Logo
Logo
×

Advertisement

বাংলার মুখ

পত্নীতলার নজিপুর সরকারি কলেজ

দশ বছরেও চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ অনার্স কোর্স

Advertisement

Icon

মো. আবু সাঈদ, পত্নীতলা

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর সরকারি কলেজে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শিক্ষক সংকট দূর হলেও এখনও পর্যন্ত অনার্স কোর্স চালু হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন কলেজে ইতিমধ্যে একাধিক বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হলেও একমাত্র সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু না হওয়ায় ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে ২০০৭ সালে কলেজে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হলেও আরও ৫টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি ঝুলন্ত অবস্থায় আছে।

জানা গেছে, পত্নীতলা উপজেলা সদর নজিপুর পৌর এলাকায় নজিপুর-ধামইরহাট রোড সংলগ্ন শহরের কেন্দ্রস্থলে ১ জানুয়ারি ১৯৭৩ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১ জুলাই ১৯৮৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ কলেজটি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। বর্তমানে কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি ও রসায়ন বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি ঝুলে আছে। কলেজে বর্তমান ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। কলেজে ৪৩ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩৪ জন। এছাড়া মাস্টাররোলে ১৩ জন কর্মচারী নিয়োগ করে কলেজে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মো. ময়েজউদ্দীন বলেন, অনার্স কোর্স চালু না হওয়ায় উচ্চশিক্ষা লাভের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে অন্য কলেজে ভর্তি হতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। কলেজের অধ্যক্ষ মো. সামসুল হক বলেন, কলেজে পদ সংখ্যানুযায়ী শিক্ষক রয়েছে। শিক্ষার সব পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। বাংলা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হওয়ার পথে। আগামী বছরে এ দুটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হবে বলে আশা করছি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

নেত্রকোনায় রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প কাজের আগেই বিল

কাজের আগেই বিল

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে এক ঘণ্টায় পরিপাটি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে এক ঘণ্টায় পরিপাটি

বৃক্ষমানব কামালের জীবনযুদ্ধ হাঁটতে পারেন না তবুও গাছ বেয়ে চলে জীবিকা

হাঁটতে পারেন না তবুও গাছ বেয়ে চলে জীবিকা

বৃক্ষমানব একরামুলের জীবনযুদ্ধ এক পা অচল অন্যটিও দুর্বল তবুও অদম্য

এক পা অচল অন্যটিও দুর্বল তবুও অদম্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম