Logo
Logo
×
   

জাতীয়

হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিবাদ

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম

হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিবাদ

ছবি-যুগান্তর

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সরাসরি সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ‘পলাতক ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যার আসামি হাসিনা ও তার অনুচরেরা এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আগেভাগেই ভারত সরকারকে অবহিত করা হয়েছিল, তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হতে দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করে।’

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, ‘বাংলাদেশ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, সে দিনই ভারতের মাটিতে হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সত্য—২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিরীহ নাগরিক ও শিশুসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য—অস্বীকারের এই প্রচেষ্টাকে ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর ব্যর্থ প্রয়াস।’ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, অতীতেও দেশের জনগণ এ ধরনের অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে, এখনো করছে।

জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনো কোনো রাষ্ট্রের করদ রাষ্ট্রে পরিণত হবে না বলে জনগণ দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বলে জানায় মন্ত্রণালয়। দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার অপরাধী চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই বলেও স্পষ্ট করা হয় বিবৃতিতে।

সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। তবে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও এখনো ভারতের কোনো সাড়া মেলেনি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করা হয়। উল্টো তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়া দুদেশের সুসম্পর্ক উন্নয়নে ক্ষতিকর ও বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাতকারী বলে মন্তব্য করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .