ওজন কমাতে স্ন্যাক্স কি বাদ দিতেই হবে?
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন মানেই যে স্ন্যাক্স খাওয়া বন্ধ করতে হবে বিষয়টি এমন নয়। অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে এরপর পরের খাবারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়ার চেয়ে এমন স্ন্যাক্স বেছে নেওয়া ভালো যা কিছু সময়ের জন্য ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করবে।
এ ক্ষেত্রে স্ন্যাক্সের ধরন গুরুত্বপূর্ণ। এক বাটি ফল,এক মুঠো চিনাবাদাম কিংবা প্রোটিন সমৃদ্ধ কোনো খাবার— সবই স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু এগুলো সমানভাবে পেট ভরে রাখে না।
ভারতীয় পুষ্টিবিদ লাভনীত বাত্রা ইনস্টাগ্রামে এমন কয়েকটি স্ন্যাক্সের তালিকা দিয়েছেন যা ক্ষুধা নিবারণের পাশাপাশি ক্যালরি নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। তার এই তালিকায় প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাবারের পাশাপাশি এমন কিছু খাবারের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন যেগুলো খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে সতর্ক থাকা জরুরি।
১. তালিকার শীর্ষে রয়েছে মসলাযুক্ত ঘোল। বাত্রার মতে, এতে প্রোটিনের পরিমাণ ভালো এবং এটি দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে;
২. এরপরে রয়েছে ভাজা মিষ্টি আলু। এতে থাকা জটিল কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। মিষ্টি কিছু খাওয়ার ইচ্ছে হলে এটি বেছে নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি;
৩. এরপরে রয়েছে মুড়ির চাট। এর মূল সুবিধা হলো তুলনামূলক কম ক্যালরিতে এক বাটি পরিমাণ খাওয়া যায়;
৪. আরও পেট ভরা খাবার চাইলে তালিকায় রয়েছে ভাজা পনিরের টুকরো। বাত্রার মতে, পেট ভরা রাখার ক্ষেত্রে পনির বেশ কার্যকর। তবে এ ক্ষেত্রে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি;
৫. তরমুজ সতেজ ও শরীর আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। তবে এটি বেশি সময় পেট ভরা রাখে না। বাইরে যাওয়ার সময় বা কর্মস্থলে ব্যস্ত থাকলে প্রোটিন বারও সুবিধাজনক স্ন্যাক্স হতে পারে। তবে কেনার আগে এতে অতিরিক্ত চিনি রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে কেনা উচিত;
৬. তালিকার নিচের দিকে রয়েছে চিনাবাদাম, পিনাট বাটার ও ডার্ক চকলেট। পিনাট বাটার স্বাস্থ্যকর মনে হলেও এতে ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হলে ডার্ক চকলেট খাওয়া যেতে পারে। বাত্রার পরামর্শ এ ক্ষেত্রে দুই টুকরোর বেশি না খাওয়াই ভালো।
বাদাম ও বেশ পুষ্টিকর। তবে একবার খাওয়া শুরু করলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। স্ন্যাক্স খাওয়ার ক্ষেত্রে এটি স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর শুধু এটা ভাবলেই চলবে না। বরং পরিমানে কতটুকু খাচ্ছি সেটির ওপর ও নজর দেওয়া সমানভাবে জরুরি।
সূত্র: এনডিটিভি
