Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

‘চোখের জিনা’ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন যেভাবে

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

‘চোখের জিনা’ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

চোখ মহান আল্লাহর দেওয়া এক অমূল্য নিয়ামত। এই চোখ দিয়েই আমরা পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখি, প্রিয়জনকে চিনতে পারি এবং আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শন অবলোকন করি। কিন্তু চোখের এই নিয়ামতের যথেচ্ছ ব্যবহার কখনো কখনো মানুষকে গুনাহের পথে নিয়ে যায়। একটি অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি, নিষিদ্ধ দৃশ্যের প্রতি ইচ্ছাকৃত আকর্ষণ কিংবা অশালীন ছবি ও ভিডিও দেখার অভ্যাস ধীরে ধীরে অন্তরের পবিত্রতা ও চরিত্রের সৌন্দর্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিশেষ করে বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্যের মুখোমুখি হওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ। কখনো হঠাৎ কোনো দৃশ্য চোখে পড়ে, আবার কখনো মানুষ নিজেই ইচ্ছা করে নিষিদ্ধ বিষয়বস্তুর দিকে ফিরে যায়। এই দুই পরিস্থিতির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টির জন্য নিজেকে অযথা দোষারোপ না করে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়া জরুরি; আর ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম দৃষ্টিতে লিপ্ত হওয়া থেকে নিজেকে সংযত রাখা ইমানি দায়িত্ব।

ইসলাম মানুষের চোখ, অন্তর ও চরিত্রের পবিত্রতা রক্ষার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। আসুন, কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে জেনে নিই— চোখের জিনা থেকে বাঁচার উপায় এবং দৃষ্টির হেফাজত কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।

১. দৃষ্টি সংযত রাখুন—আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলুন

চোখের হেফাজত করার বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে মুমিন পুরুষ ও নারীদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ

‘মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই তারা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত।’ (সুরা আন-নুর: আয়াত ৩০)

এর পরের আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরও দৃষ্টি সংযত রাখা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَ قُلۡ لِّلۡمُؤۡمِنٰتِ یَغۡضُضۡنَ مِنۡ اَبۡصَارِهِنَّ وَ یَحۡفَظۡنَ فُرُوۡجَهُنَّ 

‘আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে।’  (সুরা আন-নুর: আয়াত ৩১)

এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, দৃষ্টির হেফাজত শুধু পুরুষের দায়িত্ব নয়; নারী-পুরুষ উভয়েরই দায়িত্ব। অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখা, কামনাপূর্ণ দৃষ্টি থেকে বিরত থাকা এবং নিজের চরিত্রকে পবিত্র রাখার চেষ্টা করা একজন মুমিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

২. ‘চোখের জিনা’ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সতর্কবার্তা

রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষের দৃষ্টির অপব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সহিহ হাদিসে এসেছে, চোখেরও জিনা রয়েছে; আর তার জিনা হলো দৃষ্টি। হাদিসে পাকে এসেছে—

الْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ

‘চোখদ্বয়ের জিনা হলো দৃষ্টি।’ (মুসলিম ২৬৫৭, বুখারি ৬২৪৩)

এই হাদিসে নিষিদ্ধ ও কামনাপূর্ণ দৃষ্টির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। এর অর্থ এই নয় যে, অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো দৃশ্য চোখে পড়লেই মানুষ গুনাহগার হয়ে যায়। বরং অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি পড়লে তা থেকে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নিষিদ্ধ দৃষ্টিতে স্থির না থাকাই গুরুত্বপূর্ণ।

একটি অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি কখনো কুপ্রবৃত্তিকে উসকে দিতে পারে, চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং মানুষকে পরবর্তী গুনাহের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই শুরুতেই দৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণ করা আত্মশুদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৩. ডিজিটাল যুগে চোখের হেফাজত করুন

বর্তমান সময়ে চোখের হেফাজত করা অনেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অনেক ছবি ও ভিডিও সামনে আসে, যা মানুষের কুপ্রবৃত্তিকে উসকে দিতে পারে। কখনো অনিচ্ছাকৃতভাবে অশালীন দৃশ্য সামনে আসে, আবার কখনো কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিষিদ্ধ ছবি বা ভিডিও খুঁজে দেখেন। দ্বিতীয় অভ্যাসটি ধীরে ধীরে আসক্তি, অপরাধবোধ, আত্মিক অস্থিরতা কিংবা সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا

‘নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তর— এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ (সুরা আল-ইসরা: আয়াত ৩৬)

এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়, চোখ আল্লাহর দেওয়া আমানত। তাই কী দেখছি, কেন দেখছি এবং সেই দেখা আমাদের অন্তর ও আচরণে কী প্রভাব ফেলছে— সে বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

ডিজিটাল মাধ্যমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে অশালীন পেজ ও চ্যানেল আনফলো করুন, অনুপযুক্ত কনটেন্ট ব্লক করুন এবং প্রয়োজন হলে কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার করুন। অবসর সময়ে কী দেখছেন, সে বিষয়েও সচেতন থাকুন।

৪. চোখের জিনা থেকে বাঁচার ৫টি কার্যকর উপায় ও অনুভূতি

  • আল্লাহ আমাকে দেখছেন—এই অনুভূতি জাগ্রত রাখুন

আপনি একা থাকুন কিংবা মানুষের ভিড়ে, আল্লাহর জ্ঞান ও পর্যবেক্ষণের বাইরে নন। এই বিশ্বাস অন্তরে জাগ্রত থাকলে গোপনে নিষিদ্ধ কিছু দেখার আগে মানুষ নিজের বিবেক ও ইমানের কথা স্মরণ করতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

أَلَمْ يَعْلَمْ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَىٰ

‘সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?’ (সুরা আল-আলাক: আয়াত ১৪)

নিজেকে বারবার স্মরণ করিয়ে দিন— মানুষের কাছ থেকে কোনো কাজ গোপন রাখা গেলেও আল্লাহর কাছে কিছুই গোপন নয়। এই অনুভূতি দৃষ্টির হেফাজতে সহায়ক হতে পারে।

  • হঠাৎ নিষিদ্ধ দৃশ্য চোখে পড়লে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিন

কখনো চলার পথে, কর্মক্ষেত্রে কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে অনিচ্ছাকৃতভাবে অনুপযুক্ত কোনো দৃশ্য চোখে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত বা হতাশ না হয়ে সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টি সরিয়ে নিন। ইচ্ছাকৃতভাবে দ্বিতীয়বার তাকানো বা দৃশ্যটি খুঁজে দেখার চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হঠাৎ পড়ে যাওয়া দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি হজরত জারির ইবন আবদুল্লাহ (রা.)-কে এভাবে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন—

سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنْ نَظَرِ الْفَجْأَةِ، فَأَمَرَنِي أَنْ أَصْرِفَ بَصَرِي

‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হঠাৎ পড়ে যাওয়া দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেন।’ (মুসলিম ২১৫৯)

  • অশালীন কনটেন্ট ও প্ররোচনামূলক পেজ এড়িয়ে চলুন

যে পেজ, চ্যানেল, অ্যাকাউন্ট বা ওয়েবসাইট বারবার আপনার সামনে নিষিদ্ধ দৃশ্য তুলে ধরে, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। প্রয়োজন হলে আনফলো, ব্লক বা ‘নট ইন্টারেস্টেড’ অপশন ব্যবহার করুন। শুধু নিজের ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর না করে পরিবেশকেও নিরাপদ করে তুলুন। রাত জেগে একাকী অপ্রয়োজনীয় ব্রাউজিংয়ের অভ্যাস থাকলে তার সময় সীমিত করুন এবং উপকারী কাজে মনোযোগ দিন।

  • নামাজ, জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতে অভ্যস্ত হোন

অন্তরকে আল্লাহর স্মরণে ব্যস্ত রাখা এবং নিয়মিত ইবাদত করা আত্মশুদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ উপায়। যখন নিজের দুর্বলতা অনুভব করবেন, তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চান, ইস্তিগফার করুন এবং নিজের ভুল থেকে ফিরে আসুন। আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ

‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা আল-আনকাবুত: আয়াত ৪৫)

নামাজের পাশাপাশি কুরআন তিলাওয়াত, অর্থ অনুধাবন, উপকারী বই পড়া এবং ভালো সঙ্গ গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন। ভুল হয়ে গেলে হতাশ না হয়ে আন্তরিক তওবা করুন এবং পুনরায় সেই অভ্যাসে ফিরে না যাওয়ার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিন।

