আন্দোলন জমানোর সহজ উপায়

  এ কে এম শাহনাওয়াজ ১২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আন্দোলন
আন্দোলন। প্রতীকী ছবি

প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলন দাঁড় করাতে ইস্যু প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ইস্যু দুই রকম থাকে। একটি জেনুইন আর অন্যটি মতলবী। জেনুইন ইস্যুতে দিনে দিনে আন্দোলন জমাট বাঁধে। একে একে সংহতি প্রকাশ করতে থাকে অনেকে। আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আন্দোলন সফল হয়।

অন্যদিকে মতলবী আন্দোলনে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লাভালাভের ব্যাপার থাকে। স্বাভাবিকভাবেই আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত হয় না। আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়ে না। আন্দোলন সফল করার জন্য ভিন্ন উপায় বের করা হয়।

অদ্ভুত এক বাস্তবতায় প্রায় একই সময়ে দেশের বেশ ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিচিত্র ইস্যুতে আন্দোলন চলছে। মর্মান্তিক আবরার হত্যাকাণ্ডের পর দ্রুততার সঙ্গেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর ছাত্রদের আন্দোলন থামলেও এর রেশ রয়ে গেল। শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত অধিকাংশ দাবিই বুয়েট কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে।

বেশ ঘটা করেই আন্দোলন থেকে বেরিয়ে আসে ছাত্ররা। এরপরও দীর্ঘদিন হয়ে গেল ক্লাসে ফিরে যাচ্ছে না ওরা। সম্ভবত সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আস্থাহীনতা তাদের নিশ্চিত করতে পারেনি; যা শিক্ষার পরিবেশে দারুণ সংকট তৈরি করেছে। খুবই গর্হিত বিষয় ছিল রাজশাহীর ঘটনা। কলেজ অধ্যক্ষকে ছাত্রলীগের ছেলেরা পুকুরে ফেলে দেয়।

সরকার জরুরি ব্যবস্থা নেয়ায় সংকট কিছুটা সামাল দেয়া গেছে। পাবনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেয়ার জন্য উপাচার্য মহোদয়ের কয়েক লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয় বিক্ষোভ। এর অডিও ক্লিপও ফাঁস হয়েছে।

তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকে উপাচার্যের কথিত কমিশন বিতরণের অডিও সংলাপের ভিত্তিতে একশ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্দোলনের ভেতরটা দেখে পাবনার উপাচার্যের ভিডিও নিয়েও আমাদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে।

কারণ ইতিমধ্যে জাবির ছাত্রলীগ নেতাদের আলোচিত ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টাকার ভাগ নেয়ার কথা স্বীকার করা ছাত্রলীগের এক নেতা লিখিতভাবে জানিয়েছেন তিনি কাদের নির্দেশে এ ধরনের ভিডিওতে শেখানো কথা বলেছেন। এক প্রযুক্তি অভিজ্ঞ জানালেন, ভালো মিমিক করতে পারে এমন কাউকে দিয়ে ভিসির কণ্ঠ বসিয়েও অডিও করা সম্ভব।

আন্দোলনের নামে বেশ কিছুদিন অরাজকতা চলছে জাবি ক্যাম্পাসে। এখানে উপাচার্য মহোদয় দোষী নাকি উপাচার্যের চেয়ারপ্রত্যাশী কোনো পক্ষের এটি তৈরি খেলা এ নিয়ে এখন আর মন্তব্য করতে চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর মধ্যে তার অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত অভিযোগের প্রমাণ দাখিল করতে বলেছেন। তারাও ইতিমধ্যে প্রমাণপত্র জমা দিয়েছেন। যদি এতে তদন্ত করার মতো উপাদান থাকে তবে আশা করছি তদন্তের মাধ্যমে সব কিছুর সুরাহা হবে। যেই দোষী হোক তার যথাযথ শাস্তি হবে।

