Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

ইউরিন ইনফেকশনকে অবহেলা নয়, নিজের অজান্তেই হতে পারে যে বিপদ

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ এএম

ইউরিন ইনফেকশনকে অবহেলা নয়, নিজের অজান্তেই হতে পারে যে বিপদ

Advertisement

ইউরিন ইনফেকশনকে নিয়ে অবহেলা করা ঠিক নয়। কারণ নিজের অজান্তেই হতে পারে আপনার কিডনি বিকল। সে জন্য ইউরিন ইনফেকশন বা মূত্রনালির সংক্রমণ অবহেলা করতে নেই। কারণ এতে মারাত্মক রূপ নিতে পারে এবং সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে কিডনি বিকল (পাইলোনেফ্রাইটিস) হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। 

সাধারণত 'ই. কোলাই' ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই সংক্রমণ বেশি ঘটে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় সচেতন হলে এবং সঠিক পদক্ষেপ নিলে এ ঝুঁকি থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকা সম্ভব। সাধারণত কয়েক দিনের সঠিক চিকিৎসায় এটি সেরেও যায়। কিন্তু সাধারণ বলেই এ সমস্যাটিকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তা একেবারেই উচিত হবে না। 

কারণ শুরুর দিকে একে সাধারণ প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া মনে হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। এমনকি এর জেরে কিডনি চিরতরে বিকল হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ইউরিন ইনফেকশন কেন হয় এবং এটি কখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

ইউরিন মূত্রনালির সংক্রমণ খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কয়েক দিনের চিকিৎসায় এটি সেরেও যায়। কিন্তু সাধারণ বলেই এ সমস্যাটিকে হালকাভাবে নেওয়া কখনো উচিত হবে না। কারণ শুরুর দিকে একে সাধারণ প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া মনে হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি গুরুতর রূপ ধারণ করবে। এমনকি এর জেরে কিডনি চিরতরে বিকল হওয়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে। 

এই ব্যাকটেরিয়া যদি কোনো কারণে কিংবা কোনোভাবে একবার মূত্রনালিতে প্রবেশ করে, সেখানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং নোংরা বা পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের কারণে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। সে জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। এটি মূত্রথলি, মূত্রনালি এবং শেষ পর্যন্ত কিডনিকে আক্রান্ত করে।

আর ইউরিন ইনফেকশন যতক্ষণ পর্যন্ত মূত্রথলির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ এটি বড় কোনো বিপদ ঘটায় না। কিন্তু এই ইনফেকশন যদি মূত্রনালি বেয়ে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তবেই তা মারাত্মক হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন এই সংক্রমণ শরীরে পুষে রাখলে কিডনি ড্যামেজ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিডনিতে ইনফেকশন ছড়ালে শরীরে কিছু বিশেষ উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন— প্রচণ্ড জ্বর, কাঁপুনি দিয়ে ঠান্ডা লাগা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া এবং প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসা। শরীরে এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে অবিলম্বে হাসপাতালে যাওয়া উচিত।

এ সমস্যায় যে কেউ আক্রান্ত হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেকটাই বেশি থাকে। বিশেষ করে—

প্রবীণ বা বয়স্ক ব্যক্তিদের ঝুঁকি অনেক বেশি। আবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও একই ঝুঁকি থাকে। আর বিশেষ করে গর্ভবতী নারীর ঝুঁকি থাকে। 

ইউরিন ইনফেকশনের সাধারণ কয়েকটি লক্ষণ—

১. বারবার প্রস্রাবের বেগ পাওয়া।

২. প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্বালাপোড়া করা এবং অস্বস্তি লাগা।

৩. প্রস্রাবের বেগ হলেও সামান্য পরিমাণে হওয়া।

৪. প্রস্রাব থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়া।

৫. তলপেটে বা কোমরের নিচের অংশে অবিরাম ব্যথা হওয়া।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ইউরিন ইনফেকশন থেকে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

প্রথমত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।  কারণ আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। এতে মূত্রনালিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে ধুয়েমুছে বেরিয়ে আসবে।

দ্বিতীয়ত প্রস্রাব চেপে না রাখা। কারণ আপনাকে দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। প্রস্রাব আটকে রাখলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করার সুযোগ পায়।

তৃতীয়ত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। কারণ সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেট ব্যবহার করুন এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষভাবে নজর দিন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

জমির দলিল লেখায় সামান্য ভুলেই বিপদ, যে ৭ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

জমির দলিল লেখায় সামান্য ভুলেই বিপদ, যে ৭ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

আপনার নামে কোথায় কোথায় জমি, ঘরে বসেই জানবেন যেভাবে

আপনার নামে কোথায় কোথায় জমি, ঘরে বসেই জানবেন যেভাবে

শীতের সকালে স্ট্রোকের ঝুঁকি: সতর্ক থাকুন এই ৪ বিষয়ে

শীতের সকালে স্ট্রোকের ঝুঁকি: সতর্ক থাকুন এই ৪ বিষয়ে

গ্রিন টির চেয়েও বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যে ৫ পানীয়ে

গ্রিন টির চেয়েও বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যে ৫ পানীয়ে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম