ইউজিসি সচিবের কক্ষে দুই কর্মকর্তার হট্টগোল
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) বিধিবহির্ভূত পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় চরম উত্তাপ। সচিবের কক্ষে বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোলের পরও যখন পদোন্নতির কোনো সুরাহা হলো না, তখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দুই কর্মকর্তা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
সচিবের দপ্তর থেকে বেরিয়েই সেই রাগ গিয়ে পড়ে এক নিরীহ কর্মচারীর ওপর। কমিশন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেনের দপ্তরের অফিস সহায়ক রেজাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে মারধরও করেন বলে অভিযোগ ওঠে ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন- ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মহিবুল হাসান এবং একই বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ খান।
অভিযোগ অস্বীকার করে অতিরিক্ত পরিচালক মহিবুল হাসান বলেন, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সচিবের রুম থেকে বের হওয়ার পর রেজাসহ তিনজন সেখানে অপেক্ষারত ছিলেন। তারা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। পরে মামুন রেজাকে সরিয়ে দিয়েছে। এর বাইরে আর কিছুই ঘটেনি।
আরেক অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ খানের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানা গেছে, পদোন্নতি নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামের কক্ষে তুমুল কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন মহিবুল হাসান ও মামুনুর রশিদ। কোনো সুরাহা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সচিবের রুম থেকে বেরিয়ে আসেন তারা।
বেরিয়েই সামনে দেখতে পান অফিস সহায়কের দায়িত্বে থাকা রেজাকে। দেখামাত্রই রেজাকে লক্ষ্য করে নিজেদের সব রাগ উগরে দেন মহিবুল ও মামুন। তার ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন এবং 'ফ্যাসিস্ট' অ্যাখ্যা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ চরম হট্টগোলের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কমিশনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন এবং জমায়েত হতে থাকেন।
