Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

সিপিডি ও অক্সফামের সংলাপ

ত্রাণ বিতরণে অনেক স্থানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত

Advertisement

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ত্রাণ বিতরণে অনেক স্থানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত

Advertisement

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যে ত্রাণের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের হিসাব যথাযথভাবে করা হয়নি। এমনকি যাচাই-বাছাই না করে ত্রাণ বিতরণের কারণে অনেক স্থানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হচ্ছেন। অনিয়ম পাওয়া গেছে বিতরণেও। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও অক্সফামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংলাপে মঙ্গলবার এসব তথ্য উঠে আসে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় এ সংলাপের বিষয় ছিল ‘করোনা ও বন্যা মোকাবেলায় ত্রাণ কর্মসূচি : সরকারি পরিষেবার কার্যকারিতা’। সিপিডির বিশেষ ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম, রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসান। এতে বক্তব্য রাখেন সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মোস্তফা আমির সাব্বিহ।

প্রতিবেদনে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। সংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, অক্সফাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. দীপঙ্কর দত্ত, আরডিআরএস বাংলাদেশের পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান। করোনা ও বন্যায় রংপুর অঞ্চলের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে আলোচনা হয়। এক্ষেত্রে ত্রাণ বিতরণে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন সমন্বয়হীনতার বিষয়টি উঠে আসে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যায় ত্রাণ (চাল ও নগদ) বিতরণের ক্ষেত্রে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা অনেক ক্ষেত্রেই ত্রাণ পাননি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরিচিত এমন লোকেরা বারবার সহায়তা পেয়েছে। এছাড়া বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিতকরণ, চাহিদা নিরূপণের জন্য কোনো সরকারি ত্রাণ কর্মকর্তা সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং এলাকা পরিদর্শন করেননি। এ করোনাকালেই শুধু নয়, অন্য স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও তারা পরিদর্শন করেন না। দুর্গম চর এলাকায় পরিষদের চেয়ারম্যান যান না। স্বল্প দারিদ্র্যের অঞ্চলে অধিক সংখ্যক পরিবার এ সুবিধার আওতায় ছিল। এর মধ্যে নীলফামারী, চাঁদপুর ও গোপালগঞ্জ রয়েছে। আর কুড়িগ্রাম, জামালপুরের মতো উচ্চ দারিদ্র্যের অঞ্চলে কম সংখ্যক পরিবার এ সুবিধার আওতায় ছিল। যেসব এলাকায় বেশি সংখ্যক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (যেমন- জামালপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ) সেখানকার কম সংখ্যক পরিবার এ সুবিধার আওতায় ছিল। অন্যদিকে চাঁদপুর ও গোপালগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও একশ’ ভাগের বেশি পরিবার এ সুবিধার আওতায় ছিল।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সরেজমিন পুরান ঢাকা হাত বাড়ালেই মাদক

হাত বাড়ালেই মাদক

দুর্গাপূজার বার্তা সর্বজনীন, সব সম্প্রদায়ের জন্য: রিজভী

দুর্গাপূজার বার্তা সর্বজনীন, সব সম্প্রদায়ের জন্য: রিজভী

এফআইসিসিআই’র আলোচনায় অর্থমন্ত্রী দুই বছরেই স্থিতিশীল হবে অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত

দুই বছরেই স্থিতিশীল হবে অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত

পরিসংখ্যান দিবস আজ তথ্যের বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পারেনি বিবিএস

তথ্যের বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পারেনি বিবিএস

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম