Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

অনন্তের প্রতিবিম্ব : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ মনুমেন্ট

Advertisement

Icon

ড. এ এসএম মাকসুদ কামাল

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২২, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

অনন্তের প্রতিবিম্ব : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ মনুমেন্ট

Advertisement

১৯১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই।

ব্রিটিশ শাসনাধীনে এ অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে আলোকিত ও সমৃদ্ধ করার মহান ব্রত নিয়ে যাত্রালগ্ন থেকে এ প্রতিষ্ঠান ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যমণ্ডিত দায়িত্ব পালন করে চলছে।

এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিটির রিপোর্টে (১৯১৩) বলা হয়েছিল, একটি অগ্রগণ্য শিক্ষাভিত্তিক ও আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত এটি উপলব্ধি করা হবে না যে, এর দায়িত্ব হলো জ্ঞানের অগ্রগতি সাধন করা এবং শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষা প্রদান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য তার দ্বিতীয় সমাবর্তন বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আমি আশা করছি, এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তোমরা লেখাপড়ার চেয়েও বেশি কিছু শিখেছ। এই বিশ্ববিদ্যালয় তোমাদের মধ্যে সেই ইচ্ছাশক্তির জাগরণ ঘটিয়েছে, যা তোমাদের শত সমালোচনা-নিন্দা-উপহাসকে উপেক্ষা করে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকার সাহস জোগাবে।’

এরই ধারাবাহিকতায় বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে এবং জাতির সামগ্রিক চেতনা বিনির্মাণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতির অগ্রযাত্রা ও জ্ঞানের মশাল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর বহন করে চলছে। এই প্রিয় প্রতিষ্ঠান তার অদম্য ও বিনয়ী চরিত্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রোথিত করে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৩ লাখ গ্র্যাজুয়েট সৃষ্টি করেছে। শতবর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার অনন্ত যাত্রায় পরবর্তী ধাপ শুরু করেছে।

এই মাহেন্দ্রক্ষণে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ ধরে দেশের জ্ঞানচর্চায় যেমন অবদান রেখে এসেছে, ভবিষ্যতেও তেমনি রেখে যাবে’-এই মূলভাব নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি শতবর্ষ মনুমেন্ট।

৫৬টি প্রতিষ্ঠান শতবর্ষ মনুমেন্টের আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রস্তুতির প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে মূর্ত কাঠামোতে একইসঙ্গে অনন্তযাত্রা ও স্মৃতির শতবর্ষকে ফুটিয়ে তুলতে অসীমের ধারণা প্রকাশকারী গাণিতিক চিহ্নের (?) অংশবিশেষ সমন্বিত ডিজাইনটি প্রথম স্থান লাভ করে। এতে প্রতিফলিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিশালতা, অন্তর্ভুক্ততা ও উদারতা। মনুমেন্ট ও মনুমেন্টসংলগ্ন প্যানেলগুলোতে থাকবে শতবর্ষী বিদ্যাপীঠের গৌরবময় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জনের বহিঃপ্রকাশ।

বৃক্ষরাজির ক্ষতিসাধন না করে মল চত্বরে শতবর্ষ মনুমেন্ট প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়-যেখানে ১৯৭২ সালে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী শহিদ মিনার নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা; এর প্রাঙ্গণের উন্মুক্ততায়, শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার অবাধ-উদার সুযোগ দিতে পারার জন্যই। এই শতবর্ষের যাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কখনো মাথা নত করতে শেখেনি, বরং সব অন্যায় আর স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিল সোচ্চার। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান ভাস্কর্যগুলোও যদি আমরা লক্ষ করি, তাহলে দেখতে পাব এগুলো শিক্ষার্থীদের খুব কাছের-আক্ষরিক অর্থেই এগুলোতে তারা উঠে বসে থাকে-আড্ডায়, উল্লাসে, সংগ্রামে, বিজয়ে।

তাই, এই একবিংশ শতাব্দীতে আর দশটা প্রচারপ্রবণ প্রতিষ্ঠানের মতো নয়; বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যিকারের স্বরূপ এর উদারতায়, এর অতিথি-বাৎসল্যে। ঐতিহাসিক বিদ্যাপীঠে নির্মিতব্য এ নতুন স্থাপনাকে তাই খুবই বিনয়ী হতে হবে, যা ছাত্রদের জীবনধারা ও মল চত্বরের প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাবে এবং এর ‘ফ্রি-ফর্ম’-এর মাধ্যমে প্রাকৃতি ও জীবনকে প্রবাহিত হতে দেবে সাবলীলভাবে।

২০২০-পরবর্তী এখন এমন একটা সময় চলছে, যখন বিশ্বময় অনেক প্রতিষ্ঠানই খুব সচেতনভাবে মানুষের কাছে নিজেদের একটা ‘ইমেজ’ তৈরির চেষ্টা করে চলেছে-ঘষে-মেজে, কখোনোবা মুখোশে লুকিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্বকারী যে কোনো নতুন নির্মাণ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে তাই প্রচণ্ড সতর্কতার প্রয়োজন, যাতে কোনোভাবেই তা আশপাশের বিদ্যমান ঐতিহাসিক স্থাপনার চেয়ে অতিরিক্ত প্রাধান্য না পায়; যাতে মনে না হয়, তাকেই দেখতে হবে। আর তাই ক্লাসরুমের পাশাপাশি এখানে খুব বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে নৈসর্গিক প্রকৃতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই।

‘আমি যখন একটা গাছের দিকে তাকাই, গাছটা আমাকে কিছু বলে না।’ প্রিৎজকার পুরস্কার বিজয়ী স্থপতি পিটার জুমথরের মতে, একটা গাছ আমাদের মোহাবিষ্ট করে রাখে, তার দিকে আকর্ষণ করে তার বেড়ে ওঠা বা প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অনিশ্চিত ধর্মের মধ্য দিয়ে। ‘‘গাছের কোনো বাণী নেই; গাছটা কিছু বলতে চায় না। গাছটা আমাকে বলবে না-‘আমাকে দেখ, আমি খুব সুন্দর, আমি অন্য গাছদের চেয়ে সুন্দর।’ এটা একটা গাছ এবং এটা সুন্দর।’’ তার কাছে একটা গাছ হলো উপস্থিতির পরম প্রকাশ; সহজ করে বললে, ‘কী সাধারণ-তবুও কী অবিশ্বাস্য এর শক্তি!’ সুতরাং, এখানে স্থাপত্যের সব রূপক আর প্রতীকের বাইরে বের হয়ে আসা জরুরি; জরুরি মনুমেন্টের গতানুগতিক বস্তুগত ধারণার ঊর্ধ্বে উঠে এই মহৎ বটবৃক্ষের তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রয়কেই প্রেরণার উৎস হিসাবে গ্রহণ করা। মনুমেন্টটিও তাই কেবল নান্দনিক একটি বস্তুতে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের খুব আপন একটি ‘জায়গা’ হয়ে উঠতে চেয়েছে।

মল চত্বরের বিস্তীর্ণ সবুজ, প্রাচীন মহীরূহ, গ্রীষ্মের তৃষ্ণার্ত মাটি, প্রথম বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ পেরিয়ে পাতার ফাঁক গলে নেমে আসা শরতের নীলাকাশ, শীত-ঝরা পাতার মর্মরধ্বনি, বসন্তের কৃষ্ণচূড়া বা ছোটো ঘাসফুল আর ফড়িংয়ের বন্ধুত্ব...কেবল পুথিগত বিদ্যা নয়, প্রকৃতির এই নিবিড় সান্নিধ্যে একজন শিক্ষার্থীর মানসপটে গাঁথা হয়ে যায় আত্ম-উপলব্ধি, স্বাধীনতার চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ধর্মমত নিরপেক্ষতা, ঐক্য আর ত্যাগের বিনিসুতার মালা।

লোহার পাতে তৈরি মনুমেন্টের মূল স্থাপনাটি (দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট, প্রস্থ ৩০ ফুট ও উচ্চতা ২৫ ফুট) সম্পূর্ণভাবে খোলামেলা হবে যেন এটি প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে পারে। চত্বরের সঙ্গে মিলেমিশে থাকা এ জায়গাটিতে মানুষ আসবে, বসবে, আয়েশী দুপুরে পড়বে কোনো বই, মেতে উঠবে বিপ্লবে, স্বাধীনতায়, উৎসবে। মানুষ খুঁজে পাবে তার আত্মতত্ত্ব-হয়তোবা আড্ডার ছলেই। হয়তোবা এই জংধরা ‘পাতা’ কিংবা ‘নৌকা’র মতো স্থানটি সময়ের স্রোতে বয়ে যাবে অনিশ্চয়তার দিকে। তবু, এই ‘প্রদীপে’র আলো নিশ্চিতভাবে আলো জ্বেলে যাবে...জ্ঞানের মিছিলে সত্যিকারের শিক্ষার কথা বলে যাবে-এর উন্মুক্ততায়, উদারতায়; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো করেই নীরবে লিখে যাবে গৌরবগাথা।

চত্বরে বিদ্যমান সব বৃক্ষ অক্ষত রেখে, বিদ্যমান রাস্তার স্থানেই প্রস্তাব করা হয়েছে সুদৃশ্য পায়ে হাঁটার পথ। এই পথগুলো স্থাপনার দিকে মানুষকে টেনে নিয়ে যাবে। পথগুলোতে প্রাকৃতিকভাবে জল শোষণের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে গজিয়ে উঠতে পারে ঘাস-গুল্ম। গণপরিসরে স্থাপনাটিকে ফুটিয়ে তুলতে এবং সান্ধ্যকালীন নিরাপত্তার স্বার্থে পথগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ল্যাম্পপোস্ট ও গার্ডেন লাইটগুলোর ডিজাইন মনুমেন্টের মূল ভাবনার সম্পূরক হিসাবে কাজ করবে।

মল চত্বরে জল নিষ্কাশন পদ্ধতি প্রাকৃতিক ঢাল তৈরির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে, যা চত্বরসংলগ্ন বিদ্যমান ড্রেনেজ সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। জলাধারে পানির মান নিয়ন্ত্রণে দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট পরিস্রবণ ট্যাঙ্ক থাকবে। এ ছাড়া জলাধারের পানির উচ্চতা একই রাখার জন্য একটি ব্যালান্স-ট্যাঙ্ক করা হবে। জল-উদ্যানে শুষ্ক-মৌসুমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পার্শ্ববর্তী কলাভবনের বিদ্যমান গভীর নলকূপের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সর্বোপরি জলাধারের পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্য ফোয়ারা, মাছ ও নির্দিষ্ট প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ ব্যবহার করা হবে।

প্রকৃতির প্রতি সংবেদনশীল এ প্রস্তাবনাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে চত্বরের বিদ্যমান বৃক্ষরাজি কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। উপরন্তু মল চত্বরে নতুন যে গাছপালা রোপণ করা হবে, সেক্ষেত্রে খুব সুন্দর ও সতর্কভাবে আঞ্চলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বৃক্ষ-গুল্মলতা নির্বাচন করা হয়েছে, যেগুলো মূলত সৌন্দর্যবর্ধন করার কাজে ব্যবহার করা হয়। যে গাছগুলো স্বল্প পরিচর্যায় এই পরিবেশে টিকে থাকতে পারে কিন্তু সুন্দর-এ রকম গাছ রোপণ করার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এখানে বিদ্যমান ৭০০ গাছ রয়েছে, যার সঙ্গে নতুন রোপণকৃত গাছগুলো মল চত্বরের শোভা বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি মনুমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মল চত্বরের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য ল্যান্ডস্কিপিং ব্যবস্থা করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোকে আক্ষরিক অর্থে ধরে রাখার জন্য মনুমেন্টের দক্ষিণের ব্লকটিতে ২ ফুট x ৮ ফুট মাপের ১০টি প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মোট ২০টি ভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, গৌরব ও সংগ্রামের ঘটনাগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণী প্রকাশ করা হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতিফলন ঘটবে। মনুমেন্টের সামনে দক্ষিণের একটি ব্লকে চত্বরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ‘জল-উদ্যান’ নির্মাণ করা হবে। ফোয়ারা, মাছ, নুড়িপাথর ও শাপলা ফুলের এই বৃত্তাকার স্থানটিকে ঘিরে বসার ব্যবস্থা থাকবে। মনুমেন্ট হবে সামগ্রিকভাবে আকর্ষণীয় ও প্রত্যয়ের প্রতীক।

দেশ ও জাতির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দেশ ও জাতির ভূমিকা-সবকিছুই এ মনুমেন্টে প্রতিবিম্বিত হয়ে উঠবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অ্যালামনাই যারা আছেন, তাদের কথাও এখানে ফুটে উঠবে। এমনকি একজন শিক্ষার্থী যখন এখানে আসবে, সে যেন ওই নামগুলোর মধ্যে তার নিজের নামটাও যুক্ত থাকার তাগিদ অনুভব করে-সেদিক বিবেচনায় রেখেই প্যানেলগুলো ডিজাইন করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। মূলত আমাদের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের মধ্যে একটি কাঙ্ক্ষিত সেতুবন্ধন রচনা করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার প্রতিজ্ঞা ও প্রত্যয় নিয়ে শতবর্ষ মনুমেন্টটি তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. এ এসএম মাকসুদ কামাল : প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

অনন্ত প্রতিবিম্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ মনুমেন্ট

Advertisement

আরও পড়ুন

অন্যমত ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

ফ্যাসিস্ট সরকারের ঋণের বোঝাই অর্থনীতিকে স্থবির করেছে

রংপুরের আলুচাষিদের দরকার বাজার, সহানুভূতি নয়

রংপুরের আলুচাষিদের দরকার বাজার, সহানুভূতি নয়

শিক্ষা খাতের গলদ থেকে যে বিস্ফোরণ

শিক্ষা খাতের গলদ থেকে যে বিস্ফোরণ

দৃষ্টিপাত সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হোক

সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হোক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম