Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

শবে কদরে পড়ুন— এই দোয়া

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম

শবে কদরে পড়ুন— এই দোয়া

লাইলাতুল কদর। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

হাদিসের নির্ভারযোগ্যতার মাপকাঠীতে বেজোড় রাতগুলোয় শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মর্যাদার এ রাত পেলে মুমিন বান্দা আল্লাহর কাছে কী দোয়া করবেন? কী চাইবেন? এ সম্পর্কে হাদিসের একটি বর্ণনা এভাবে এসেছে—

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) জিজ্ঞাসা করলাম— হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) আপনি বলে দিন, আমি যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?

রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তুমি বলবে—

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

এ ছাড়াও শবে কদরে আল্লাহ তাআলার ক্ষমা, রহমত, হেদায়াত কামনা করে কুরআনুল কারিমে বর্ণিত এ দোয়াগুলোও পড়া যেতে পারে—

১. رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَۃً وَّ هَیِّیٴۡ لَنَا مِنۡ اَمۡرِنَا رَشَدًا

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা আতিনা মিনলাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়ি’ লানা মিন আমরিনা রাশাদা।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন।’ (সুরা কাহাফ: আয়াত ১০)

২. رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعۡفُ عَنَّا ٝ وَ اغۡفِرۡ لَنَا ٝ وَ ارۡحَمۡنَا ٝ اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِیۡنَ

উচ্চারণ: ‘রব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসিনা আও আখতা’না রব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরাং কামা হামালতাহু আলাল্লাজিনা মিন ক্বাবলিনা রব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাক্বাতা লানা বিহি ওয়া’আফু আন্না, ওয়াগফির লানা, ওয়ারহামনা আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরিন।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের ওপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২৮৬)

৩. رَبَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغۡفِرۡ لَنَا وَ ارۡحَمۡنَا وَ اَنۡتَ خَیۡرُ الرّٰحِمِیۡنَ

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা আমান্না ফাগফির লানা ওয়ারহামনা ওয়া আনতা খারুর রাহিমিন।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমরা ইমান এনেছি, অতএব আমাদের ক্ষমা ও দয়া করুন, আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’ (সুরা মুমিনুন: আয়াত ১০৯)

৪. رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আজাবান নার।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আজাব থেকে রক্ষা করুন।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২০১)

৫. رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَیۡتَنَا وَ هَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইজ হাদাইতানা ওয়া হাব লানা মিনলাদুনকা রাহমাহ ইন্নাকা আনতাল-ওয়াহহাব।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আপনি হেদায়াত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ৮)

৬. رَبَّنَا فَاغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَ کَفِّرۡ عَنَّا سَیِّاٰتِنَا وَ تَوَفَّنَا مَعَ الۡاَبۡرَارِ

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা ফাগফিরলানা জুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়িআতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মাআ’ল-আবরার।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং বিদূরিত করুন আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি, আর আমাদেরকে মৃত্যু দিন নেককারদের সঙ্গে।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৯৩)

৭. رَبِّ اجۡعَلۡنِیۡ مُقِیۡمَ الصَّلٰوۃِ وَ مِنۡ ذُرِّیَّتِیۡ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلۡ دُعَآءِ رَبَّنَا اغۡفِرۡ لِیۡ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلۡمُؤۡمِنِیۡنَ یَوۡمَ یَقُوۡمُ الۡحِسَابُ

উচ্চারণ: ‘রাব্বি-জআ’লনি মুকিমাস-সালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাতি রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দুআ’ রাব্বানা-গফিরলি ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়া লিল মু’মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল-হিসাব।’

অর্থ: ‘হে আমার রব! আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দোয়া কবুল করুন। হে আমাদের রব! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। (সুরা ইবরাহিম: আয়াত ৪০, ৪১)

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

আরও পড়ুন

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

চুপ থাকা কি সব সময় মহৎ গুণ, নাকি কথা বলাও জরুরি

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

মেহেদি দিয়ে চুল-দাড়ি কালো করার শরয়ি বিধান কী?

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম