মেরিলিন মনরোর উত্তরসূরি সিডনি সুইনি!
Advertisement
আনন্দনগর ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর সঙ্গে ‘ইউফোরিয়া’খ্যাত সিডনি সুইনির মিল নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। পোশাক, সাজসজ্জা কিংবা চেহারার অভিব্যক্তিতে বারবারই দুজনের তুলনা টেনেছেন ভক্তরা। এবার সেই মিলকে ছাপিয়ে সামনে এসেছে আরও চমকপ্রদ তথ্য-মেরিলিন মনরো ও সিডনি সুইনি সত্যিই পরস্পরের আত্মীয়!
বংশতালিকা গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মাইহেরিটেজের নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা অনুযায়ী, দুই অভিনেত্রী নবম কাজিন, তবে এক প্রজন্মের ব্যবধানে। তাদের অভিন্ন পূর্বপুরুষ এজরা পেরি (আনুমানিক ১৬২৫-১৬৮৯)। ম্যাসাচুসেটসের স্যান্ডউইচে বসতি স্থাপনকারী প্রাথমিক ইংরেজদের অন্যতম ছিলেন তিনি।
দুই অভিনেত্রীর চেহারা ও স্টাইলের সাদৃশ্য নিয়ে অবশ্য আগেও কম আলোচনা হয়নি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘দ্য হাউসমেইড’ সিনেমার প্রিমিয়ারে সিডনি সুইনি যে সাদা পোশাক পরেছিলেন, সেটি মনে করিয়ে দিয়েছিল ১৯৫৫ সালের ‘দ্য সেভেন ইয়ার ইচ’ সিনেমায় মনরোর বিখ্যাত উড়ন্ত সাদা স্কার্টের দৃশ্য। সেই দৃশ্যটি সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম আইকনিক মুহূর্ত হিসাবে বিবেচিত।
এরপর ২০২৬ সালের সান্তা বারবারা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিডনির পরা ভিনটেজ সিল চ্যাপম্যান গাউনেও খুঁজে পাওয়া যায় মনরোর ছায়া। পোশাকটির সঙ্গে ১৯৫২ সালের এপ্রিলে ‘লাইফ’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে মনরোর পরা পোশাকের মিল ছিল স্পষ্ট।
এসব মিলই মাইহেরিটেজের গবেষকদের কৌতূহলী করে তোলে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের পরিচালক রই ম্যান্ডেল বলেন, সিডনি ও মনরোর মধ্যে মানুষ বরাবরই নানা সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছে। তাদের বংশতালিকা অনুসন্ধান করে সেই মিলের পেছনে সত্যিকারের পারিবারিক যোগসূত্র খুঁজে পাওয়াকে তিনি ‘অসাধারণ’ ঘটনা হিসাবে উল্লেখ করেন।
তবে সিডনি এখনো পর্দায় মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেননি। এর আগে ‘ব্লন্ড’ সিনেমায় আনা দে আরমাস এবং ‘মাই উইক উইথ ম্যারিলিন’-এ মিশেল উইলিয়ামস মনরোর চরিত্রে অভিনয় করে অস্কার মনোনয়ন পেয়েছেন।
চমক এখানেই শেষ নয়। মাইহেরিটেজের গবেষণায় জানা গেছে, অভিনেত্রী ডাকোটা জনসনের সঙ্গেও ম্যারিলিন মনরোর পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। ডাকোটা মনরোর নবম কাজিন, তবে তিন প্রজন্মের ব্যবধানে।
ফলে মনরোর সঙ্গে সিডনি সুইনির মিল এখন আর শুধু পর্দার দর্শকের চোখে দেখা সাদৃশ্য নয়; ইতিহাসের পাতায়ও তাদের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গেল। হলিউডের দুই প্রজন্মের দুই তারকার এই অপ্রত্যাশিত পারিবারিক সম্পর্ক তাই নতুন করেই কৌতূহল তৈরি করেছে।
