চা-সিঙাড়া বেচে কোটিপতি!
jugantor
চা-সিঙাড়া বেচে কোটিপতি!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ জুলাই ২০২১, ১০:১৬:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কেউ চা-সিঙাড়া বিক্রি করেন, কেউ আবার চপ। এমনিতে মনে হবে অভাব-অনটনে চলছে তাদের সংসার। এই ধরনের খুচরো পেশায় জড়িত ২৫০ জনের ব্যাংকে কোটি কোটি রুপি জমা আছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরে আয়কর দফতরের একটি তদন্তে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ধরে খুচরো বিক্রির সঙ্গে জড়িত ওই সব কোটিপতিরা। তাদের কোনো ব্যবসায়িক নিবন্ধন নেই। তাই তাদের আয়কর দিতে হয় না। বছর এক টাকাও কর দেন না এসব খুচরা ব্যবসায়ী। ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কোনো সার্টিফিকেটও নেই তাদের।

এভাবে কর ফাঁকি দিয়েই নামে-বেনামে এসব খুচরা ব্যবসায়ী কোটি কোটি রুপির সম্পদ কিনেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

সাধারণত শীর্ষ ধনীদের কর ফাঁকি দেওয়ার খবর শিরোনামে আসে। তবে এভাবে খুচরা ব্যবসায়ীদের কর ফাঁকি দিয়ে কোটিপতি হওয়ার নজির নেই বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

চা-সিঙাড়া বেচে কোটিপতি!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ জুলাই ২০২১, ১০:১৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কেউ চা-সিঙাড়া বিক্রি করেন, কেউ আবার চপ। এমনিতে মনে হবে অভাব-অনটনে চলছে তাদের সংসার। এই ধরনের খুচরো পেশায় জড়িত ২৫০ জনের ব্যাংকে কোটি কোটি রুপি জমা আছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরে আয়কর দফতরের একটি তদন্তে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ধরে খুচরো বিক্রির সঙ্গে জড়িত ওই সব কোটিপতিরা। তাদের কোনো ব্যবসায়িক নিবন্ধন নেই। তাই তাদের আয়কর দিতে হয় না। বছর এক টাকাও কর দেন না এসব খুচরা ব্যবসায়ী। ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কোনো সার্টিফিকেটও নেই তাদের।

এভাবে কর ফাঁকি দিয়েই নামে-বেনামে এসব খুচরা ব্যবসায়ী কোটি কোটি রুপির সম্পদ কিনেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

সাধারণত শীর্ষ ধনীদের কর ফাঁকি দেওয়ার খবর শিরোনামে আসে। তবে এভাবে খুচরা ব্যবসায়ীদের কর ফাঁকি দিয়ে কোটিপতি হওয়ার নজির নেই বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন