Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

এ বাজেটও কি গতানুগতিক হবে?

Advertisement

Icon

মুঈদ রহমান

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এ বাজেটও কি গতানুগতিক হবে?

Advertisement

প্রতি অর্থবছরের জুন মাসের শুরুর দিকে জাতীয় বাজেট প্রস্তাব আকারে সংসদে উপস্থাপিত হয়। মাসভর নানা আলোচনা শেষে কিছুটা পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজনের মধ্য দিয়ে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে বাজেটটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। এবারের বাজেট সংসদে ৯ জুন উপস্থাপিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে ৬ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থাৎ চলতি বছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা এবং এরও আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ছিল ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। এরপর থেকে প্রতিবছরই বাজেটের আকার বেড়ে বেড়ে কয়েক লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ১৯৭২ সালের বাজেট জিডিপির প্রায় ৬ শতাংশ হলেও গত কয়েক বছরে তা গড়ে ১৮ শতাংশ।

স্বাধীনতার পর গত ৫০টি বাজেটের প্রতিটিরই আকার পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় বেড়েছে; কিন্তু বাজেটের গুণগত কোনো পরিবর্তন হয়নি। নির্দিষ্ট কোনো খাতের ব্যয় বেড়েছে মাত্র। যেমন, পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বেতন-ভাতায় সরকারের ব্যয় ছিল ২৮ হাজার ৮২০ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে তা বেড়ে হয় ৬৯ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে ৭৬ হাজার ৪১২ কোটি টাকা করার পরিকল্পনার কথা জানা গেছে। এই বাড়তি ব্যয় অন্যান্য খাতেও দেখা যাবে, তবে বাজেট প্রণয়নের কোনো দর্শনভিত্তি গত ৫০টি বাজেটে লক্ষ করা যায়নি।

যে কোনো দেশের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে আর্থিক সংগতিকে আমলে নেওয়া হয় এবং এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আর্থিক সংগতির পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্নও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, আমরা কোথায় ব্যয় করব, কেন ব্যয় করব, কী পরিমাণ ব্যয় করব? তার মানে হলো, অর্থব্যয়ে আমাদের উদ্দেশ্য কী। জনগণের টাকায় পরিচালিত বাজেট যদি মাত্র ১ শতাংশের একটি ক্ষুদ্র (ধনিক) শ্রেণির স্বার্থে প্রণীত ও বাস্তবায়িত হয়, তাহলে তা সমগ্র জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে না। সেক্ষেত্রে বাজেট হবে জনমুখীর পরিবর্তে একটি ক্ষুদ্র শ্রেণিমুখী বাজেট, যা আমরা গত পাঁচ দশক ধরে দেখে এসেছি। অধ্যাপক আবুল বারকাতের ভাষায়, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর অতিক্রান্ত বাজেট’ আমরা বৈষম্যহীন আলোকিত মানুষসমৃদ্ধ সমাজ গঠনের উদ্দেশে প্রণয়ন করব, নাকি বাজেটসহ সবকিছুই আমরা নব্য উদারবাদী মতাদর্শের মুক্তবাজার আর করপোরেট-স্বার্থীয় সাম্রাজ্যবাদী নিয়ন্ত্রকদের বিশ্বায়নের হাতে ছেড়ে দেব-এ সিদ্ধান্তটি নিতে হবে। অন্যথায় আমরা গতানুগতিকতার মধ্যেই থেকে যাব। জিডিপি বাড়লেও বাড়তে পারে; মাথাপিছু আয় বাড়লেও বাড়তে পারে; কিন্তু বৈষম্য-অসমতা নিরসন হবে না, হবে না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা অভীষ্ট বাস্তবায়ন।’ দেশে বৈষম্য-দারিদ্র্যের বিপজ্জনক প্রবণতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, শোভন কর্মবাজারের সংকোচন, একইসঙ্গে এই প্রবণতায় করোনাকালীন এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অভিঘাত, অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের বাজেটসহ সব উন্নয়ন দলিলে কয়েকটি বিষয় খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। গত ২২ মে অর্থনীতি সমিতির ব্যানারে অধ্যাপক বারকাতের বিকল্প বাজেট কিন্তু স্পষ্ট লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সংবলিত ছিল। অধ্যাপক বারকাতের বিকল্প বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্য হলো-পূর্ণ কর্মনিয়োজন, শিশুর জন্য সুস্থ জীবন, সবার জন্য আবাসন, মূল্যস্ফীতি রোধ।

মনে রাখতে হবে, বাজেট হচ্ছে লক্ষ্য পূরণের মাধ্যম মাত্র, তাই লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা জরুরি, তারপর বাজেট। ‘শোভন অর্থনীতি ব্যবস্থায়’ এ ধরনের বাজেট প্রণয়নের মাধ্যমে আয় ও সম্পদ বণ্টনে ন্যায্যতা বাড়বে, বৈষম্য দূর হবে, তথাকথিত কৃচ্ছ্রসাধনের প্রয়োজন হবে না, অর্থনীতিতে মোট চাহিদা বাড়বে, উৎপাদন বাড়বে, যা ইচ্ছা তা-ই উৎপাদন করা যাবে না (যেমন পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্য হানিকর ওষুধপত্র, অপসংস্কৃতি ইত্যাদি), পূর্ণ কর্মনিয়োজন নিশ্চিত হবে, কোনো ধরনের ঘাটতি বা ঋণ নিয়ে ভাবতে হবে না। কিন্তু শোষণভিত্তিক-ব্যক্তিস্বার্থনির্ভর-লোভ-লালসাভিত্তিক-মুনাফা উচ্ছিষ্ট পুঁজিবাদ এসব পারবে না। এর জন্য প্রয়োজন ‘শোভন ব্যবস্থাপনা’। এই শোভন ব্যবস্থাপনা বিনির্মাণ করতে চাই শোভন অর্থনৈতিক ও শোভন সামাজিক কর্মকাণ্ড, যা কিনা একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রশ্ন। সেক্ষেত্রে অর্থনীতি সমিতি দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করে, মুক্তিযুদ্ধের শুভ চেতনায় বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব; যৌক্তিক, নৈতিক, মানবিক-সব বিচারেই তা সম্ভব; সম্ভব এদেশের দ্রুত কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন; সম্ভব উন্নত আলোকিত বাংলাদেশ গড়া; সম্ভব বৈষম্যহীন সমাজ গড়া; সম্ভব অসাম্প্রদায়িক মানবসমাজ সৃষ্টি করা। অধ্যাপক আবুল বারকাতের উপস্থাপিত বিকল্প বাজেটের নৈতিক ভিত্তি ও দর্শন ভিত্তি নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকার কথা নয়, অন্ততপক্ষে ম্বাধীনতার সনদপত্রে উল্লিখিত মূলনীতি-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা যদি আমাদের স্মরণে থাকে। তবে এর আকার ও বাস্তবায়ন নিয়ে কারও মনে সংশয় জাগতেই পারে। এর চেয়েও বড় প্রশ্নটি হলো রাজনৈতিক মতাদর্শের। আমাদের রাজনীতিতে যে সংস্কৃতি বিরাজ করছে, অর্থনীতিতে যে অব্যবস্থাপনা চলছে, প্রশাসনে যে দুর্নীতি ও অনিয়ম চলছে, তা রাতারাতি মিলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং শাসকগোষ্ঠীর তা থেকে বের হয়ে আসার ইচ্ছাও নেই। তাই অধ্যাপক আবুল বারকাতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আগামী বাজেট কোনোভাবেই জনমুখী হবে না, হবে একেবারেই গতানুগতিক একটি বাজেট।

চলমান সময়ে আমাদের একটি অশোভন সরকার-কাঠামোর মধ্যেই জীবনযাপন করতে হবে। কেননা, প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে উপড়ে ফেলার মতো কোনো সংগঠিত প্রক্রিয়া বর্তমানে উপস্থিত নেই, ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যৎই বলতে পারবে। এ অবস্থায় শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন হলেও শাসন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসার কোনো সুযোগ নেই। এই হতাশাকে মেনে নিয়েই প্রতিবছর আমরা বাজেট নিয়ে দু-চারটা কথা বলি।

করোনা অতিমারি এবং পরবর্তী সময়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টি করেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব আমাদের দেশেও পড়েছে, পড়ছে। তাই বাজেট প্রণয়নের প্রাক্কালে সরকারকে কয়েকটি চ্যালেঞ্জ আমলে নিতে হবে। প্রথমত, ডলার সংকট। ২০০১ সালে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৯০ কোটি ডলারে নেমে গিয়েছিল। সে অবস্থা থেকে উন্নীত হয়ে ২০২১ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে। তারপর আবার কমতির দিকে গিয়ে ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলারে নামে এবং এখন তা ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে আমদানি ব্যয় হবে ৮২ বিলিয়ন ডলার। এর বিপরীতে রপ্তানি আয় হবে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে যোগ হবে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয়। তারপরও আমাদের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি থেকে যাবে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ বিলিয়ন ডলারে নেমে যেতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডলার সংকটের একমাত্র কারণ আমদানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নয়, অর্থ পাচারও অনেকাংশে দায়ী। আমদানিতে ওভার-ইনভয়েসিং যাতে না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়াতে হবে। তাছাড়া প্রবাসী আয়ের ওপর প্রদেয় আড়াই শতাংশ প্রণোদনা আরও ১ শতাংশ বাড়িয়ে সাড়ে ৩ শতাংশ করার পক্ষে কেউ কেউ মত দিয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, মূল্যস্ফীতি। ক্রমাগত মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। এ সংক্রান্ত সরকারি তথ্যে বিভ্রান্তি আছে। সরকার বলছে, মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে তা ১২ থেকে ১৫ শতাংশ। সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবিও বলছে-চাল, ডাল ও তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ। সুতরাং প্রকৃত তথ্য না পেলে কোনো নীতি প্রণয়নই কাজে আসবে না। কেন মূল্যস্ফীতি বাড়ছে তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে।

তৃতীয়ত, জ্বালানি সংকট। আমাদের জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার একটি বড় অংশ সাজানো হয়েছে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করে। গত বছরের শেষদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে স্পট মার্কেটে পণ্যটির দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ৫৫ ডলারে উঠে যায়। এর মধ্যে শুরু হয় ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। জ্বালানির বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। শেষতক প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮ ডলারে। শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারিভাবে জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে কারখানা সচল রাখাই দুরূহ হয়ে পড়বে। এজন্য বিশেষ করে বস্ত্র, সিরামিক ও ইস্পাতের মতো ভারী শিল্পে আশঙ্কা বিরাজ করছে।

চতুর্থত, কর-জিডিপি অনুপাত। আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত খুবই কম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও কর-জিডিপির গড় অনুপাত ১৫ শতাংশ, যেখানে আমাদের ৮ শতাংশেরও কম। গবেষকরা মনে করেন, এই হার অন্তত ২২ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন। এর জন্য সম্পদ কর আরোপসহ কর-কাঠামোকে সম্প্রসারিত করতে হবে। কর আহরণে দক্ষতা বাড়াতে হবে, পাশাপাশি আহরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করতে হবে। এটা সম্ভব। অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেটে এমন ২৭টি উপখাতের উল্লেখ আছে, যার ওপর নতুনভাবে করারোপ করে সরকার বর্তমান আয়কে তিনগুণ বাড়াতে পারে। উপায় বাৎলে দেওয়া আছে, যা কার্যকর করার দায়িত্ব সরকারের।

উল্লিখিত চারটি চ্যালেঞ্জের বিপরীতে একটি সুযোগও সরকারের কাছে রয়েছে। আমরা জানি, কর্মক্ষম জনগেষ্ঠীর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হলো ১৫ বছর থেকে ৬৪ বছর বয়সি জনসংখ্যা। এটাকে বলে জনমিতি ডিভিডেন্ট বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট। আশার কথা, এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট আমাদের অনুকূলে আছে। আমাদের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৬ শতাংশ এই স্তরে অবস্থান করছে। আমরা যদি প্রকৃত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে তুলতে পারি, তাহলে উৎপাদনশীলতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। অদক্ষ শ্রমিকের পরিবর্তে দক্ষ শ্রমশক্তি রপ্তানির সুযোগ বাড়বে। এর জন্য প্রয়োজন সরকারের সুষ্ঠু পরিকল্পনা।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

বাজেট

Advertisement

আরও পড়ুন

শতফুল ফুটতে দাও পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

অন্যমত ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম