রাশিয়ার সীমান্তে ১৫০ বাংকার বানাচ্ছে ইউরোপের এক দেশ, নেপথ্যে কী?
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপ জুড়ে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, তার আঁচ এখন গড়াচ্ছে রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতেও। সম্ভাব্য রুশ হামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে এবার বেশ বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়া। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় তারা বানাতে যাচ্ছে প্রায় ১৫০টি সামরিক বাংকার। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্টিন হেরেম এই সামরিক সতর্কতার খবর নিশ্চিত করেছেন।
হঠাৎ কেন এই বাংকার নির্মাণের সিদ্ধান্ত? উত্তরটা লুকিয়ে রয়েছে ন্যাটোর সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায়। ন্যাটোর কর্মকর্তারা বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্ক করছেন যে, রাশিয়া তাদের প্রতিবেশি দেশগুলোতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি, আকাশসীমা লঙ্ঘন এবং নানা ধরনের গোপন নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে এস্তোনিয়ার মতো ছোট দেশের মানুষ সারাক্ষণ এক অদৃশ্য আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। যেকোনো সময় রুশ আক্রমণ হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই আগাম সুরক্ষার প্রাচীর তুলছে দেশটি।
এই প্রতিরক্ষামূলক বাংকারগুলোর বড় অংশই নির্মাণ করা হবে সরকারি জমিতে, আর বাকিগুলো হবে স্থানীয় মানুষের ব্যক্তি মালিকানাধীন কিংবা পৌরসভার জায়গায়। শুধু বাংকার বানানোই নয়, চলতি মাসেই এস্তোনিয়া তাদের সেনাবাহিনীকেও একদম প্রস্তুত করে ফেলেছে। সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে একটি অত্যাধুনিক সামরিক ঘাঁটিতে একটি পুরো বাহিনীকে স্থায়ীভাবে মোতায়েন করা হচ্ছে, যাতে রাশিয়া কোনো হামলা চালালে মুহূর্তের মধ্যেই তার পাল্টা জবাব দেওয়া যায়।
ন্যাটো আগেই ইউরোপের এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠিয়ে সীমান্ত পাহারা কড়া করেছে। আর এস্তোনিয়ার এই বাংকার বানানোর সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, রাশিয়ার হুমকিকে তারা কতখানি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই নীরব এলাকা এখন হয়ে উঠেছে সম্পর্কের এক নতুন উত্তেজনার নাম।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

-6ae47d1c37064.jpg)