সাফে দ্বিতীয় সারির দলই পাঠাচ্ছে ভারত
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শেষমেশ গুঞ্জনটাই সত্যি হলো। ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য দ্বিতীয় সারির দলই ঘোষণা করেছে ভারত। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এই পথে হাঁটছে, কারণ মূল দল ওই সময়ে ব্যস্ত থাকবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে। দলের দায়িত্বে থাকছেন অনূর্ধ্ব-২৩ দলের প্রধান কোচ নওশাদ মুসা।
শুক্রবার অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) দল ঘোষণা করেছে। টুর্নামেন্টটি ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর। ২০২৩ সালে ভারত শিরোপা জিতেছিল। এবার জিতলে তারা নিজেদের রেকর্ড আরও বাড়াবে। এটি হবে তাদের নবম শিরোপা।
দলে আছেন সিনিয়র দলের নিয়মিত কয়েকজন ও বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড়। লিস্টন কোলাচো, ইরফান যাদওয়াদ ও ব্রিসন ফার্নান্দেস উল্লেখযোগ্য নাম। মুসার সহকারী কোচ বিবিয়ানো ফার্নান্দেস। তিনি সম্প্রতি আজারবাইজানে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের কোচ ছিলেন।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ আছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোর বাইরে পড়েছে। উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। আবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগ এখন চলছে। তাই টুর্নামেন্টের শুরুর ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড় ছাড়তে ক্লাবগুলো বাধ্য নয়।
এআইএফএফের একটি সূত্র জানিয়েছে, কিছু খেলোয়াড় পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগেই ছাড়া পাবেন। বাকিরা গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচ, অর্থাৎ মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলার আগে দলে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের সিনিয়র দল প্রধান কোচ খালিদ জামিলের নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে। এটি ভারতের জন্য ঐতিহাসিক সফর। বিশ্বকাপে খেলা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তারা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ১২ নভেম্বর অকল্যান্ডে এবং ১৫ নভেম্বর ক্রাইস্টচার্চে।
সাফে ভারত আছে গ্রুপ বি-তে। তাদের সঙ্গে আছে পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। ৫ নভেম্বর ভারতীয় সময় বিকেল ৩টায় পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে তারা। ১১ নভেম্বর একই সময়ে খেলবে মালদ্বীপের বিপক্ষে।
প্রত্যেক গ্রুপের সেরা দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। সেমিফাইনাল ১৪ নভেম্বর। ফাইনাল ১৭ নভেম্বর। কয়েকজন প্রথম পছন্দের খেলোয়াড় না থাকলেও চ্যাম্পিয়নরা প্রথম ম্যাচটি পার করতে চাইবে।
২০২৩ সালের আসরে ভারত শিরোপা জিতেছিল। বেঙ্গালুরুতে ফাইনালে কুয়েতের সঙ্গে ১-১ ড্র হয়েছিল। এরপর টাইব্রেকারে জিতে ভারত শিরোপা নেয়।
ভারত স্কোয়াড—
গোলরক্ষক
আর্শ আনোয়ার শেখ, মোহনরাজ কে ও প্রিয়াংশ দুবে।
ডিফেন্ডার
আবদুল রাবিহ, বিজয় ভার্গিস, চিংলেনসানা সিং কনশাম, হমিংথানমাউইয়া রাল্তে, খাইমিনথাং লুংদিম, মুহাম্মদ উভাইস, নাথান রদ্রিগেস, রনি খারবুদন ও সন্দীপ মান্ডি।
মিডফিল্ডার
অভিষেক সূর্যবংশী, অ্যাডিসন সিং থোকচম, ব্রিসন ফার্নান্দেস, এবিনদাস যেসুদাসান, ফারুখ চৌধুরী, ম্যাকার্টন নিকসন, মাঙ্গলেনথাং কিপগেন, নিখিল প্রভু, নওফল পি এন, রিকি জন শাবং ও সুরেশ সিং ওয়াংজাম।
ফরোয়ার্ড
ইরফান যাদওয়াদ, লিস্টন কোলাসো, মুহাম্মদ সুহাইল, বিষ্ণু পি ভি ও সুহাইল আহমেদ ভাট।
