Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

কৃত্রিম প্রসাধনীকে ‘বাই বাই’, কাশ্মীরের প্রাকৃতিক লাবণ্যে নিজেকে বদলে ফেলুন

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১২:০২ পিএম

কৃত্রিম প্রসাধনীকে ‘বাই বাই’, কাশ্মীরের প্রাকৃতিক লাবণ্যে নিজেকে বদলে ফেলুন

Advertisement

কৃত্রিম কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং ধরে রাখতে কিছু চমৎকার উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। আর করতে পারেন কাশ্মীরিপণ্য।

কাশ্মীর রূপ লাবণ্যের ভাণ্ডার। তা সে সেখানকার প্রাকৃতিক শোভা হোক কিংবা বাসিন্দাদের শারীরিক সৌন্দর্য। কাশ্মীরের হাওয়া গায়ে লাগলেই বুঝি রূপ পাল্টাতে বাধ্য! কিন্তু আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সেখানকার প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন খাবারে। প্রতিদিন সেসব খাবার গ্রহণ করা হয়, ব্যবহার করা যায় প্রসাধনী হিসেবেও। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে কাশ্মীরি গ্লো আসতে বাধ্য! আর সে উজ্জ্বলতা কেবল বাহ্যিক নয়, শরীর ভেতর থেকে স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠবে।

ত্বক মসৃণ করতে বাদাম তেলের জুড়ি মেলা ভার। এ কারণে নামিদামি ব্র্যান্ডও বডি অয়েল হিসেবে বাদাম তেলের বিজ্ঞাপনী প্রচার করে থাকে। তবে কাশ্মীরি সুন্দরীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে, কেমিক্যালবিহীন খাঁটি ‘কোল্ড-প্রেসড’ আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। এই তেলে চ্যাটচ্যাটে ভাব থাকে না। চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী বাদাম তেল।

কাশ্মীর গেলে পর্যটকরা প্রায়ই কিনে আনেন ব্যাগভর্তি আখরোট। খেলে মস্তিষ্ক সচল হয়, হৃদয় ভালো থাকে। তবে অনন্য এর খোসাটি, যা গুঁড়ো করে বাড়িতেই তৈরি করা যায় স্ক্রাব। এই স্ক্রাব ত্বকের ময়লা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। ফিরিয়ে আনে প্রতিদিনের ধুলো-ধোঁয়া-দূষণে হারানো ঔজ্জ্বল্য।

কাশ্মীরি জাফরান বা কেশর ব্যবহার হয় মিষ্টি তৈরিতে। সামান্য পরিমাণ কেশরের দাম আকাশছোঁয়া। প্রসাধনী হিসেবেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। কাঁচা দুধ বা গোলাপজলে দীর্ঘ সময় কেশর ভিজিয়ে, তা মুখে মাখলে ত্বক প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কালচে ভাব, ডার্ক সার্কেল একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। যে কারণে বিভিন্ন ফেসওয়াশ, মাস্ক ও সিরামে উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় জাফরান।

এই ভেষজ চায়ের স্বাদ সাধারণ লিকার চায়ের থেকে খানিক ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রস্তুত করার সময় গোলাপ কুচি, কুচানো ড্রাই ফ্রুট, দারুচিনি, এলাচ প্রভৃতি দেওয়া হয়। এই চা যে কেবল হজমে সাহায্য করে, তাই নয়। ভরপুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এই পানীয়তে, যা শরীরে মেদ জমতে বাধা দেয়। তাই ‘কাশ্মীরি বিউটি ড্রিংক’-এর শিরোপা জুটেছে কাওয়ার ভাগে। তবে পান করার অভ্যাস না থাকলে প্রাথমিকভাবে অদ্ভুত লাগতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম