ইরান যুদ্ধে লাভ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের, জানালেন ট্রাম্প
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পিএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রোববার মিশিগানে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম ছিল ৪.৮৩ ডলার। ইরানে যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল ২.৯১ ডলার। যুদ্ধের জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল সীমিত করেছে। এতে জ্বালানির দাম আকাশে উঠেছে। তবে এরপরও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার দেশ এই যুদ্ধ থেকে লাভবান হচ্ছে।
ট্রাম্প শুরুতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যুদ্ধ চলবে চার থেকে ছয় সপ্তাহ। কিন্তু প্রায় আট মাস আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই যুদ্ধ শুরু করে। আজও তার শেষের কোনো লক্ষণ নেই। রোববার ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ নিয়ে তার কোনো আফসোস নেই। তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্তটা আমি নিয়েছি। আমি দ্বিতীয়বার ভাবছি না।’
তার ধারণা ছিল, পেট্রলের দাম আরও অনেক বাড়বে। ঝুঁকির কথা বলে তিনি সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তিও দেন। তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র নিঃসন্দেহে ইরান। আমাদের নিশ্চিত করতে হয়েছিল, তারা যেন পরমাণু অস্ত্র না পায়।’
ইরান বলেছে, তারা পরমাণু অস্ত্র চায় না। দীর্ঘদিন ধরে তাদের যুক্তি, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বেসামরিক জ্বালানির জন্য। যুদ্ধের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ‘ধ্বংস করে দিয়েছে’।
জীবনযাত্রার খরচ আর পেট্রলের দাম নিয়ে মানুষ দুশ্চিন্তায়। তবু ট্রাম্প গর্ব করে বলেন, এই যুদ্ধে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো বিপুল লাভ করছে। সরবরাহ শৃঙ্খল চাপে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটেছে, তার কারণে আমাদের দেশ শত শত কোটি ডলার কামাচ্ছে। কারণ তারা আসছে টেক্সাসে, ওকলাহোমায়, লুইজিয়ানায়। সেখান থেকে তেল নিচ্ছে। তারা শত শত কোটি ডলার কামাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, উপদেষ্টারা তাকে এই কথা তুলতে মানা করেছিলেন। কারণ মানুষ এখন ‘একটু বেশি’ দাম দিচ্ছে। তার কথায়, ‘আমি এখনই দেখতে পাচ্ছি ভুয়া শিরোনামটা: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব টাকার কথা বলছেন, আর মানুষ পাম্পে কষ্ট পাচ্ছে। এটাই হবে শিরোনাম। আমি বললাম, আমি পরোয়া করি না। আমি বলবই। আমরা বিশাল সম্পদ কামাচ্ছি।’
