বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী যে শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ছবি-যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর-পরবর্তী সুযোগ-সুবিধার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই পারিবারিক পেনশন ব্যবস্থা, যার মূল উদ্দেশ্য একজন সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার পরিবার যাতে হঠাৎ আর্থিক সংকটে না পড়ে, সে নিশ্চয়তা দেওয়া। একজন কর্মচারীর কর্মজীবনে দীর্ঘদিনের সেবার বিনিময়ে সরকার এই সুবিধা দিয়ে থাকে, আর সেই সুবিধার ধারাবাহিকতা মৃত্যুর পরও তার জীবনসঙ্গীর জন্য বহাল রাখার বিধান রয়েছে।
পেনশন চালু রাখার শর্ত
নিয়ম অনুযায়ী, পারিবারিক পেনশন চলমান রাখতে হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামীকে বছরে একবার একটি অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হয়, যাতে তিনি ঘোষণা দেন যে তিনি পুনর্বিবাহ করেননি। এই প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রত্যয়নপত্র জমা না দিলে পেনশন প্রাপ্তিতে বিলম্ব বা সাময়িক জটিলতা তৈরি হতে পারে, তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিবছর যথাসময়ে এই কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৫০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ব্যতিক্রম
এই নিয়মে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে বয়স্ক বিধবাদের ক্ষেত্রে। যেসব বিধবা নারীর বয়স ৫০ বছরের বেশি, তাদের জন্য প্রতিবছর অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর পুনর্বিবাহের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম বিবেচনা করে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এতে বয়স্ক বিধবাদের প্রতিবছর কার্যালয়ে গিয়ে কাগজপত্র জমা দেওয়ার মতো বাড়তি হয়রানি থেকে রেহাই মেলে।
