Logo
Logo
×

ইসলাম ও জীবন

যে ৪ ধরনের সম্পদের জাকাত দিতে হবে

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

যে ৪ ধরনের সম্পদের জাকাত দিতে হবে

যেসব জিনিসের জাকাত দিতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো জাকাত, যা মুসলিম সমাজে সম্পদের ভারসাম্য ও দরিদ্র মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে। চার প্রকারের সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ হয়। যার বিবরণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

প্রথম প্রকার: ভূমি থেকে উৎপাদিত শস্য ও ফল-ফলাদী

ভূমি থেকে  উৎপাদিত শস্য-ফসল ও ফল-ফলাদীর ওপর জাকাত ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন—

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَنفِقُواْ مِن طَيِّبَٰتِ مَا كَسَبۡتُمۡ وَمِمَّآ أَخۡرَجۡنَا لَكُم مِّنَ ٱلۡأَرۡضِۖ 

‘হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের বৈধ উপার্জন এবং আমরা তোমাদের জন্য ভুমি থেকে যে শস্য উৎপন্ন করি তা থেকে আল্লাহর নির্দেশিত পথে ব্যয় কর।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ২৬৭)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

وَءَاتُواْ حَقَّهُۥ يَوۡمَ حَصَادِهِۦۖ 

‘আর তোমরা ফসল কাটার সময় তার হক (জাকাত) আদায় কর।’ (সুরা আল-আনআম: আয়াত ১৪১)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالعُيُونُ أَوْ كَانَ عَثَرِيًّا العُشْرُ، وَمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ العُشْرِ

‘আসমান ও ঝর্ণার পানিতে কিংবা স্বেচ্ছা উৎপাদিত ফসলের মধ্যে এক দশমাংশ আর যা সেচের মাধ্যমে আবাদ হয় তার মধ্যে বিশভাগের এক ভাগ জাকাত প্রদেয়।’ (বুখারি ১৪৮৩)

ফসলের জাকাত  ফরজ হওয়ার পরিমাণ

ফসলের ওপর জাকাত ফরজ হওয়ার নির্ধারিত পরিমাণ হলো পাঁচ ওসক। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

لَيْسَ فِي حَبٍّ وَلَا ثَمَرٍ صَدَقَةٌ، حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسقٍ

‘শস্য বা ফলমুলের ওপর জাকাত ফরজ হবে না। যতক্ষণ তা পাঁচ ওসক পরিমাণ না হয়।’ (মুসলিম ৯৭৯)

ওসকের পরিমাণ

আর ওসকের পরিমাণ হলো; রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ব্যবহৃত সা‘ এর ৬০ সা‘ সমপরিমাণ। তাহলে নিসাব হলো, তিনশ সা‘, আর এক সা‘র পরিমাণ হলো ২০৪০ গ্রাম (দুই কেজি চল্লিশ গ্রাম)। সুতরাং ফসলের নিসাবের পরিমাণ দাঁড়ালো ৬১২ কেজি। তাই ৬১২ কেজি এর কম ফসলের ওপর জাকাত ফরজ নয়।

কারও  যদি ৬১২ কেজি ফসল হয় আর তা যদি বিনাশ্রমে প্রাপ্ত ফসল হয় তবে এর জাকাতের পরিমাণ হলো এক দশমাংশ বা ১০ ভাগের এক ভাগ। আর শ্রম ব্যয়ে প্রাপ্ত ফসল হয় তবে এর জাকাত হলো এক বিশমাংশ বা বিশ ভাগে এক ভাগ।

আর ফলমূল, শাক-সবজি, তরমুজ ও জাতীয় ফসলের ওপর জাকাত ফরজ নয়। কেননা হজরত ওমর (রা.) বলেছেন, ‘শাক-সবজিতে জাকাত নেই।’ হজরত আলী (রা.) বলেছেন, ‘আপেল বা এ জাতীয় ফলের ওপর জাকাত ফরজ নয়।

তাছাড়া যেহেতু এগুলো (নিত্যপ্রয়োজনীয়) খাবার জাতীয় শস্য বা ফল নয়, তাই এর ওপর জাকাত নেই। তবে যদি এসব টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয় তাহলে মূল্যের ওপর নিসাব পূর্ণ হয়ে এক বছর অতিক্রান্ত হবার পর জাকাত ফরজ হবে।


দ্বিতীয় প্রকার: যে সকল প্রাণীর ওপর যাকাত ফরয হয়

উট, গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ। যদি এ সকল প্রাণী ‘সায়েমা’ হয় তথা মাঠে চরে চষে খায় এবং এগুলোকে বংশ বৃদ্ধির জন্য পালন করা হয় এবং তা নিসাব পরিমাণ হয়, তাহলে এদের যাকাত দিতে হবে। উটের নিসাব ন্যূনতম ৫টি, গরুর ৩০টি, আর ছাগলের ৪০টি।

‘সায়েমা’ ওই সকল প্রাণীকে বলে, যেগুলো সারা বছর বা বছরের অধিকাংশ সময় চারণভূমিতে ঘাস খেয়ে বেড়ায়। যদি এসব প্রাণী সায়েমা না হয়, তবে এর ওপর জাকাত ফরজ নয়। কিন্তু যদি এগুলো দ্বারা টাকা-পয়সা কামাই করার উদ্দেশ্য থাকে; যেমন বেচা-কেনা, স্থানান্তর ইত্যাদির মাধ্যমে টাকা-পয়সা আয় করা, তাহলে তা ব্যবসায়িক পণ্য হিসেবে বিবেচিত হবে; আর তখন সেগুলো সায়েমা কিংবা মালুফাহ (যাকে ঘাস কেটে খাওয়ানো হয়) যা-ই হোক না কেন তাতে ব্যবসায়িক পণ্যের জাকাত আসবে; যদি তা স্বয়ং নিসাব পরিমাণ হয় অথবা এসবের মূল্য অন্য ব্যবসায়িক সম্পদের সঙ্গে যুক্ত করলে নিসাব পরিমাণ হয়।


তৃতীয় প্রকার: স্বর্ণ-রূপার ওপর (নিসাব পরিমাণ হলে) সর্বাবস্থায় জাকাত ফরজ

কারও  কাছে নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ বা রূপা থাকলে তার জাকাত দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

 وَٱلَّذِينَ يَكۡنِزُونَ ٱلذَّهَبَ وَٱلۡفِضَّةَ وَلَا يُنفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَبَشِّرۡهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٖ ٣٤ يَوۡمَ يُحۡمَىٰ عَلَيۡهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكۡوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمۡ وَجُنُوبُهُمۡ وَظُهُورُهُمۡۖ هَٰذَا مَا كَنَزۡتُمۡ لِأَنفُسِكُمۡ فَذُوقُواْ مَا كُنتُمۡ تَكۡنِزُونَ 

‘আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে অথচ তা আল্লাহর নির্দেশিত পথে ব্যয় করে না (জাকাত দেয় না)। আপনি তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সংবাদ প্রদান করুন। কিয়ামত দিবসে ওই স্বর্ণ রূপাকে জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে তা দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ ও পৃষ্ঠে ছেকা দেওয়া হবে এবং বলা হবে এ হলো তোমাদের সে সকল ধন-সম্পদ যা তোমরা নিজেদের জন্য সঞ্চয় করে রাখতে। সুতরাং আজ জমা করে রাখার স্বাদ গ্রহণ কর।’ (সুরা আত-তাওবা: আয়াত ৩৪-৩৫)

আয়াতে ‘জমা করে রাখা’ বলতে আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় না করা বুঝানো হয়েছে। আর আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করার সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে, জাকাতে ব্যয় করা বা জাকাত দেওয়া।

তাছাড়া সহিহ মুসলিমে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—

مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلَا فِضَّةٍ، لَا يُؤَدِّي مِنْهَا حَقَّهَا، إِلَّا إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ، صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحُ مِنْ نَارٍ، فَأُحْمِيَ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ، فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِينُهُ وَظَهْرُهُ، كُلَّمَا بَرَدَتْ أُعِيدَتْ لَهُ، فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ، حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ الْعِبَادِ 

‘যে সকল স্বর্ণ-রূপার মালিকগণ তাদের সম্পদ থেকে নির্ধারিত হক (জাকাত) আদায় না করে, কিয়ামত দিবসে তার জন্য কতগুলো আগুনের পাত প্রস্তুত করে তা জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে তা দ্বারা ওই লোকদের ললাট ও পিঠে চেপে ধরা হবে। তাপ কমে গেলে উত্তপ্ত করে পুনরায় চেপে ধরা হবে। পঞ্চাশ বছর দীর্ঘ সময় বান্দাদের হিসাব-নিকাশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে শাস্তি চলতেই থাকবে।’ (মুসলিম ৯৮৭)

স্বর্ণ-রূপার যাবতীয় প্রকারে জাকাত ফরজ হবে। চাই তা হোক টাকা পয়সা, চাকা বা টুকরা, পরিধেয় অলংকার বা ধার দেওয়ার মত অলংকার অথবা অন্য প্রকার স্বর্ণ-রূপা এসব কিছুর ওপর জাকাত ফরজ।

হজরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—

أَنَّ امْرَأَةً أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- وَمَعَهَا ابْنَةٌ لَهَا وَفِى يَدِ ابْنَتِهَا مَسَكَتَانِ غَلِيظَتَانِ مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ لَهَا « أَتُعْطِينَ زَكَاةَ هَذَا ». قَالَتْ لاَ. قَالَ «أَيَسُرُّكِ أَنْ يُسَوِّرَكِ اللَّهُ بِهِمَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ سِوَارَيْنِ مِنْ نَارٍ ». قَالَ فَخَلَعَتْهُمَا فَأَلْقَتْهُمَا إِلَى النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- وَقَالَتْ هُمَا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلِرَسُولِهِ

‘একদিন একজন নারী তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সম্মুখে এলেন। ওই মেয়ের হাতে স্বর্ণের দুটি ভারি ও মোটা বালা ছিলো। তা দেখে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তুমি কি এসবের জাকাত দাও? মেয়েটি বলল, না। তিনি বললেন, তুমি কি এটা পছন্দ কর যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ এসবের দ্বারা দুটি আগুনের চুড়ি বানিয়ে তোমার হাতে পরিয়ে দেবেন? মেয়েটি এ কথা শুনে বালা দুটি খুলে রাসুলুল্লাহকে (সা.) দিয়ে বলল, এসব আল্লাহর রাস্তায় দান করলাম।’ (আহমাদ ২/১৭৮, আবু দাউদ ১৫৬৩, নাসাঈ ৫/৩৭, তিরমিজি ৬৩৭)

অন্য এক হাদিসে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন—

دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فَرَأَى فِى يَدِى فَتَخَاتٍ مِنْ وَرِقٍ فَقَالَ « مَا هَذَا يَا عَائِشَةُ ». فَقُلْتُ صَنَعْتُهُنَّ أَتَزَيَّنُ لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ «أَتُؤَدِّينَ زَكَاتَهُنَّ ». قُلْتُ لاَ أَوْ مَا شَاءَ اللَّهُ. قَالَ «هُوَ حَسْبُكِ مِنَ النَّارِ

‘একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) আমার কাছে এলেন, তখন আমার হাতে কয়েকটি বড় বড় রূপার আংটি ছিল। তিনি বললেন, এসব কী? আমি বললাম, আপনার সামনে সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য এগুলো তৈরি করেছি। তিনি বললেন, তুমি কি এসবের যাকাত প্রদান করো? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তোমার জাহান্নামে যাওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।’ (আবু দাউদ ১৫৬৫; বাইহাকি ৪/১৩৯, হাকেম ১/৩৮৯-৩৯০)

স্বর্ণের নিসাব পূর্ণ না হলে তার ওপর জাকাত ফরজ হবে না। আর সে নিসাব হলো, ২০ দিনার। কারণ, রাসুলুল্লাহ (সা.) সোনার ব্যাপারে বলেছেন—

وَلَيْسَ عَلَيْكَ شَىْءٌ حَتَّى يَكُونَ لَكَ عِشْرُونَ دِينَارًا

‘(স্বর্ণের জাকাত হিসেবে) তোমার ওপর কিছুই ওয়াজিব হবে না যাবৎ তোমার কাছে বিশ দিনার পরিমাণ স্বর্ণ না হবে।’ (আবু দাউদ ১৫৭৩)

দিনারের হিসাব

দিনার বলতে ইসলামি দিনার উদ্দেশ্য যার ওজন এক মিছকাল। মিছকাল সমান সোয়া চার গ্রাম। সে হিসাবে সোনার নিসাব হলো ৮৫ গ্রাম। যা সাউদী মাপে এগার জুনাইহ ও এক জুনাইহ এর তিন সপ্তমাংশ। (আমাদের দেশীয় মাপে ৭.৫ ভরি হয়।)

রূপার নিসাব পূর্ণ না হলে তাতে জাকাত ফরয নয়। আর তার নেসাব হলো— পাঁচ ওকিয়্যা। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ

‘পাঁচ ওকিয়্যার কম রূপার ওপর জাকাত নেই।’ (বুখারি ১৪৫৯, মুসলিম ৯৭৯)

এক ওকিয়্যা সমান ৪০ ইসলামি দিরহাম। সে মতে রূপার হিসাব হলো— ২০০ দিরহাম। যার বর্তমান প্রচলিত ওজন হলো— ৫৯৫ গ্রাম। (যা এ দেশীয় মাপে ৫২.৫ ভরি)

স্বর্ণ ও রূপার জাকাতের পরিমাণ

স্বর্ণ ও রূপার জাকাতের পরিমাণ হচ্ছে, ২.৫% বা চার দশমাংশ বা ৪০ ভাগের এক ভাগ।


চতুর্থ প্রকার: ব্যবসায়ী পণ্য

ব্যবসায়ী পণ্য বলতে বুঝায়— এমন যাবতীয় বস্তু যা দ্বারা মুনাফা অর্জন কিংবা ব্যবসার উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। যেমন— জমি, জীব-জন্তু, খাবার, পানীয় ও গাড়ী ইত্যাদি সব ধরনের সম্পদ।

সুতরাং বছরান্তে সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে তার চার দশমাংশ বা ৪০ ভাগের এক ভাগ যাকাত দিতে হবে। চাই সেটার মূল্যমান ক্রয়মূল্যের সমপরিমান হোক, অথবা কম হোক অথবা বেশি হোক।

মুদি দোকানদার, মেশিনারি দোকানদার বা খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রেতা ও এ জাতীয় ব্যবসায়ীদের কর্তব্য হলো, ছোট বড় সকল অংশের মূল্য নির্ধারণ করে নেবে, যাতে কোনো কিছু বাদ না পড়ে। পরিমাণ নির্ণয়ে যদি জটিলতা দেখা দেয়, তাহলে সতর্কতামূলক বেশি দাম ধরে জাকাত আদায় করবে, যাতে সে সম্পূর্ণভাবে দায়িত্বমুক্ত হতে পারে।

মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু যথা খাবার, পানীয়, বিছানা, আসবাবপত্র, থাকার ঘর, বাহন, গাড়ী, পোশাকের (ব্যবহার্য সোনা-রূপা ছাড়া) ওপর জাকাত নেই। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِى عَبْدِهِ وَلاَ فَرَسِهِ صَدَقَةٌ 

‘মুসলিমের দাস-দাসী, ঘোড়ার ওপর জাকাত নেই।’ (বুখারি ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম