Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

মসজিদে মোবাইল ব্যবহার কি গুনাহ?

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ এএম

মসজিদে মোবাইল ব্যবহার কি গুনাহ?

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মসজিদে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে কি না, এ নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজে মোবাইল ব্যবহার করা গেলেও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কিংবা অন্য মুসল্লির ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো শরিয়তসম্মত নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকার মোহাম্মদপুরের দারুল কুরআন আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ও মুফতি আব্দুল কাইয়ুম।

মুফতির বক্তব্য অনুযায়ী, মসজিদের আদব বজায় রেখে একান্ত প্রয়োজনীয় বৈধ কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে। তবে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফোন চালানো, গেম খেলা, দুনিয়াবি কথাবার্তায় ব্যস্ত থাকা কিংবা ছবি-ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে এসব কাজে অন্য মুসল্লির ইবাদতে বিঘ্ন ঘটলে তা জায়েজ হবে না।

মসজিদে প্রবেশের আগে সম্ভব হলে মোবাইল ফোন বাড়ি বা কর্মস্থলে রেখে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তা সম্ভব না হলে মসজিদে ঢোকার আগেই ফোন বন্ধ অথবা সাইলেন্ট করে নেওয়া উচিত। ফোনের রিংটোন ও মেসেজের শব্দের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। রিংটোনে গান-বাজনা বা শরিয়তবিরোধী কোনো বিষয় রাখা যাবে না।

মসজিদে ফোন এলে কী করবেন?

মসজিদে অবস্থানকালে জরুরি ফোন এলে যথাসম্ভব বাইরে গিয়ে কথা বলতে হবে। বাইরে যাওয়া সম্ভব না হলে নিরিবিলি স্থানে গিয়ে খুব নিচু স্বরে সংক্ষিপ্তভাবে প্রয়োজনীয় কথা বলা যেতে পারে। তবে মুসল্লিদের মাঝে বসে ফোনে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে অন্যদের নামাজ, জিকির ও ইবাদতে বিঘ্ন ঘটতে পারে। বিশেষ করে জামাত চলাকালে এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে?

মসজিদে বসে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে একান্ত প্রয়োজনীয় বার্তা আদান-প্রদান করা জায়েজ। তবে অপ্রয়োজনীয় মেসেজ চালাচালি, জীবন্ত প্রাণীর ছবি-ভিডিও দেখা কিংবা গান-বাজনা ও অনৈতিক কাজে এসব মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে না।

ফেসবুক-ইউটিউব চালানো যাবে?

মসজিদে বসে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এসব মাধ্যমে জীবন্ত প্রাণীর ছবি ও ভিডিও দেখা মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইলের ওয়ালপেপারে মানুষ বা প্রাণীর ছবি না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ব্যবহারে মূলনীতি কী?

মুফতির বক্তব্য অনুযায়ী, মসজিদে মোবাইল ব্যবহারের মূলনীতি হলো— প্রয়োজনীয় বৈধ কাজে মসজিদের আদব বজায় রেখে এবং অন্য মুসল্লিদের ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটিয়ে ফোন ব্যবহার করা যাবে। অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার, খেলাধুলা, ছবি-ভিডিও দেখা এবং অন্যের ইবাদতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের সুরা নুরের ৩৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহর ঘরগুলোকে সমুন্নত রাখতে এবং সেখানে তার নাম স্মরণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ঢিলা ব্যবহারের সময় আজানের জবাব দেওয়া যাবে?

ঢিলা ব্যবহারের সময় আজানের জবাব দেওয়া যাবে?

ইকরা আইডিয়ালের হিফজ সমাপনী পাগড়ি অনুষ্ঠান

ইকরা আইডিয়ালের হিফজ সমাপনী পাগড়ি অনুষ্ঠান

ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে প্রচলিত কাহিনি: কোনটি সত্য আর কোনটি বানোয়াট?

ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে প্রচলিত কাহিনি: কোনটি সত্য আর কোনটি বানোয়াট?

সুরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত ও ৪ শিক্ষণীয় ঘটনা

জুমার দিনের বিশেষ আমল সুরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত ও ৪ শিক্ষণীয় ঘটনা

জীবনের সংকট কাটাতে, রিজিকে বরকত পেতে ১০ আমল ও দোয়া

জীবনের সংকট কাটাতে, রিজিকে বরকত পেতে ১০ আমল ও দোয়া

জুমার আজানের পর দুনিয়াবি কাজ করা যাবে কি?

জুমার আজানের পর দুনিয়াবি কাজ করা যাবে কি?

আরও পড়ুন

মসজিদে মোবাইল ব্যবহার কি গুনাহ?

মসজিদে মোবাইল ব্যবহার কি গুনাহ?

ঢিলা ব্যবহারের সময় আজানের জবাব দেওয়া যাবে?

ঢিলা ব্যবহারের সময় আজানের জবাব দেওয়া যাবে?

ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, যেভাবে পাবেন

ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, যেভাবে পাবেন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ নভেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ নভেম্বর ২০২৬

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম