Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার বিতরণ

‘বই পড়লে মন আলোকিত ও সজীব হয়’

Advertisement

Icon

সাংস্কৃতিক রিপোর্টার

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

‘বই পড়লে মন  আলোকিত ও সজীব হয়’

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথিরা

Advertisement

‘বই পড়লে মন সজীব ও আলোকিত হয়। এর ফলে কঠিন জিনিসকেও হাসতে হাসতে মনের ভেতর নেয়া যায়। শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছেলেমেয়েরা যাতে ভবিষ্যতে জিপিএ-৫ নির্ভর না হয়ে মানবিক, সাংস্কৃতিক ও আলোকিত এবং উচ্চমূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। বইপড়া ও সুস্থ সাংস্কৃতিকচর্চার মধ্য দিয়ে যাতে তারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও আলোকিত দেশে রূপান্তর করতে পারে।’

শুক্রবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বইপড়া কর্মসূচি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একাদশ শ্রেণির বইপড়া কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগরের সেরা ২১টি কলেজসহ কেন্দ্রভিত্তিক বইপড়া কর্মসূচির ৫৭৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর, আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি শাহ মো. মঈনউদ্দিন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ও অবসরপ্রাপ্ত সচিব আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এ সময় শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, তোমরা যারা বইগুলো পড়েছ, তারা নিশ্চয়ই অনেক আনন্দের মধ্য দিয়ে সাহিত্যের গভীরতর রহস্য উদঘাটন করেছ।

বই পড়ার কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বই পড়লে মন সজীব ও আলোকিত হয়। এর ফলে কঠিন জিনিসকে তুমি হাসতে হাসতে মনের ভেতর নিতে পার। তিনি বলেন, পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে সাহিত্য ও উচ্চতর জীবনে ডুব দিয়ে ঐশ্বর্যময় রূপে নিজেকে ভরে তুলতে হবে। যাতে তোমাদের সুন্দরে বাংলাদেশ আরও সুন্দর হয়।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেক কিছু হতে চায়। ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করার স্বাধীনতা তাদের দিতে হবে। আমাদের শিক্ষক, অভিভাবক সবার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আমাদের ছেলেমেয়েরা যাতে ভবিষ্যতে জিপিএ-৫ নির্ভর না হয়ে মানবিক, সাংস্কৃতিক ও আলোকিত এবং উচ্চমূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। যাতে তারা বইপড়া ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও আলোকিত দেশে রূপান্তরিত করতে পারে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়ার মতো ভালো কার্যক্রমের সফলতা কামনা করেন শাহ মো. মঈনউদ্দিন। ভবিষ্যতেও এমন সুন্দর কার্যক্রমের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এমন মহৎ কাজের সঙ্গী হওয়ায় আইএফআইসি ব্যাংককে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ২৪ লাখ ৫০ হাজার ছাত্রছাত্রী বইপড়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। আগামীতে সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইপড়া কর্মসূচি সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অসুস্থ প্রতিযোগিতার বিপরীতে বইপড়ার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন। আইএফআইসি ব্যাংকের সৌজন্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

Advertisement

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

Advertisement

আরও পড়ুন

ভক্ষকের ভূমিকায় রক্ষকও মাদকের ভয়াল গ্রাসে রাজধানী

মাদকের ভয়াল গ্রাসে রাজধানী

জামাইকে হত্যার পর কুড়াল কাঁধে ঘুরছিলেন শ্বশুর

জামাইকে হত্যার পর কুড়াল কাঁধে ঘুরছিলেন শ্বশুর

পাখির কোলাহলে মুখর চলনবিল

পাখির কোলাহলে মুখর চলনবিল

ট্রাম্পকে নিয়ে ইরান ‘নিশ্চিহ্ন’ করার ছক নেতানিয়াহুর

ট্রাম্পকে নিয়ে ইরান ‘নিশ্চিহ্ন’ করার ছক নেতানিয়াহুর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম