Logo
Logo
×

Advertisement

আনন্দ নগর

চার নায়িকার পূজার একাল সেকাল

বছর ঘুরে আবারও এসেছে শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবের আনন্দে মেতেছেন দেশের বিনোদন মিডিয়ার সনাতম ধর্মের অনুসারী তারকারাও। তাদের মধ্যে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস, বিদ্যা সিনহা মীম, পূজা চেরী ও মন্দিরা চক্রবর্তী জানিয়েছেন ছোটবেলা ও এখনকার পূজা উদযাপনের অভিজ্ঞতা।

Advertisement

Icon

আনন্দনগর প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

সময় বদলেছে। সেইসঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছু। বিভিন্ন উৎসবেও আনন্দ উদযাপনের ধরন কিছুটা বদলেছে। কিন্তু ছোটবেলার পূজার আনন্দ এখনো একেবারে শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এ দিনগুলোয় তার বেশি মনে পড়ে বগুড়ার কথা। ওখানেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। জানিয়েছেন, বাবা-মাসহ অন্য আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ভাগ করে নিতেন ছোটবেলার উৎসবের আনন্দ। পূজার সময় সবাই এক জায়গায় জড়ো হতেন, বাড়ি ভরে উঠত হইচইয়ে। নতুন জামা পরে ভোরবেলা প্রতিমা দেখতে যাওয়া, সবাই মিলে আড্ডা, সব মিলিয়ে রঙিন হয়ে উঠত পূজা। তবে এখনকার দুর্গোৎসবে তার জীবনে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। ছেলে জয়কে সময় দেওয়ার পাশাপাশি মায়ের সঙ্গে কাটানো দিনগুলোকে খুব মিস করেন বলে জানান এ নায়িকা।

চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মীমের কাছে ছোটবেলার পূজা এখন শুধুই স্মৃতি। তিনি বলেন, নতুন পোশাকে পরিবারের মানুষদের নিয়ে এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো, দেবী দুর্গার কাছে সবার মঙ্গল কামনা করা, ইচ্ছামতো খাওয়া-দাওয়া আর বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে নাচ-গানে মেতে ওঠা, এসবই ছিল একসময় পূজার নিয়মিত রুটিন। এখনো পূজার প্রতিদিন নতুন পোশাকে বের হন মীম। তবু হারিয়ে যাওয়া সময়ের আনন্দ আর ফিরে পাওয়া হয় না তার। জানিয়েছেন, পরিবারের সঙ্গেই পূজা কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। প্রতিবারের মতো এবারও মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। এবারও পূজার প্রতিটি দিনি আলাদা পোশাক ও সাজে থাকবেন। মীম বলেন, প্রত্যাশা করি সবাই মিলে অনেক সুন্দরভাবে এবং সুন্দর পরিবেশে যেন পূজার দিনগুলো কাটাতে পারি। একা নয়, সবাই মিলে যেন আনন্দ করতে পারি।’ এ নায়িকা আরও জানান, পূজার সময় কখনো কখনো রাজশাহীতে গ্রামের বাড়িতে যান। তবে ছোটবেলার মতো এখন আর ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়াতে পারেন না। বলেন, ‘এখন গ্রামে গেলে বাসা থেকে বের হতে পারি না, কারণ বের হলেই সবাই ঘিরে ধরে। হয়তো আত্মীয়স্বজনদের বাসায় যাই, সেখানেও লোকজন ভিড় করে থাকে। এতে খারাপ লাগে না আমার। কারণ আমাদের গ্রামেরই তো মানুষ। কিন্তু ওই যে বললাম, শৈশবের মতো ঘুরে বেড়াতে পারি না।’ উপহার নিয়েও কথা বলেন মীম। তিনি বলেন, ‘পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়। দুটোতেই আনন্দ পাই।’

এদিকে বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে পূজার সময়টা ভালোই কাটছে বলে জানিয়েছেন পূজা চেরী। কিন্তু মাকে মিস করছেন। তিনি বলেন, ‘পূজা এলো, অথচ মা নেই। তাকে খুব মিস করি, বিশেষ করে এই আনন্দময় মুহূর্তে বেশি মনে পড়ছে। মা থাকলে পূজার আনন্দটা সত্যিই অন্যরকম হতো।’ পূজার গ্রামের বাড়ি খুলনায়, তবে বেড়ে উঠেছেন ঢাকায়। শৈশবের ধুলোমাখা দিনগুলো কেটেছে সেখানেই। দুর্গোৎসবের সময় নানারকম পোশাক পরে বের হতেন, উপহারও পেতেন অনেক। ছোটবেলায় তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরতেন। বাসায় আত্মীয়স্বজনরা আসতেন, সবাই মিলে মুখরোচক খাবার খাওয়া হতো। এভাবে মহালয়া থেকে বিসর্জন, প্রতিটি দিন কাটত আনন্দে।

ছোটবেলার পূজার সেই স্মৃতি ভাগ করেছেন অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলার পুজো খুব মিস করি। মা-বাবার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, কেনাকাটা করা, আর বাবার কোলে চেপে মণ্ডপ ঘুরে ঠাকুর দেখা, আগের দিনগুলো সত্যিই খুব ভালো ছিল।’ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পূজার ধরনও বদলেছে বলে জানান তিনি। ‘এখন অন্যরকম সুন্দর। বড় হয়েছি, দায়িত্ব বেড়েছে। আগে পুজোতে অনেক উপহার পেতাম, আর এখন উলটো নিজেকেই উপহার দিতে হয়।’ তবে ব্যস্ততা বাড়লেও পরিবারকে সময় দিতে ভোলেন না এ নায়িকা। বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়েই প্রতিমা দর্শনে বের হন। এবার ঢাকায় পূজা করছেন মন্দিরা। তিনি বলেন, ‘পুজো এলেই কয়েকটা দিন আমার খুব ভালো লাগে। মনে হয়, আরও কিছুদিন যদি এ আমেজটা থাকত, তবে খুব ভালো হতো।’

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

চার নায়িকার পূজার একাল সেকাল

চার নায়িকার পূজার একাল সেকাল

কিংবদন্তির অবসর যেভাবে কাটে শবনমের সময়

যেভাবে কাটে শবনমের সময়

প্রেমিকার র‌্যাম্প অভিষেকে উচ্ছ্বসিত টিমোথি

প্রেমিকার র‌্যাম্প অভিষেকে উচ্ছ্বসিত টিমোথি

টুকরো খবর সাবিনা ইয়াসমিনকে আজীবন সম্মাননা

সাবিনা ইয়াসমিনকে আজীবন সম্মাননা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম