Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

শতফুল ফুটতে দাও

পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

Advertisement

Icon

ড. মাহবুব উল্লাহ্

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন পরিচ্ছন্নতাপ্রিয় মানুষ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি রাজধানী ঢাকাসহ সামগ্রিকভাবে গোটা দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এটা নিছক লোকদেখানো কোনো ব্যাপার নয়। তিনি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করেন, দেশটাকে ছবির মতো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘরবাড়ি, আবাসস্থল, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং হাট-বাজার, পথ-ঘাট ও মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, আমাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অলঙ্ঘনীয় শর্ত। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আমাদের মনকে স্ফূর্তিতে ভরে তোলে, আমরা আমাদের কাজকর্ম সম্পন্ন করতে পারি ফুরফুরে মেজাজে। পরিচ্ছন্নতা সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। দেশটিকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারলে বিদেশি পর্যটকরাও আমাদের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং পর্যটন খাত থেকে প্রচুর আয় উপার্জন করা সম্ভব হবে। পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজন শুধু সুন্দর স্বাস্থ্য ও জীবনযাপনের জন্য নয়, এর প্রয়োজন বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে একটি সংস্কৃতিমান জাতি হিসাবে তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের গৌরব ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা।

বাংলাদেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে কোনো অপরিচ্ছন্ন মানবগোষ্ঠী নয়। একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশে নগরায়ণের সূচনা হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিভ্রমণ করত না বললেই চলে। এদের বৃহদংশ যে গ্রামে জন্মগ্রহণ করত, সেই গ্রামেই জীবনযাপন করত এবং সেই গ্রামের মাটিতে দেহ রাখত। বাংলাদেশ ছিল একটি কৃষকসমাজ। কৃষকদের ঘরবাড়ির যে ছবি আমরা বর্ণানামূলক ইতিহাস থেকে অথবা বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ থেকে পাই, তাতে দেখা যায়, গ্রামীণ ঘরবাড়িগুলো ছিল অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। গরিব কৃষকদের স্ত্রীরা ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে খুবই যত্নশীল ছিল। মাটির ভিটার ওপর তৈরি ঘরের মেঝে কয়েকদিন পরপর লেপে-পুছে সুন্দর ঝকঝকে রাখা ছিল তখনকার গৃহপরিচর্যার অঙ্গ। কবির কবিতায় নিকানো উঠোনের চিত্রও আমরা দেখতে পাই। অতীতের গ্রামগুলোয় আজকালকার মতো পানীয় জলের টিউবওয়েল ছিল না। জমিদার কিংবা সমাজের উদ্যোগে প্রায় প্রতি গ্রামে অথবা একাধিক গ্রাম মিলিয়ে সংরক্ষিত পুষ্করিণী খনন করা হতো। সেই পুষ্করিণীতে মানুষজন অথবা গবাদি পশুর স্নান ছিল নিষিদ্ধ। এ পুষ্করিণীগুলোর উঁচু বাঁধানো পাড় থাকত, যার ফলে চারদিকের নোংরা পানি সংরক্ষিত পুষ্করিণীতে ঢুকতে পারত না। এই পুষ্করিণীর পানি ছিল গ্রামবাসীর পানীয় জলের উৎস। এতটা সাবধানতা অবলম্বন করা সত্ত্বেও কলেরা-বসন্তের মতো মহামারি দেখা দিত। পানীয় জলের মাধ্যমে পানিঘটিত রোগ, যেমন-আমাশয়, উদরাময়, কলেরা ও টাইফয়েড ছড়িয়ে পড়ত। এসব রোগের বিজ্ঞানসম্মত কোনো চিকিৎসা ছিল না। ফলে মহামারি এবং ছোঁয়াচে রোগে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটত। গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত। এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির ফলে। এখন কলেরার ভালো চিকিৎসা আছে। গুটিবসন্ত সারা পৃথিবী থেকে সফলভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। সত্তরের দশকের প্রথমদিকে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে পরিচালিত গুটিবসন্ত নির্মূল অভিযান আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। সেসময় তথ্য প্রচারের সুযোগ এখনকার মতো ছিল না। রেডিও-টেলিভিশন থাকলেও তার ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল সীমিত। মানুষের কাছে গুটিবসন্ত-সংক্রান্ত তথ্য প্রচারের জন্য ঢোল-মহরথ এবং ডুগডুগির ব্যবহার করা হতো গ্রামীণ হাট-বাজারে। এমনকি কোনো দুর্গম এলাকাও এ প্রচার কার্যের বাইরে থাকেনি। সেই সত্তরের দশকের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ গুটিবসন্তমুক্ত হয়। একই সঙ্গে গোটা বিশ্বের সব দেশে এ অভিযান পরিচালনার ফলে বিশ্বের সব এলাকা থেকে গুটিবসন্ত নির্মূল করা সম্ভব হয়।

এখন দেশের বেশির ভাগ মানুষের জন্য পানীয় জলের উৎস হলো টিউবওয়েল। যতই দিন যাচ্ছে টিউবওয়েলের পানিও মানুষের পানের জন্য অকেজো হয়ে পড়ছে, আর্সেনিক দূষণের ফলে। বাংলাদেশে নদীনালাগুলো শুকিয়ে যাওয়া এবং সামগ্রিকভাবে দেশের পানি প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার ফলে ভূগর্ভস্থ পানিতেও দূষণ বাড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য একদিকে ভারত কর্তৃক ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি প্রবাহ রুদ্ধ করে দেওয়া এবং এর পাশাপাশি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আমাদের জীবনযাপনকে বিঘ্নসংকুল করে তুলেছে। সবকিছু মিলিয়ে বলতে হয়, আমাদের জীবন ও স্বাস্থ্যে যে সংকট নেমে এসেছে, তার একটি প্রধান কারণ পরিচ্ছন্নতার অভাব। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে-Cleanliness is next to Godliness. ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায়, অর্থাৎ আল্লাহর দরবারে হাজির হয়, তখন তাকে দ্ব্যর্থহীনভাবে পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতার নিয়মাবলি মেনে চলতে হয়।

অস্বীকার করার উপায় নেই, সময়ের বিবর্তনে বাংলাদেশ তার পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর মূর্তি হারিয়ে যেতে বসেছে। এর একটা বড় কারণ, জনসংখ্যার ব্যাপক বৃদ্ধি। এ অবস্থায় ব্যাপক মানুষকে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করতে হয়, আশপাশের পরিবেশ নিয়ে সে ভাবার ফুরসত পায় না। দারিদ্র্য এ ফুরসতকে আরও অপ্রতুল করে তুলেছে। এছাড়া মানুষের অপরিচ্ছন্নতার প্রতি নিরুদ্বিগ্নতার জন্য অর্থনীতিবিদরা দায়ী করেন বাহ্য প্রভাব বা Externalityকে। এ প্রভাবের কারণে মানুষ যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে। তারা মনে করে, তাদের এ কাজের জন্য তাদের কোনো করমের কুফল ভোগ করতে হবে না এবং এ কুফলসৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির দায়ও তাদের নিতে হবে না। যদি এমন কোনো ব্যবস্থা করা যায়, যার ফলে অপরিচ্ছন্নতা সৃষ্টিকারীকে তার আর্থিক দায় বহন করতে হবে, তাহলে এ প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। একেই বলে Polluters pay Principle। তবে বুঝতে হবে, এ নীতি বাস্তবায়নের জন্যও বিপুল অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন। এরকম ব্যবস্থা সরকারিভাবে করতে গেলে তা দুর্নীতি ব্যবস্থাটিকে অনেকটাই অকেজো করে ফেলতে পারে। এজন্য সামাজিক সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের দেশটাকে পরিচ্ছন্ন করে তুলতে প্রয়াস নিতে হবে। বিশ্বের যেসব দেশে গিয়েছি, সেসব দেশের মধ্যে সিঙ্গাপুর ও গণচীনকে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সাজানো-গোছানো দেশ বলে মনে হয়েছে। এ দেশ দুটির দৃশ্য দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। ফ্লাওয়ার বেডগুলো এমন জ্যামিতিক বিন্যাসে সাজানো যে, দেখলে মনে হবে, কোনো নিপুণ শিল্পীর হাত দিয়ে এগুলো তৈরি হয়েছে। সিঙ্গাপুরে প্রথমবার আমি গেয়েছিলাম ১৯৭৬-এ। সিঙ্গাপুর রাষ্ট্রটি মালয়েশিয়া থেকে আলাদা হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৬৫ সালে। এর প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন পিপলস অ্যাকশন পার্টির নেতা লি কুয়ান ইউ। সিঙ্গাপুর ছিল একটি জেলেপল্লি। সেই জেলেপল্লিকে লি কুয়ান ইউ পরিণত করেন একটি পরিচ্ছন্ন আধুনিক দ্বীপরাষ্ট্র হিসাবে মাত্র ১৫ বছরে মধ্যে। সিঙ্গাপুরের আইনের কঠোর, নিরপেক্ষ ও ব্যত্যয়হীন প্রয়োগ দেশটিকে একটি আধুনিক পরিচ্ছন্ন নগররাষ্ট্রে পরিণত করে। সিঙ্গাপুর একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশও বটে। সেখানে যে যত উচ্চ পদে থাকুক না কেন, তাকে জবাবদিহি করতে হয়। চীনে কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ শাসনক্ষমতা সত্ত্বেও এ পার্টি দেশ পরিচালনায় অবিরত গ্রাম ও শহরের নাগরিক সম্প্রদায়ের সম্মতির ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করে। সেখানেও বিশাল জনগোষ্ঠী সত্ত্বেও রাষ্ট্র আইন প্রয়োগে বাছবিচার করে না। এর ফলে গড়ে উঠেছে আধুনিক সমৃদ্ধ ও দৃষ্টিনন্দন চীন। তবে চীনের শতসহস্র বর্ষের সভ্যতার ঐতিহ্য দেশটিকে একটি সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে পটভূমি হিসাবে কাজ করেছে।

গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সাড়ে ৪ ঘণ্টায় রাজধানীর ১৩টি স্থান পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শুরু হয়ে পরিদর্শন চলে বেলা ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত। এ পরিদর্শনটি ছিল আকস্মিক। এ সময় রাজধানীর ৪টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান. ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩টি সরকারি আবাসিক এলাকা এবং মিরপুরের হকার উচ্ছেদ করা ফুটপাত পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, রোগী, আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিভিন্ন স্থানে সেবার মান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। কক্ষটি অপরিচ্ছন্নও ছিল। এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম আজিজুল হককে এ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পরে রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ আকস্মিক পরিদর্শন নিয়ে নানামাত্রিক আলোচনা আছে। কেউ কেউ মনে করেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বেতনভুক পরিচ্ছন্নাতা কর্মী রয়েছে। এদের দেখভাল করার জন্য রয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কিনা, তার নিশ্চয়তা বিধান করবে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের হাতে অনেক আইনি অস্ত্র আছে। সুতরাং কাজ আদায় করে নেওয়া তাদের জন্য অসম্ভব কিছু হওয়ার কথা নয়। তা সত্ত্বেও আমাদের হাসপাতালগুলো বেশ নোংরা এবং এগুলোর টয়লেট ব্যবহারের যোগ্য নয়। কর্তৃপক্ষের লোকজন হয়তো বলবেন, অনেক রোগীর চাপের ফলে পরিচ্ছন্নতার মান বজায় রাখা যায় না। তবে বর্তমান জনবল দিয়ে যতটুকু করা সম্ভব, সেটাও করা হয় না। হাসপাতালগুলোয় দালালদের দৌরাত্ম্য চিকিৎসাপ্রত্যাশীদের কীভাবে পর্যদস্ত করে, তা বলাই বাহুল্য। ঢাকা শহরের পথঘাটগুলো আবর্জনা ও জঞ্জালে পরিপূর্ণ। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে কয়েক হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী আছে। তাদের কাজের জবাবদিহিতা আছে বলে মনে হয় না। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নাগরিকদের অসচেতনতা ও দায়িত্বহীনতা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা শহর এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচ্ছন্ন করে তোলার জন্য স্ব-উদ্যোগী হয়ে যে ভূমিকা পালন করছেন, তা প্রশংসনীয়। আমাদের দেশে অনেক ভালো কাজ হয় না উদ্যোগের অভাবে। যদি সঠিক উদ্যোগ থাকে, বিশেষ করে সে উদ্যোগ যদি আসে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে, তখন সমাজে একটি ঝাঁকুনি সৃষ্টি হওয়া অনিবার্য। জনাব তারেক রহমান অফিস-আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিত থাকা নিশ্চিত করতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে। কথায় বলে, আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শেখাও। তারেক রহমান সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন। আকস্মিক পরিদর্শনের এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে সমাজের অভ্যন্তরেই পরিচ্ছন্নতা রক্ষার ইচ্ছা অনেক দৃঢ় হবে এবং গভীরে পৌঁছাবে। এখন প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিকতা এবং শিশু-কিশোর, আবালবৃদ্ধবনিতা সবার মধ্যে পরিচ্ছন্নতার জন্য আকুলতার সৃষ্টি। তা হলেই দেশে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টিতে একটি টেকসই অবস্থা তৈরি হবে। দেশের জন্য একটি চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। জনাব তারেক রহমান বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করে দেশ পরিচালনায় তার নিষ্ঠার দৃষ্টান্ত রেখেছেন। তার এই উদ্যোগকে বাঁকা চোখে দেখার সুযোগ নেই।

ড. মাহবুব উল্লাহ : জাতীয় অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

শতফুল ফুটতে দাও পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

পরিচ্ছন্ন ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

ইতিহাসের বয়ান বদলাবে কবে

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

উচ্চশিক্ষায় সংখ্যা নয়, গুণগত মানই মুখ্য

অন্যমত ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম