শিল্পকলা একাডেমির দেয়ালে ‘ভারতীয়দের’ প্রতিকৃতি, একহাত নিলেন ব্রাত্য রাইসু
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে নতুন রূপে সাজিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত সংস্কারের পাশাপাশি পাশের দেয়ালে আঁকা হয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি।
তবে এই ১০ গুণী ব্যক্তির মধ্যে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার হাসান আজিজুল হকের ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লেখক, কবি ও চিত্রকর ব্রাত্য রাইসু। সেই সঙ্গে সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের প্রতিকৃতি আঁকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ব্রাত্য রাইসু। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘শিল্পকলা একাডেমির দেওয়ালে শিক্ষিত সংস্কৃতিজীবীদের সাধের সৌন্দর্য চর্চা শুরু হইছে, ফুটপাতের খাবারের দোকান ওঠাইয়া দিয়া।
দুইটারে এক করার দরকার নাই। আপাতত এই সৌন্দর্য চর্চার রাজনীতি নিয়া বলি।
দেওয়ালে ১০ জন গুণী ব্যক্তির মুখ আঁকা হইছে।
কীসের ভিত্তিতে? কারা ঠিক করছেন কোন গুণী ব্যক্তিদের ছবি লাগানো হবে?
তারা বলবেন জায়গা তো অল্প!
তো যদি জায়গা এত অল্পই থাকে তাইলে তো গুণের তুলনামূলক বিচার করতে হবে।
তার তাছাড়া দেশের লোকের গুণ প্রচার তো আগে। ভারতীয় গুণী ব্যক্তিদ্বয়ের ছবি সম্প্রচারের কারণ কী?
দেখলাম কৌশলগত ভাবে দুই ভারতীয় বুদ্ধিজীবীর ছবিও টাঙানো হইছে। বিদ্যাসাগর ও সত্যজিৎ।
এইটা ভারতের লগে আবারও আওয়ামী আমলের মত সাংস্কৃতিক নির্ভরশীলতা শো করার ঘোষণা কি? কারা এই কাজ শুরু করলেন?
অবশ্যই আমাদের এইখানকার ২ মৃত গুণী ব্যক্তির ছবি না টাঙাইয়াই ভারতীয় ২ মৃত গুণীর ছবি টাঙানো হইছে। তাই না?
আমার পছন্দের মানুষ এই দুই ভারতীয় ব্যক্তিত্ব। আমি তাদেরকে ভালবাসি। কিন্তু পছন্দের মানুষ তো পশ্চিমবাংলায় আরো অনেকেই ছিলেন।
সুনীল, সমরেশ, মৃণাল, ঋতিক তাদের ছবিও নিশ্চয়ই বাংলাদেশের অথর্ব নাগরিকদের সহনশীলতা বাড়লে আপনারা টাঙাইবেন।
এখন শিল্পকলা একাডেমি বা যারাই এই ছবি লাগাইছে তারা যে ভারতের শিল্পী সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদের ছবি শিল্পকলার দেওয়ালে প্রদর্শন করতে শুরু করল এইটা সাংস্কৃতিক অপ রাজনীতির অংশ।
আমি সচেতন সংস্কৃতিজীবীদের এই ব্যাপারে সাবধান হইতে বলব।
একই শয়তানিতে লালনের জন্মদিন ভাগ করা হইছে সন্ত কবিরের লগে!
এগুলি বন্ধ করা দরকার।
নতুন ইয়াং পোলাপাইনের পলিটিক্যাল যে এত্তগুলি পার্টি হইল তারা কী বা** ফেলায়!