কিন্তু এসব আন্দোলন কাছে থেকে দেখতে দেখতে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি আমরা। বুঝতে পারলাম দুর্বল ইস্যুর ওপর দাঁড়ানো আন্দোলনকে জোরালো করার সহজ উপায়ও আছে। আগে নাকি কোনো বাড়িতে কেউ মারা গেলে শোক করার মতো নিকটাত্মীয় না থাকলে কান্নাকাটি করার জন্য ভাড়ায় লোক পাওয়া যেত।

ঝগড়াঝাটির জন্যও ভাড়াটে ঝগরুটে পাওয়া যেত। গত সপ্তাহে পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন সহকর্মী আমার অজ্ঞতা দেখে বিস্মিত হলেন। বললেন এখন আন্দোলন জোরালো করার জন্য বিশেষ এক রাজনৈতিক অঞ্চলের সদস্যদের ভাড়ায় পাওয়া যায়।

ওরা যৌক্তিক হোক আর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে হোক আন্দোলনে মাটি কামড়ে পরে থাকতে জানে। এরা আন্দোলনবিরোধী পক্ষের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অপমান করতে, অশালীন ভাষা প্রয়োগ করতে এবং অশালীন ব্যঙ্গ কার্টুন আঁকতেও দ্বিধা করে না। একইসঙ্গে মতলবী শিক্ষকরা এদের উসকে দিতে থাকেন ক্রমাগত।

ওরা হয়তো অভিজ্ঞতায় দেখেছে এমন উগ্র আচরণ করলে সম্মান রক্ষার্থে ভদ্রলোকেরা পথ ছেড়ে দেবেন আর লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে আন্দোলনকারীরা। অনেক সরলমতি ছেলেমেয়ে হয়তো বুঝতেও পারে না কারা ব্যবহার করছে তাদের।

আন্দোলন জমাট করার আরেকটি শক্তিশালী অস্ত্র মিডিয়া। কিন্তু মিডিয়ার আশ্রয়ে দাঁড়িয়ে মিডিয়ার সমালোচনা সব সম্পাদক পছন্দ করবেন না। অন্তত আমার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা তাই বলে।

অবশ্য গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তা মেনে নিয়েও বলব সাম্প্রতিক আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটছে এর প্রতিফলন খুব কমই ঘটছে পত্রিকায় এবং ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে। এক সহকর্মী যথার্থই বলেছেন এখন নাকি আন্দোলন আন্দোলনকারীরা করছেন না- করছে মিডিয়া।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ঘটনাগুলোর বাস্তব চিত্র পত্রিকা পড়ে এবং টেলিভিশনে দেখে বোঝা যাবে না। মিডিয়াকর্মীদের সখ্য তৈরি হয় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। তাই একপেশে রিপোর্টই প্রকাশ পাচ্ছে দিনের পর দিন। এর প্রতিক্রিয়া টের পাচ্ছি প্রতিদিন। উদ্বিগ্ন আত্মীয়স্বজন আর বন্ধুরা ফোন করেন আমরা ঠিক আছি কিনা জানতে।

ক্যাম্পাস থেকে বেরুতে পারছি তো! অর্থাৎ তাদের ধারণা বিশ্ববিদ্যালয় ডুবে গেছে। দেশজুড়ে ধারণা হয়েছে উপাচার্য দুর্নীতি করেছেন। আমি যখন প্রশ্ন করি ছাত্রলীগের ছেলেদের ফোনালাপ আর আন্দোলনকারীদের অভিযোগ করা ছাড়া তেমন কোনো কিছু প্রমাণ করা হয়নি। তদন্তও করা হয়নি। তবে এত বড় সিদ্ধান্তে এলেন কেমন করে?

সরল উত্তর, পত্রিকা-টিভিতে যখন বলছে তাহলে তো কিছু সত্য হতে পারে! আসলেও সাধারণ মানুষের বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ আছে। আন্দোলনকারীদের সবচেয়ে বড় মিছিলেও ৫০ জনের বেশি কখনও দেখা যায়নি। এখানে রাজনীতিসংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ, বিএনপি ও বামপন্থী শিক্ষকরা রয়েছেন।

আর আছেন প্রধানত বামপন্থী ছাত্রছাত্রীদের একটি অংশ। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী পেছন থেকে হাওয়া দিচ্ছে শিবিরের ছেলেরা। এ আন্দোলনকারীদের কর্মসূচির রিপোর্ট ও ভিডিওই বারবার প্রচার পাচ্ছে। অপরদিকে ভিসিপন্থী এবং দলনিরপেক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহস্রাধিক মানুষের মিছিল, মানববন্ধনে আন্দোলনের অযৌক্তিকতার কথা বলা হচ্ছে সে কথা বা চিত্র জায়গা পাচ্ছে না পত্রিকা বা টিভিতে।

বরঞ্চ এ জমায়েতকে সাংবাদিকরা কৌশলে ‘ভিসিপন্থী’ আখ্যায়িত করে সংকীর্ণ করার চেষ্টা করছে। অতি সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলের খবরে জানলাম আন্দোলনকারীদের মিছিল থেকে গ্রেফতার করা বহিরাগত দুই শিবিরকর্মীর কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে নাকি যোগাযোগ রয়েছে আন্দোলনকারীদের। সারা দেশেই ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করতে অর্থ ছড়াচ্ছে শিবির। বেশ কয়েকজন সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিকের নামও পেয়েছেন তারা; যাদের শিবির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থের বিনিময়ে শোক করা বা ঝগড়া করার মানুষ ভাড়া করতে পারলে একটি ভিত্তিহীন আন্দোলনও জমানো কঠিন কিছু নয়।

শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা মহৎ পেশা। দশটা-পাঁচটা চাকুরের জীবন এমন নয়। তরুণ কেউ শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে দেখা করতে এলে আমি একটিই উপদেশ দেই। ‘কখনও মনে করবে না চাকরি করছো। তুমি করছো শিক্ষকতা। চাকরি করা আর শিক্ষকতা করার মধ্যে অনেক ফারাক আছে।’

এ কারণে আমরা শিক্ষক হয়ে শিক্ষকের অন্যায় দেখলেও সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা বলে সংবাদমাধ্যম নিজেদের সংকট বা দুর্বলতা সাধারণত মানতে নারাজ। বা প্রকাশ করতে দ্বিধা করে। আমি অনেকদিন যুগান্তরে লিখি। এখানে সম্পাদকীয় মনোভাব অনেকটা নিরপেক্ষ। এ ভরসায় আমি দু-একটি কথা লিখতে চাই।

আমি সাংবাদিক না হলেও লেখালেখির কারণে বিগত চল্লিশ বছর ধরে সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত আছি। এখন বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার যে ধারা দেখছি তাতে সাংবাদিকতার সামান্য নর্মও সম্ভবত মানা হয় না। তরুণ সাংবাদিকদের যথাযথ ট্রেনিং দেয়া হয় কিনা আমি জানি না।

এদের দোষ দিয়েই বা লাভ কী। মিডিয়ার অভিজ্ঞরাও তো যাচাই-বাছাই ছাড়া পাঠানো সংবাদ অবলীলায় ছেপে দিচ্ছেন। টেলিভিশনে স্ক্রল করছেন। খোঁজখবর না নিয়েই সম্মানিতদের সম্মানহানি করছেন। এ কারণেই সংবাদমাধ্যমের সংবাদের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট দেখা দিচ্ছে।

ভিসির বাড়ির সামনে ছাত্রলীগের হাতাহাতি-মারামারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা এসব নিয়ে একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলে দিনকয়েক আগে রাত সাড়ে এগারোটার পর অনুষ্ঠিত টকশো দেখছিলাম। সেখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকেও যুক্ত করা হয়েছিল।

অতিথিসহ উপস্থাপিকা যেভাবে প্রশ্ন করছিলেন তাতে কোনো শোভন সাংবাদিকতার প্রকাশ ছিল না। উপাচার্যকে অপদস্থ করাই যেন তাদের উদ্দেশ্য ছিল। আন্দোলনকারী একজন শিক্ষক নেতাকে যুক্ত করে একপক্ষীয় আলোচনা শোনালেন অনেকক্ষণ। এদেশবাসী কতটা বিভ্রান্ত হল একবারও বিবেচনা করলেন না।

এ সংবাদকর্মীদের কাছে এই তথ্য নেই যে, পুরো আন্দোলনের পেছনে রয়েছে ভিসির পদ-প্রত্যাশী একটি গ্রুপের অঙ্গুলিহেলন, যে শিক্ষক নেতাকে দিয়ে অনেক ন্যায়ের কথা শোনালেন অথচ তারই উপস্থিতিতে উপাচার্যের বাসার দিকে মাইক লাগিয়ে ছাত্রদের দিয়ে অকথ্য গালাগাল করা ও অশালীন প্যারোডি গাওয়ানো হয়; যা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে খুবই লজ্জার ব্যাপার ছিল। কোনো কোনো পত্রিকা এ ধারার অবস্থানকেও লিখল ‘শান্তিপূর্ণ অবস্থান’। এ কারণেই বলি অনেক মিডিয়ার কাছ থেকে সত্য পাওয়া এখন খুবই কঠিন।

একটি চ্যানেলের টকশোতে দেখলাম একজন প্রতিথযশা প্রবীণ সাংবাদিক আন্দোলনকারীদের মতো করেই বলছিলেন বিশ্বদ্যিালয়ের স্বার্থে ভিসি তদন্ত করছেন না কেন? পদত্যাগ করছেন না কেন? আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই ভিসির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত কি ভিসি করতে পারেন?

না, মহামান্য আচার্যের নির্দেশে মন্ত্রণালয় করবে? আর অন্যায় না করলে পদত্যাগ করে দায় মাথায় নেবেন কোন যুক্তিতে? এখন কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে এ শ্রদ্ধেয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ আনে যে তিনি এক কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে অমুক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রিপোর্ট ছেপেছেন, তাহলে কি তিনি অপরাধ না করেও অপরাধের দায় নিয়ে পদত্যাগ করবেন?

মিডিয়া ও ভিডিও থেকে দেখলাম ছাত্রলীগের ছেলেদের সঙ্গে হাতাহাতি, পদাঘাত ইত্যাদিতে ছাত্র-শিক্ষক অনেকে আহত হয়েছেন। আহত কেউ চিৎকার করছেন, গড়াগড়ি খাচ্ছেন। আমি একাডেমিক কাজে এদিন সকাল থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম। এখান থেকে ফোনে জানলাম মারামারিতে আন্দোলনের নেতা আমার সহকর্মী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন। অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি। মন খারাপ হয়ে গেল। ঘটনা ঘটার কয়েক ঘণ্টা পর আমি ক্যাম্পাসে ফিরি।

স্বস্তি পেলাম এই দেখে যে আমার ‘গুরুতর’ আহত সহকর্মীসহ কথিত আহত অনেকেই হল ত্যাগ করতে দেবেন না বলে বিপুল উৎসাহে পিকেটিং করছেন। কই, এই স্বস্তির সংবাদটি তো প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া প্রচার করে দেশবাসীকে শঙ্কামুক্ত করল না!

এ কারণেই আমরা বলি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা সহজ, যদি ঝগড়া আর শোক করার দক্ষ মানুষ ভাড়ায় এনে ব্যবহার করা যায় আর সংবাদমাধ্যমকে হাতে রাখা যায়। তবে আমরা প্রত্যাশা করব এ দুর্ভোগ আর অসম্মান থেকে বেরিয়ে আসতে ন্যায়-অন্যায় বোধসম্পন্ন ক্যাম্পাসবাসীকে আরও সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষাঙ্গনকে কলুষমুক্ত করতে সূচনাতেই সরকারকে এসব অপকাণ্ডের মূলোচ্ছেদ করতে হবে।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : জাবিতে অনিয়ম

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×