ড. ইউনূসকে হেনস্তা প্রসঙ্গে সাদিক
আ. লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক দেশ-বিদেশে নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ জানান। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো।
‘নিউইয়র্কে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আক্রমণ ও অপদস্থ করার চেষ্টা করেছে পলাতক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের কিছু সদস্য। জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া এই ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর এমন ন্যক্কারজনক অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমরা বারবার বলে আসছি, জুলাই গণহত্যা এবং আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ছাড়া বাংলাদেশে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
অথচ আমরা প্রত্যক্ষ করছি, জুলাই গণহত্যার বিচারে অস্বাভাবিক ধীরগতি ও গড়িমসি চলছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরকারের অভ্যন্তরীণ সমঝোতার প্রচেষ্টারও নানা ইঙ্গিত দৃশ্যমান। বিচারপ্রক্রিয়ায় এই দীর্ঘসূত্রতা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে দেশ-বিদেশে নানা অপতৎপরতা চালানোর সাহস জোগাচ্ছে। এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের মূলোৎপাটন করতে হবে। বছরের পর বছর হাজারো মানুষকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার করা, গুম-খুন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার পরও যাদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনা নেই, দল হিসেবে সেই আওয়ামী লীগের বিচার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
একইসঙ্গে, বিদেশের মাটিতে বারবার এ ধরনের হামলা ও হেনস্তার ঘটনা ঘটলেও সরকারের নির্লিপ্ততা আমাদেরকে হতবাক করেছে। বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে সক্রিয় করা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করার মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কারও যোগসাজশ কিংবা প্রশ্রয়ের প্রমাণ থাকলে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
