শাকিরার মাদ্রিদ কনসার্টে নারীর জয়গান
আনন্দনগর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শাকিরার কণ্ঠে আবারও উঠবে নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। তবে এবার শুধু মঞ্চে গান নয়, তার মাদ্রিদ কনসার্টকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদযাপন করা হবে লাতিন সংগীত ও সংস্কৃতিতে নারীদের অবদান। আগামী ৩ অক্টোবর অ্যামাজন মিউজিকে বিশ্বব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার হবে শাকিরার মাদ্রিদ কনসার্ট। এটি হবে তার পূর্ণাঙ্গ কোনো কনসার্টের প্রথম বৈশ্বিক লাইভস্ট্রিম।
কনসার্টটি শাকিরার ‘লাস মুকেরেস ইয়া নো ইয়োরান ওয়ার্ল্ড ট্যুর’-এর শেষ পর্বের অংশ। একইসঙ্গে এটি তার ‘ইএস লাতিনা ইউরোপিয়ান রেসিডেন্সি’-এরও অংশ। দর্শকরা ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টা থেকে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারবেন। অ্যামাজন মিউজিক, প্রাইম ভিডিও, ফায়ার টিভির অ্যামাজন মিউজিক অ্যাপ ও টুইচে অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে।
মাদ্রিদের এ আয়োজন অ্যামাজন মিউজিকের ‘দ্য উইমেন শ্যাপিং লাতিন মিউজিক’ উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু। লাতিন সংগীত ও সংস্কৃতিতে প্রভাব রাখা নারী শিল্পীদের পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি খাতে কাজ করা নারীদেরও সামনে আনা হবে এতে।
ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন এক অধ্যায় থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শাকিরার ‘লাস মুকেরেস ইয়া নো ইয়োরান’ সফর শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে তা হয়ে উঠেছে ঘুরে দাঁড়ানো, আত্মবিশ্বাস ও নতুন করে নিজেকে আবিষ্কারের প্রতীক। কনসার্টটি নিয়ে শাকিরা বলেন, এ সফর তার কল্পনার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের ভক্তদের সঙ্গে বিশেষ এ সন্ধ্যা ভাগ করে নিতে পেরে তিনি উচ্ছ্বসিত।
উদযাপনের অংশ হিসাবে শাকিরার ‘দাই দাই স্পেনিশ রিমিক্স’-এর নতুন সংস্করণ প্রকাশ করবে অ্যামাজন মিউজিক। তার জনপ্রিয় ‘লন্ড্রি সার্ভিস’ অ্যালবামের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আসছে বিশেষ কমলা ও হলুদ মার্বেল ভিনাইল সংস্করণও।
মাদ্রিদে থাকছে ‘এল মুসেও শাকিরা বাই অ্যামাজন মিউজিক’-একটি ইন্টার্যাকটিভ অভিজ্ঞতা, যেখানে সংগীত, ফ্যাশন, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে শাকিরার পথচলা তুলে ধরা হবে। থাকবে নারী শিল্পীদের নিয়ে বিশেষ মঞ্চও।
সংগীতের বাইরেও রয়েছে বড় উদ্যোগ। ‘লাস মুকেরেস আয়ুদান কন অ্যামাজন মিউজিক’ কর্মসূচির মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার নারীদের বিনা মূল্যে ক্লাউড কম্পিউটিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২০২৮ সালের মধ্যে ১০ লাখ নারীর কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে এ উদ্যোগের। অর্থাৎ, শাকিরার মাদ্রিদ কনসার্ট এবার শুধু একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়; এটি হয়ে উঠছে লাতিন সংগীত ও সংস্কৃতিতে নারীর সৃজনশীলতা, সাফল্য ও সম্ভাবনাকে উদযাপনের বৈশ্বিক মঞ্চ।
