরমুজ প্রণালিতে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হরমুজ প্রণালিতে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যাওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজ দুটির প্রতিটিতে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল। আইআরজিসির দাবি, প্রথম জাহাজটিতে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। দ্বিতীয় জাহাজটিও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে।
তবে জাহাজ দুটির নাম এবং সেগুলোতে থাকা তেলের উৎস তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নৌমাইনে আঘাত লাগার কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা-ও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
আইআরএনএর দাবি, জাহাজ দুটি নিজেদের অবস্থান শনাক্তকরণ ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছিল। এ ছাড়া ইরানের অনুমোদনহীন একটি পথ ব্যবহার করে প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করেছিল তারা।
আইআরজিসির আরও দাবি, একটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। অন্য জাহাজটি চলাচলের অক্ষম হয়ে পড়ে। তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করে তেহরান। এ পথ দিয়ে চলাচলের আগে জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।
এর আগে চলতি সপ্তাহে আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী আজমায়ি সতর্ক করে বলেন, যেসব জাহাজ তাদের নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখবে, সেগুলোকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
অন্যদিকে, ইরানের তেল রপ্তানি লক্ষ্য করে নৌপথে পালটা অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি


-6ad446614dba1.jpg)