নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিতে ঢাকায় নেপালের দুই নির্বাচন কমিশনার
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ পিএম
ফাইল ছবি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রবাসী নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের নেওয়া উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা জানতে ঢাকায় এসেছে নেপালের নির্বাচন কমিশনের (ইসিএন) উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। দুই দেশের নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বুধবার (৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘লার্নিং অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দুই দেশের নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত থাকবেন।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল আলম, ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. সালীম আহমদ খান এবং উপ-প্রকল্প পরিচালক মামুনুর হোসেন অংশ নেবেন। ইউএনডিপির পক্ষ থেকেও ইলেকট্রোরাল প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্সের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর এবং ব্যালট প্রকল্পের দুই প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেপালের দুজন নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন।
সফরের অংশ হিসেবে নেপালের প্রতিনিধি দলটি ৭ ও ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বাস্তবায়নাধীন ‘দেশের বাইরে ভোটদান সিস্টেম উন্নয়ন এবং বাস্তবায়ন (ওসিভি-এসডিআই)’ প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবে। এ সময় তারা প্রকল্পটির কারিগরি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুই দেশের নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে প্রবাসী নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও উত্তম চর্চা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থার উন্নয়নই এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য।


