Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪

Advertisement

বন্যা ও পাহাড় ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সৃষ্ট এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।

খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ— এই সাত জেলা বন্যার কবলে পড়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, এসব জেলার ৫৮টি উপজেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। সাত জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বন্যা ও পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড় ধস ও বন্যায় ২৩ জন মারা গেছেন।

নিহতদের মধ্যে ১০ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। কক্সবাজারে আহত হয়েছেন ২৪ জন।

এদিকে বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামে বন্যা ও দেয়াল ধসের ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং ১২ জনের আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ঢলের পানিতে ভেসে ও পাহাড় ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন; আহতের সংখ্যা ২। আরেক পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা মৌলভীবাজারে বন্যায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়।

জেলার ১৬টি উপজেলায় আংশিক ও পূর্ণ জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০ জন মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

চট্টগ্রামে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি। এরপরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে ১০টি উপজেলার ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন মানুষ বন্যাকবলিত এবং ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবার পানিবন্দি।

অন্যান্য জেলার মধ্যে খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় ২৭ হাজার ২২০ জন, রাঙ্গামাটির ৯ উপজেলায় ৩ হাজার ৫২৪ জন, বান্দরবানের ৭টি উপজেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জন, মৌলভীবাজারের চার উপজেলায় ৩৮ হাজার ১৭২ জন এবং হবিগঞ্জের তিন উপজেলায় ২৮ হাজার ১৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

হঠাৎ উপচে পড়া পানি ও পাহাড়ি ঢলে ঘরবাড়ি হারিয়ে জীবন বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে হাজারো মানুষ। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি আশ্রয় দিতে মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এখনো নিজের জলমগ্ন ভিটেমাটি আঁকড়ে পড়ে আছেন। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ঠাঁই নেওয়া বিপন্ন মানুষের মাঝে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ, ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের

জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ, ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের

মিরপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

মিরপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে বছরের সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে বছরের সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি

চলচ্চিত্র পরিচালক বি এইচ নিশান মারা গেছেন

চলচ্চিত্র পরিচালক বি এইচ নিশান মারা গেছেন

‘আজ সব হারালাম, এখন আমরা কী নিয়ে বাঁচব?

‘আজ সব হারালাম, এখন আমরা কী নিয়ে বাঁচব?

সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

আরও পড়ুন

সুরঞ্জিতের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল-সালাহউদ্দিন আহমদের ভিন্নমত

সুরঞ্জিতের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল-সালাহউদ্দিন আহমদের ভিন্নমত

সংসদের উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন কীভাবে হবে

সংসদের উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন কীভাবে হবে

রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ তদন্তের মুখে রাজউকের ১৪১৩ প্লট, স্থগিত ১০৭৪টি

তদন্তের মুখে রাজউকের ১৪১৩ প্লট, স্থগিত ১০৭৪টি

সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান কারাগারে

সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান কারাগারে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম