Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার

নাথালিয়া গাদেলহা ফিলগুয়েরাস। ফাইল ছবি

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত লিয়ারজেটের সহকারী পাইলট হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২০ বছর বয়সি নাথালিয়া গাদেলহা ফিলগুয়েরাস। মাত্র ১৭ বছর বয়সে, স্কুলে পড়ার সময়ই পাইলটের লাইসেন্স পেয়েছিলেন তিনি। বাণিজ্যিক পাইলট হিসেবে কাজ করছিলেন মাত্র নয় মাস ধরে।

রোববার (১ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকালে টেক্সাসের অস্টিন থেকে বাহামাসের উদ্দেশে যাত্রা করা লিয়ারজেট-৬০ উড়োজাহাজটি ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে বিধ্বস্ত হয়। আকাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উড়োজাহাজটি প্রতি মিনিটে ২০ হাজার ফুটের বেশি গতিতে নিচে নামতে থাকে। পরে মাটিতে আছড়ে পড়ে আগুন ধরে যায়। এ দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজে থাকা নয়জনের সবাই নিহত হন।

নাথালিয়ার মা ক্যামিলা ও সৎবাবা থিয়াগো কোরতেলেতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী জানুয়ারিতে ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল নাথালিয়ার। তার প্রায় ১ হাজার ৩০০ ঘণ্টা উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা ছিল।

থিয়াগো কোরতেলেতি জানান, দুর্ঘটনার মাত্র ১০ মিনিট আগে প্রেমিক জাস্টিনকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন নাথালিয়া। সেখানে তিনি উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি ও বরফ জমার সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন।

মেয়ের মৃত্যুতে শোকাহত মা ক্যামিলা বলেন, আমি চেয়েছিলাম, সে তার স্বপ্ন পূরণ করুক। কিন্তু জানতাম, একদিন সেই স্বপ্নই তাকে আমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবে। আমি সব সময় জানতাম, কোনো একদিন বিমানই তাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেবে। 

পাম বিচ কাউন্টিতে বেড়ে ওঠা নাথালিয়া ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তার বাবা ২০১৮ সালে শখের বশে বিমান চালানো শেখেন। বাবার ছোট বিমানে চড়েই উড়োজাহাজ চালানোর প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তার।

২০২০ সালে পাইলট প্রশিক্ষণ শুরু করেন নাথালিয়া। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্যক্তিগত পাইলটের লাইসেন্স পান। তখনো তার গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিবিএস১২-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, মানুষ যখন বলে আমি গাড়ি চালাতে পারি না, তখন আমি বলি, কিন্তু আমি তো বিমান চালাতে পারি।

ওয়েস্ট বোকা র্যাটন হাইস্কুলের শিক্ষার্থী নাথালিয়া পরে ফ্লোরিডার একটি ফ্লাইট স্কুলে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর বাণিজ্যিক পাইলট হিসেবে চাকরি পান। তার স্বপ্ন ছিল একদিন আমেরিকান এয়ারলাইন্সের পাইলট হওয়া।

মা ক্যামিলা বলেন, নাথালিয়ার দক্ষতা ও কাজের প্রতি ভালোবাসা দেখে সবাই মুগ্ধ হতেন। তিনি জানতেন, মেয়ের পছন্দের পেশাই ছিল বিমান চালানো। তবে এত দ্রুত তাকে হারাতে হবে, তা কখনো চাননি।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

চার মহাদেশ পাড়ি দিয়ে ২৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন তিনি

চার মহাদেশ পাড়ি দিয়ে ২৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন তিনি

যুক্তরাজ্যে ভিসানীতি পরিবর্তন, ৫ বছরেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

যুক্তরাজ্যে ভিসানীতি পরিবর্তন, ৫ বছরেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

মেক্সিকোয় উড্ডয়নের এক মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত বিমান, নিহত ২

মেক্সিকোয় উড্ডয়নের এক মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত বিমান, নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তের আগে যে বার্তা দিয়েছিলেন পাইলট

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তের আগে যে বার্তা দিয়েছিলেন পাইলট

ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, শেষ মুহূর্তে যে বার্তা দেন পাইলট

ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, শেষ মুহূর্তে যে বার্তা দেন পাইলট

ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯

ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯

আরও পড়ুন

শতবর্ষী মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতে

শতবর্ষী মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতে

সোনম ওয়াংচুকের স্কুলে ক্লাশ বন্ধের নোটিশ

সোনম ওয়াংচুকের স্কুলে ক্লাশ বন্ধের নোটিশ

ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নামতে পারে

ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নামতে পারে

স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার

স্কুলে থাকতেই পাইলট, বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাথালিয়ার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম