আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাঁচলেন দুই আফগান ওপেনার
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ব্যাট হাতে প্রথম দিন দারুণ শুরুর পর শেষদিকে পথ হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার বল হাতে নেমেও শুরুটা প্রত্যাশামতো হলো না নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও ক্যাচের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় টেস্টের শুরুতেই দুইবার জীবন পেয়েছেন আফগানিস্তানের দুই ওপেনার।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি আফগান ওপেনার অটলের। সেই হাসান মাহমুদের ওভারেই কাটা পড়লেন তিনি। অন্যদিকে শহীদুল্লাহর উইকেট তুলে নিয়েছেন ইবাদত হোসেন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৭ ওভার শেষে ৮৪/২। ওপেনার আবদুল মালিককে সঙ্গে নিয়ে উইকেটে টিকে আছে অধিনায়ক রহমত শাহ।
হাসান মাহমুদের করা ইনিংসের প্রথম ওভারে সেদিকউল্লাহ অটলের ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়া বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে। বাংলাদেশের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন অধিনায়ক শান্ত। কিন্তু রিপ্লেতে স্পাইক দেখা না যাওয়ায় রিভিউটি হারায় বাংলাদেশ।
এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের সামনে। অটলের বিপক্ষে বলের গতিপথে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা গেলেও এবার রিভিউ নেননি শান্ত। পরে রিপ্লেতে স্পাইক ধরা পড়ায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে শুরুতেই উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের আরেক ওপেনার আবদুল মালিকও দুবার আউট হওয়ার কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। প্রথমবার তার ব্যাটের স্পর্শ পাওয়া বলটি দুই স্লিপারের মাঝখান দিয়ে চলে যায়। পরে আরেকটি ক্যাচের সুযোগ তৈরি হলেও তানজিদ হাসান তামিমের হাতে পৌঁছানোর ঠিক আগমুহূর্তে বল মাটি স্পর্শ করে।
এর আগে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে চলমান টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রানে গুটিয়ে যায়। প্রথম দিন ২ উইকেটে ২২১ রান তুলে শক্ত অবস্থানে থাকলেও পরবর্তী সময়ে ব্যাটিংয়ে ধস নামে। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে তিনটি উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় দলটি। শেষ আট উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ১২৫ রান।
বাংলাদেশের হয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ৭১ বলে আটটি চার ও চারটি ছক্কায় ৮৩ রান করেন তিনি। তবে সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্কের দেখা পাননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। ইসমত আলমের বলে উইকেটরক্ষক ইকরাম আলিখিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এ ছাড়া সাদমান ইসলাম ৬৭, লিটন দাস ৫৩, মুমিনুল হক ৩৯ এবং অধিনায়ক শান্ত করেন ২৯ রান।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম সাফি। তিনি চারটি উইকেট নেন। ইয়ামিন আহমদজাই তিনটি, ইসমত আলম দুটি এবং কাইস আহমদ একটি উইকেট শিকার করেন।