  • নিজের চোখের নিয়ামতকে আমানত মনে করুন

চোখ শুধু দেখার মাধ্যম নয়; এটি আল্লাহর দেওয়া একটি মূল্যবান আমানত। এই নিয়ামতকে কল্যাণকর কাজে ব্যবহার করুন— কুরআন পড়ুন, জ্ঞান অর্জন করুন, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখুন, মানুষের ভালো কাজ থেকে শিক্ষা নিন এবং অন্যের প্রতি সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখুন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন— আমি যা দেখছি, তা কি আমার চরিত্রকে সুন্দর করছে, নাকি আমাকে এমন কিছুর দিকে টেনে নিচ্ছে, যা থেকে আল্লাহ নিষেধ করেছেন? এই আত্মজিজ্ঞাসা দৃষ্টির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে এবং নিজের আচরণ সংশোধন করতে সাহায্য করবে।

চোখের জিনা থেকে বেঁচে থাকা শুধু একটি নিষিদ্ধ কাজ পরিহারের বিষয় নয়; বরং এটি নিজের অন্তর, চরিত্র, ইমান ও সম্পর্কের পবিত্রতা রক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দৃষ্টিকে সংযত রাখা নারী-পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন আল্লাহর প্রতি সচেতনতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, উপযুক্ত ডিজিটাল অভ্যাস এবং নিয়মিত আত্মশুদ্ধি।

সুতরাং চোখের হেফাজত করুন, অন্তরের পবিত্রতা রক্ষা করুন। হঠাৎ কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্য চোখে পড়লে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিন। ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম দৃশ্য দেখা থেকে বিরত থাকুন। ভুল হয়ে গেলে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করুন এবং নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা চালিয়ে যান।

মনে রাখবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়া কখনো ক্ষতি নয়; বরং তা নিজের ইমান ও চরিত্রকে সুন্দর করার একটি সুযোগ। আল্লাহ তাআলা আমাদের চোখকে হারাম দৃষ্টি থেকে, অন্তরকে কুপ্রবৃত্তি থেকে এবং চরিত্রকে সব ধরনের অশ্লীলতা থেকে হেফাজত করুন। আমাদের দৃষ্টিকে পবিত্র রেখে তার সন্তুষ্টি অর্জনের তৌফিক দান করুন। আমিন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নবীজিকে (সা.) ভালোবাসার উপায়, যাতে পূর্ণতা পায় ইমান

নবীজিকে (সা.) ভালোবাসার উপায়, যাতে পূর্ণতা পায় ইমান

মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে মুক্তির ৫ দিকনির্দেশনা ও আমল

মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে মুক্তির ৫ দিকনির্দেশনা ও আমল

সবকিছু মনের মতো না হলেও কি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হবে?

সবকিছু মনের মতো না হলেও কি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হবে?

প্রকৃত মুমিন কে— যিনি ভুল করেন না, নাকি ভুলের পর তওবা করেন?

প্রকৃত মুমিন কে— যিনি ভুল করেন না, নাকি ভুলের পর তওবা করেন?

টিস্যু ছাড়াই শুধু পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করলে পবিত্রতা অর্জন হবে কি?

টিস্যু ছাড়াই শুধু পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করলে পবিত্রতা অর্জন হবে কি?

ইসলাম প্রচারক আল্লামা ফয়েজ উদ্দিন আহম্মেদ (রহ.)

ইসলাম প্রচারক আল্লামা ফয়েজ উদ্দিন আহম্মেদ (রহ.)

আরও পড়ুন

‘চোখের জিনা’ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন যেভাবে

‘চোখের জিনা’ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন যেভাবে

নবীজিকে (সা.) ভালোবাসার উপায়, যাতে পূর্ণতা পায় ইমান

নবীজিকে (সা.) ভালোবাসার উপায়, যাতে পূর্ণতা পায় ইমান

মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে মুক্তির ৫ দিকনির্দেশনা ও আমল

মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে মুক্তির ৫ দিকনির্দেশনা ও আমল

সবকিছু মনের মতো না হলেও কি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হবে?

সবকিছু মনের মতো না হলেও কি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হবে?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম