Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

মুসলিমদের বিজয় ও কল্যাণে যে দোয়া পড়বেন

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

মুসলিমদের বিজয় ও কল্যাণে যে দোয়া পড়বেন

মুসলিমদের বিজয়ে দোয়া। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মুসলমানরা যখনই কোনো বিপদের সম্মুখীন হতেন কিংবা নবীজি (সা.) যখনই যুদ্ধের ময়দানে বা শত্রুর মুখোমুখি হতেন তখন আল্লাহর কাছে বিজয় ও প্রশান্তির দোয়া করতেন। হাদিসের অনুসরণে পৃথিবীর সব প্রান্তের মুসলমানরা বিজয়, শান্তি ও কল্যাণের জন্য নবীজি (সা.), সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈদের থেকে বর্ণিত এই দোয়াগুলো পড়া যেতে পারে। দোয়াগুলো হলো—

১. শত্রুর পরাজয় ও মুসলমানদের বিজয়ের জন্য দোয়া

রাসুলুল্লাহ (সা.) যুদ্ধের ময়দানে বা শত্রুর সম্মুখীন হলে এই দোয়াটি পড়তেন—

اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، وَمُجْرِيَ السَّحَابِ، وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা মুনযিলাল কিতাবি, ওয়া মুজরিয়াস সাহাবি, ওয়া হাযিমাল আহযাবি, ইহযিমহুম ওয়ানসুরনা আলাইহিম।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! কুরআন অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শত্রু বাহিনীকে পরাজিতকারী! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।’ (সুনানে আবু দাউদ)

২. মুসলমানদের বিজয়ে হজরত ওমরের (রা.) দোয়া

হজরত ওমর (রা.) নামাজের কুনুতে মুসলমানদে বিজয়, ঐক্য ও সার্বিক কল্যাণের জন্য এই দোয়াটি পড়তেন—

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ، وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ، وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ، وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মাগফির লানা ওয়া লিল মুমিনিনা ওয়াল মুমিনাতি, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি, ওয়া আল্লিফ বাইনা কুলুবিহিম, ওয়া আসলিহ যাতা বাইনিহিম, ওয়ানসুরহুম আলা আদুউওয়িকা ওয়া আদুউউয়িহিম।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের এবং সকল মুমিন নর-নারী ও মুসলিম নর-নারীকে ক্ষমা করে দিন। তাদের অন্তরসমূহের মধ্যে মিল ও মহব্বত সৃষ্টি করে দিন। তাদের মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে দিন এবং আপনার শত্রু ও মুসলমানদের শত্রুদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের সাহায্য করুন। (বায়হাকি)


৩. মুসলমানদের বিজয় ও মর্যাদার জন্য দোয়া

মুসলমানদের বিজয় ও মর্যাদা প্রার্থনা করে বিখ্যাত তাবেঈ সুফিয়ান সওরি (রহ.) এ দোয়াটি পড়তেন—

اللَّهُمَّ أَبْرِمْ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ أَمْرًا رَشَدًا، تُعِزُّ فِيهِ وَلِيَّكَ، وَتُذِلُّ فِيهِ عَدُوَّكَ، وَيُعْمَلُ فِيهِ بِطَاعَتِكَ، وَيُؤْمَرُ فِيهِ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى فِيهِ عَنِ الْمُنْكَرِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আবরিম লিহাযিহিল উম্মাতি আমরান রাশাদা, তুইযযু ফীহি ওয়ালিয়্যাকা, ওয়া তুযিল্লু ফীহি আদুউওয়াকা, ওয়া ইয়ু’মালু ফীহি বিত্বাআতিকা, ওয়া ইয়ুমারু ফীহি বিল মা’রূফি ওয়া ইউনহা ফীহি আনিল মুনকার।

অর্থ: হে আল্লাহ! এই উম্মতের জন্য এমন সঠিক ও কল্যাণকর ফয়সালা করে দিন, যার মাধ্যমে আপনার প্রিয়জনরা সম্মানিত হবে এবং আপনার শত্রুরা লাঞ্ছিত হবে, আপনার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করা হবে এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা হবে। (হিলয়াতুল আউলিয়া)

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

আরও পড়ুন

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম