এআইয়ের নির্দেশনায় মদ তৈরি, খেয়ে ঝরল ১৩ প্রাণ
Advertisement
কলকাতা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
মদ বানানো ওই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি খুঁজে বের করেছিল এক যুবক। বেআইনিভাবে মদের কারবার শুরু করেছিল, সেই মদ খেয়েই প্রাণ যায় ১৩ জনের।
এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। ওই যুবকের বাড়ি রাজ্যটির দেওয়াস জেলায়। মদপানে ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের তৈরি মদের সঙ্গে ১৩ জনের মৃত্যুর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত অজয় রাঠোর ইন্দোরের বাসিন্দা। গত সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত একাধিকবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য খোঁজেন। সেখান থেকে পাওয়া অসম্পূর্ণ তথ্য কাজে লাগিয়ে পরে ইন্টারনেটে রাসায়নিক সরবরাহকারীদের সন্ধান শুরু করেন।
তদন্তকারীদের বক্তব্য, এরপর ইন্দোরের রাইজিং ব্রাদার্স নামে একটি দ্রাবক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন অজয়। সেখান থেকে একটি রাসায়নিক সংগ্রহ করেন তিনি।
পুলিশের অভিযোগ, ওই রাসায়নিক ব্যবহার করেই বেআইনিভাবে মদ তৈরির কাজ শুরু করেন অজয় ও তার সহযোগীরা। পুলিশের দাবি, ১ অক্টোবর রাসায়নিক হাতে পাওয়ার পর পুরনো ও ফেলে দেওয়া মদের বোতলে তৈরি করা তরল ভরে বিক্রি করা শুরু হয়। এমনকি আসল মদের সঙ্গেও নকল মদ মিশিয়ে গ্রামাঞ্চলে সরবরাহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।
এতে ক্রেতাদের পক্ষে আসল ও নকল মদের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। রাসায়নিক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আমন কাসলিওয়াল নামে ইন্দোরের আরেক বাসিন্দাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। যে গুদাম থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ।
সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মদের নমুনাও পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

