কুইক রেন্টাল ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের প্রস্তাব সিপিডির
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কুইক রেন্টাল ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র দায়মুক্তি আইন (পাওয়ার প্ল্যান্ট ইনডেমনিটি অ্যাক্ট) বাতিল এবং বিদ্যুৎ খাতের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তাব দেওয়া হয়। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে বুধবার আলোচনাসভায় এসব বিষয় তুলে ধরে সিপিডি।
আলোচনাসভার বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশে জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ : একটি নাগরিক ইশতেহার’। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ-সদস্য তানভীর শাকিল জয়, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম তামিম, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
এ সময় তিনি জ্বালানি রূপান্তরে সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে ভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়। সিপিডির স্বল্পমেয়াদি প্রস্তাব বাস্তবায়নের সময়সীমা আগামী জুন। এতে রয়েছে-জ্বালানির চাহিদা পূর্বাভাস সংশোধন করা, জ্বালানির মূল্য পরিশোধ স্থানীয় মুদ্রায় করা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বান, সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) সামগ্রীতে শুল্ক কমানো, বায়োগ্যাস ব্যবহার করা ইত্যাদি। মধ্যমেয়াদি প্রস্তাব আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়। এসব প্রস্তাবে রয়েছে কুইক রেন্টাল ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিল করা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অন্তর্ভুক্ত করা, অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রাসহ সমন্বিত জ্বালানি নীতি গ্রহণ, প্রকৌশলীদের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে জাতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা, পাওয়ার প্ল্যান্ট ইনডেমনিটি অ্যাক্ট বাতিল। এছাড়া জ্বালানির জন্য আলাদা সেল করা, টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এবং বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিইআরসি) শক্তিশালী করাসহ দীর্ঘমেয়াদি একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে সিপিডি।
মূলপ্রবন্ধে ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নির্বাচনে জ্বালানির গুরুত্ব আগেও ছিল, আগামী দিনেও থাকবে। বিগত কয়েকটি নির্বাচনের ইশতেহার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দলগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি আমদানিতে মনোযোগী। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে তাদের মনোযোগ কম। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রতিটি খাতের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে বিদ্যুৎ খাতের ওপর। অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
