সাবান দিয়ে গোসলের পরও দুর্গন্ধ, যা করবেন
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সাবান দিয়ে গোসল করার পরও শরীর থেকে দুর্গন্ধ আসছে। মাঝে মধ্যেই এমনই অস্বস্তিতে পড়তে হয়। এই সমস্যার সমাধানে যা করতে হবে।
কর্কশ সাবান ব্যবহার
শরীর পরিষ্কার রাখতে সাবানের প্রয়োজন। কিন্তু বেশি ব্যবহার করলেই শরীর বেশি পরিষ্কার হবে—এমন ধারণা ভুল। অতিরিক্ত সাবান ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নিয়ে আর্দ্রতা কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের ত্বক শুষ্ক বা স্পর্শকাতর, তাদের মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। বাহুমূল, কুঁচকি, পায়ের পাতা এবং শরীরের যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেই জায়গাগুলি ভালো করে পরিষ্কার করা বেশি জরুরি। মৃদু সাবানেও একই রকমের পরিষ্কার হবে, সঙ্গে ত্বকও আরাম পাবে।
অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার
গরম পানিতে গোসল করলে আরাম লাগে বটে। বিশেষ করে দিনভর কাজের পর গরম পানি গায়ে ঢাললে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত গরম পানি গা ধোয়ার ফলে গোসলের পরেও অন্তত ১৫-২০ মিনিট ধরে আপনি ঘামতে পারেন। গোলসঘর থেকে বেরোনোর আগেই আপনি আবার ঘেমে যাচ্ছেন, ফলে দুর্গন্ধ তৈরি হচ্ছে আবার।
লুফার ব্যবহার
বেশি পরিষ্কার করবেন বলে লুফা, নারকেলের ছোবড়া সব ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্যা যদি থেকে থাকে আপনার এই সমস্ত সামগ্রীতেই? লুফার মতো স্ক্রাবারগুলিতে আর্দ্রতা আটকে থাকে বলে তাতে সহজেই জীবাণুর বংশবৃদ্ধি শুরু হয়। সেগুলি গায়ে দিলে পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে অপরিচ্ছন্নতাই বাড়বে। বরং সিলিকনের স্ক্রাবার ব্যবহার করুন। চটজলদি শুকিয়ে যাবে, পরিষ্কারও করা যাবে সহজে।
পা পরিষ্কার না করা
সারা শরীরে সাবান দিয়ে ধুলেও পা পরিষ্কার করতে ভুলে যান অনেকে। ভাবছেন, সাবানে ভরা পানি পায়ের নীচ দিয়েই তো গড়িয়ে যাচ্ছে, তাতে পা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ভ্রান্ত ধারণার কারণেই হয়তো শরীরে গন্ধ থেকে যাচ্ছে। সেখান থেকেই ময়লা ঘর পর্যন্ত ঢোকে সবার প্রথমে। তাই গোসলের সময়ে ঘষে ঘষে পা ধোয়া উচিত।
তোয়ালে পরিষ্কার না করা
ভেজা তোয়ালে দীর্ঘক্ষণ গুটিয়ে বা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ফেলে রাখলে সেখানে জীবাণু ও দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। সেই তোয়ালে দিয়েই যদি গা মোছেন, তাহলে আর পরিষ্কার হবে কীভাবে? শরীর পরিষ্কার করার পর একই নোংরা তোয়ালে বার বার ব্যবহার করলে কোনও লাভ হবে না। ব্যবহারের পরে তোয়ালে টানটান করে মেলে শুকিয়ে রাখুন এবং নিয়মিত পরিষ্কার করুন। গোসলের পর পরিষ্কার, শুকনো পোশাক পরাও জরুরি। অন্তর্বাস প্রতিদিন বদলানো উচিত।
